
শীতকালীন দলবদলে বাজার তেমন সরগরম হয় না বললে চলে। কিন্তু এবার যেন আটঘাট বেঁধেই নেমেছে ম্যানচেস্টার সিটি। এতে অবশ্য বিস্মিত হওয়ার কারণ নেই। মৌসুমের মাঝপথে যে নাজেহাল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছে তারা, এভাবে হামলে পড়া অনুমিত ছিল। দলবদলের বাজারে সিটির থাবা মানেই অর্থের ঝনঝনানি। এর ব্যতিক্রম হয়নি এবারও।
এই শীতে ৪৪৭ মিলিয়ন ইউরো খরচ করেছে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো। এর মধ্যে সিটির ব্যয় হয়েছে ২১৮ মিলিয়ন ইউরো। আগে কখনো শীতকালীন দলবদলে এর চেয়ে বেশি খরচ করেনি তারা। পরশু শেষ দিনে চমক হিসেবে পোর্তো থেকে দলে ভিড়িয়েছে নিকো গঞ্জালেসকে। তাঁকে আনতে ৬০ মিলিয়ন ইউরো ঢালতে হয়েছে সিটিকে। এর আগে ওমর মারমুশের পেছনেও খরচ করতে হয়েছে মোটা অঙ্কের অর্থ। ৭৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে মিসরীয় এই ফরোয়ার্ডকে ছাড়ে জার্মান ক্লাব আইন্ট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট। লেস থেকে আব্দুকবির খুসানোভ (৪০ মিলিয়ন), পালমেইরাস থেকে ভিতর রেইস (৩৭ মিলিয়ন) ও রিয়াল ভায়াদোলিদ থেকে জুমা বাহকে নিয়েছে সিটি।
একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে শীতকালীন দলবদলে—এত খরচের পরও কি আগের জায়গায় ফিরতে পারবে সিটি? মৌসুমের শুরুটা ভালো হলেও প্রিমিয়ার লিগে নভেম্বর-ডিসেম্বরে আট ম্যাচের ছয়টিতে হেরেছে তারা। কিছুদিন আগেও আর্সেনালের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে ৫-১ গোলে। তখনো পেপ গার্দিওলার চোখেমুখে হতাশার ছাপ ছিল স্পষ্ট। বর্তমানে ২৪ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পাঁচে আছে তারা। কাগজে-কলমে শিরোপার স্বপ্ন টিকে থাকলেও তা অসম্ভব বলে মনে হচ্ছে।
মৌসুমের শুরুতেই ব্যালন ডি’অর জয়ী রদ্রির ছিটকে পড়া বেশ বড় ধাক্কা দেয় সিটিকে। চোটের কারণে অনিয়মিত রয়েছেন তারকা মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনা। এমন পরিস্থিতিতে এর আগে কখোনো পড়তে হয়নি গার্দিওলার, ‘আমরা সব সময় মৌসুমের শেষে গিয়ে খেলোয়াড় কিনতে চেয়েছি। তবে এবারের পরিস্থিতি আলাদা। বেশ কিছু কারণে এ মৌসুম আলাদা। মৌসুম শেষে যতটা সম্ভব সেরা অবস্থায় থেকে শেষ করতে চাই। খেলোয়াড়েরা এখানে ছয় মাসের জন্য আসে না। সব ঠিক থাকলে চার-পাঁচ কিংবা ছয় বছরের জন্য নেওয়া হয়ে থাকে। পাঁচ মৌসুম ধরে আর্থিকভাবে ক্লাব ভালো অবস্থায় রয়েছে।’
ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে সিটি বের হতে পারবে কি না, তা সময় বলে দেবে। সিটিজেনদের ছাড়াও এবার শীতকালীন বাজারে আলোচনায় ছিল আরেক ইংলিশ ক্লাব অ্যাস্টন ভিলা। ২১ বছর বয়সী স্ট্রাইকার জন দুরানকে ৭৭ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে আল নাসরের কাছে বিক্রি করেছে তারা। ধারে নিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মার্কাস রাশফোর্ড ও মার্কো আসেনসিওকে।
বাকি লিগগুলোয় খুব বেশি উত্তাপ ছড়ায়নি শীতকালীন দলবদল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২১ মিলিয়ন ইউরো খরচ হয়েছে ইতালিয়ান সিরি ‘আ’তে। ২০৩ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় করেছে লিগ ওয়ান। এর মধ্যে খাভিচা কাভারৎসখেলিয়াকে নাপোলি থেকে ৭০ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে কিনেছে পিএসজি। তবে জাভি সিমন্সকে ৫০ মিলিয়ন ইউরোতে জার্মান ক্লাব লাইপজিগের কাছে বিক্রিও করেছে তারা।
প্রিমিয়ার লিগ, সিরি ‘আ’ ও লিগ ওয়ানের তুলনায় দলবদলের বাজারে লা লিগা একেবারে নিরুত্তাপ বলা যায়। স্প্যানিশ লিগের সব ক্লাব মিলে খরচ করেছে মাত্র ২৬ মিলিয়ন ইউরো। বড় দুই ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সেলোনা বসে থেকেছে হাত গুটিয়ে। বার্সেলোনাকে ঝামেলা পোহাতে হয় দানি অলমো ও পাউ ভিক্তরের নিবন্ধন করতে গিয়ে। শেষ পর্যন্ত আদালতে গিয়ে মীমাংসা হয় বিষয়টি।
তারকা ফুটবলারদের মধ্যে জোয়াও ফেলিক্স চেলসি থেকে ধারে এসি মিলানে, রান্দাল কোলো মুয়ানি পিএসজি থেকে জুভেন্তাসে ও আলভারো মোরাতা এসি মিলান থেকে গালাতাসারাইয়ে যোগ দিয়েছেন।
ইউরোপিয়ান ফুটবলে দলবদলে পাঁচ লিগের খরচ
লিগ ইউরো
প্রিমিয়ার লিগ (ইংল্যান্ড) ৪৪ কোটি ৭৮ লাখ
সিরি ‘আ’ (ইতালি) ২২ কোটি ১০ লাখ
লিগ ওয়ান (ফ্রান্স) ২০ কোটি ৩৫ লাখ
বুন্দেসলিগা (জার্মানি) ১৬ কোটি ৭৩ লাখ
লা লিগা (স্পেন) ২ কোটি ৬২ লাখ

কানসাস সিটির রিভারফ্রন্ট এলাকায় আর্জেন্টিনা দলের বেস ক্যাম্পের সামনে পরশু রাতে কিছু ভক্ত-সমর্থক যথারীতি ড্রাম বাজাচ্ছিলেন, উল্লাস করে যাচ্ছিলেন। আটলান্টায় মিসরের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে কানসাসে বেস ক্যাম্পে ফিরেছে আর্জেন্টিনা। রাত ১০টায় নিরাপত্তাকর্মীরা ভক্ত-সমর্থকদের ড্রাম বাজান
৪৪ মিনিট আগে
কাতারের আল-বায়ত স্টেডিয়ামের রাতটি মরক্কোর ফুটবল ইতিহাসে আজও এক গভীর স্মৃতি। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরে রূপকথার যাত্রা থেমে গিয়েছিল আটলাস লায়নদের। তবে সেই হার শুধু স্বপ্নভঙ্গই নয়, শিখিয়েছিল বড় মঞ্চে ছোট ছোট ভুলের মূল্য কতটা বড় হতে পারে।
১ ঘণ্টা আগে
ডিপ স্কয়ার লেগে পুল করে চার মারার পর হেলমেটটা খুললেন বেন কারেন। তারপর দর্শকদের অভিনন্দনের জবাব দিয়েছেন। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরির কারেনের উদযাপন বলতে এটুকুই। যে কারানের ইনিংস থেমে যেতে পারত ৪ রানেই, তিনি ১১১ রান করে অপরাজিত থেকেছেন। তাঁর তিন অঙ্ক ছোঁয়ার দিনে বাংলাদেশের সামনে ২৪৮ রানের লক্
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বিপক্ষে মরক্কোর শেষ স্মৃতি সুখের নয়। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ২–০ গোলের হারে। তবে সেই হার মরক্কোর ইতিহাস মুছে দেয়নি। আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপের শেষ চারে ওঠার গৌরব আজও তাদের।
২ ঘণ্টা আগে