১৭ বছরের খরা কাটিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় শিরোপা জিতল ভারত। এমন অর্জনের পর রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিদের জন্য বড় অঙ্কের বোনাস ঘোষণা করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। তবে আর্থিক পুরস্কারের বণ্টন পছন্দ না হওয়ায়, নিজের বাড়তি বোনাস ফিরিয়ে দিয়েছেন ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কোচ রাহুল দ্রাবিড়।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ে আড়ালের নায়ক ছিলেন কোচরা। চ্যাম্পিয়ন ভারতীয় দলকে ১২৫ কোটি রুপি আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেয় বিসিসিআই। বিশ্বকাপ দলের ১৫ ক্রিকেটার এবং প্রধান কোচ রাহুল পেয়েছেন ৫ কোটি রুপি। তবে রাহুলের তিন সহকারী কোচের বোনাসের পরিমাণ আড়াই কোটি রুপি, এই তারতম্য পছন্দ হয়নি তাঁর। সহকর্মীদের সঙ্গে নিজের বোনাসের সামঞ্জস্য রেখে বাড়তি বোনাস ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। অর্থাৎ রাহুল আড়াই কোটি রেখে বাকিটা ফিরিয়ে দিয়েছেন, সাবেক হয়ে যাওয়া এই ভারতীয় কোচ।
বোনাসের অসম বণ্টন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাহুল বলেছেন, বোলিং কোচ পরশ মামব্রে, ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠৌর এবং ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপের অবদান কোনো অংশে কম নয়। তাঁদেরও সমান টাকা পাওয়া উচিত। তিনি সহকারীদের চেয়ে বেশি টাকা নিতে পারবেন না।
বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা অবশ্য রাহুলের এমন সিদ্ধান্তকে সম্মানের চোখেই দেখছেন, ‘দ্রাবিড় আড়াই কোটি টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন। তিনি চান এই টাকা চারজন কোচের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে দেওয়া হোক। আমরা তাঁর আবেগ, ইচ্ছাকে মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
কোচিং স্টাফদের মধ্যে বোনাসের এমন অসম বণ্টন নিয়ে অবশ্য এবারই প্রথম প্রতিবাদ জানাননি রাহুল। ২০১৮ সালে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ের জন্য ৫০ লাখ রুপি বোনাস পেয়েছিলেন। দলের প্রত্যেক ক্রিকেটারকে ৩০ লাখ এবং কোচিং স্টাফদের ২০ লাখ রুপি দেওয়া হয়। পরে বিসিসিআইকে চ্যাম্পিয়ন দলের সকলের মধ্যে সমান ২৫ লাখ রুপি বণ্টনের অনুরোধ জানান এই কোচ।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৩০ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২ ঘণ্টা আগে