অ্যাশেজে দারুণ ছন্দে আছেন স্টিভেন স্মিথ। সিডনিতে চতুর্থ টেস্টের প্রথম ইনিংসে এবার ৬৭ রানের ইনিংস খেলে অনন্য এক কীর্তি গড়েছেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক। এই ইনিংস খেলার পথে একটি জায়গায় শচীন টেন্ডুলকার, স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের মতো কিংবদন্তিদেরও ছাড়িয়ে গেছেন স্মিথ।
এ নিয়ে টানা দশমবার বছরে নিজের প্রথম টেস্টে কমপক্ষে এক ইনিংসে ফিফটি করলেন স্মিথ। ২০১৩ সালে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৯২ রান দিয়ে শুরু এরপর থেকে নতুন বছরে নিজের প্রথম টেস্টে ফিফটি করেছেন স্মিথ। এরমধ্যে ২০১৫ ও ২০২১ সালের প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি ও হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। দুবারই প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। আর ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বছরের প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসেই করেছিলেন সেঞ্চুরি।
এবারও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বছরের প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসেই পেলেন ফিফটি। স্মিথ ফিফটি করলেও দ্বিতীয় দিনে সব আলো কেড়ে নিয়েছেন উসমান খাজা। দুই বছরের বেশি সময় পর দলে ফেরাটা এই বাঁহাতি ব্যাটার রাঙিয়েছেন দারুণ এক সেঞ্চুরিতে। তাঁর ১৩৭ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে ৮ উইকেটে ৪১৬ রানে ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। ফিফটি ছাড়ানো অন্য ইনিংসটি স্মিথের। দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৭ রান আসে স্টিভ স্মিথের ব্যাট থেকে।

সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে
আটলান্টার দিনটা কি আবার লিওনেল মেসির হবে? নাকি সেই আলো কেড়ে নেবেন মোহামেদ সালাহ? ৯০ মিনিটে (যদি অতিরিক্ত সময় না লাগে) একজনের বিশ্বকাপ-স্বপ্ন আরও বড় হবে, অন্যজনের যাত্রা থেমে যাবে সেখানেই। বিশ্বকাপের নকআউটে সৌন্দর্যের চেয়ে বেঁচে থাকাটাই বড়। কে কত ভালো খেলল, সেটি ইতিহাস খুব বেশি মনে রাখে না;
১ ঘণ্টা আগে