
তাঁর পরের গন্তব্য যে ব্রাজিল, সেটি আগেই বোঝা গিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত হলোই তাই। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, নেইমারদের কোচ হওয়ার জন্য ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিবিএফ) চুক্তিতে সই করেছেন কার্লো আনচেলত্তি। কাজও শুরু করবেন এ মাসের ২৬ তারিখ থেকে। আজ এক বিবৃতিতে ইতালিয়ান আনচেলত্তির সঙ্গে চুক্তি হওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে সিবিএফ।
সিবিএফের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সিবিএফ অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের পরবর্তী প্রধান কোচ হতে যাচ্ছেন আনচেলত্তি।
পরশু উত্তেজনাপূর্ণ এল ক্লাসিকোয় ধরাশায়ী হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। সেই ম্যাচের ২৪ ঘণ্টাও পার হয়নি, তার আগেই আনচেলত্তিকে নিয়োগের কথা জানাল সিবিএফ। অবশ্য তাঁর ব্রাজিলের তাঁর যোগ দেওয়ায় কোনো প্রভাব রাখেনি পরশুর এল ক্লাসিকোর ফলাফল। এ নিয়ে চলতি মৌসুমে চার বার বার্সেলোনার কাছে হেরেছে রিয়াল। আর চার ম্যাচেই আনচেলত্তির দল হজম করেছে ৩ বা ততোধিক গোল। মৌসুমটা যে তাঁর ভালো কাটেনি—এল ক্লাসিকো সম্পর্কিত এই কটি তথ্যই তা বলে দেয়। একটা ট্রফিও এ মৌসুমে জিততে পারেনি রিয়াল। তাই আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল রিয়ালে আনচেলত্তির ভাগ্য। লিগে সোসিয়েদাদের বিপক্ষে তাঁর শেষ লা লিগার ম্যাচ। সেই ম্যাচ শেষেই তিনি বার্নাব্যু ছাড়বেন।
যদিও আনচেলত্তির চুক্তি আরও এক মৌসুম বাকি আছে। কিন্তু রিয়ালের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমেই এক বছর আগেই ক্লাব ছেড়ে যাচ্ছেন তিনি। বার্নাব্যুর দলটির হয়ে দুই দফায় ১৫টি ট্রফি জিতেছেন আনচেলত্তি। দুবার একই মৌসুমে জিতেছেন লিগ ও উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে। রিয়ালের সফলতম কোচও তিনি।
কোচ হিসেবে আনচেলত্তির সাফল্যেই তাঁকে নিয়োগ দিতে প্রলুব্ধ করেছে সিবিএফকে। জুনে বিশ্বকাপে বাছাইয়ের ম্যাচে ব্রাজিলের ডাগআউটে তিনি থাকবেন বলেও জানিয়েছে সিবিএফ, ‘ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সফল কোচ হিসেবে কিংবদন্তি আনচেলত্তি ২০২৪-২৫ মৌসুমের লা লিগা শেষ হওয়ার পর আগামী জুনে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রাজিলের দায়িত্ব নেবেন। ২৬ মে,২০২৫ দায়িত্ব পালন শুরু করবেন তিনি।’

সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২০ মিনিট আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২০ মিনিট আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২২ মিনিট আগে
আটলান্টার দিনটা কি আবার লিওনেল মেসির হবে? নাকি সেই আলো কেড়ে নেবেন মোহামেদ সালাহ? ৯০ মিনিটে (যদি অতিরিক্ত সময় না লাগে) একজনের বিশ্বকাপ-স্বপ্ন আরও বড় হবে, অন্যজনের যাত্রা থেমে যাবে সেখানেই। বিশ্বকাপের নকআউটে সৌন্দর্যের চেয়ে বেঁচে থাকাটাই বড়। কে কত ভালো খেলল, সেটি ইতিহাস খুব বেশি মনে রাখে না;
২৬ মিনিট আগে