
অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি চলাকালীন চোট পেয়েছিলেন ঋষভ পন্ত। চোট কাটিয়ে উঠায় জাতীয় দলে ফেরাটা তাঁর জন্য ছিল কেবলমাত্র সময়ের অপেক্ষা। সে অপেক্ষা শেষ হয়েছে। এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে নিয়েই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য দল দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। পন্ত ফিরলেও এবারও উপেক্ষিত থেকে গেলেন মোহাম্মদ শামি।
ম্যানচেস্টার টেস্টে পায়ে চোট পান পন্ত। এই চোট তাঁকে এশিয়া কাপ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ এবং চলমান অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে দূরে রাখে। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বিপক্ষে চার দিনের ম্যাচে ৯০ রানের ইনিংস খেলেন পন্ত। সাড়ে তিন মাসের অপেক্ষা শেষে ফের জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানোর অপেক্ষায় আছেন তিনি। এন জগদিশানের স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে পন্তকে।
রঞ্জি ট্রফির প্রথম দুই ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন শামি। উত্তরখণ্ডের বিপক্ষে সাত উইকেট নেন এই ডানহাতি গতি তারকা। গুজরাটের বিপক্ষে তাঁর শিকার আট উইকেট। এরপরও শামিকে বিবেচনায় আনেননি নির্বাচকরা।
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স আগামী ১৪ নভেম্বর সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ টেস্ট শুরু হবে ২২ নভেম্বর। ভেন্যু গৌহাটির বারশাপাড়ার ক্রিকেট স্টেডিয়াম।
ভারতে টেস্ট দল: শুবমান গিল (অধিনায়ক), ঋষভ পন্ত, লোকেশ রাহুল, যশস্বী জয়সওয়াল, সাই সুদর্শন, দেবদূত পাড়িকল, ধ্রুব জুরেল, রবীন্দ্র জাদেজা, ওয়াশিংটন সুন্দর, যশপ্রীত বুমরা, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ সিং, আকাশ দীপ, নিতিশ কুমার রেড্ডি, মোহাম্মদ সিরাজ।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
১ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে