ঢাকা: টেস্টের জনপ্রিয়তায় আলাদা মাত্রা যোগ করেছে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ। করোনা মহামারিতে সবগুলো ম্যাচ মাঠে না গড়ালেও শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়েছে ফাইনালের দুটি দল। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে আগামী ১৮ জুন মুখোমুখি হবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব অবশ্য মনে করেন, একটা ফাইনাল দিয়েই শিরোপা নির্ধারণ করা উচিত নয়। তিনি চান অন্তত তিন ম্যাচের একটি সিরিজের মাধ্যমে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা নির্ধারিত হোক ।
কপিলের অবশ্য টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফরম্যাট নিয়ে কোনো আপত্তি নেই। তাঁর দাবি, ওয়ানডের মতো এক ম্যাচের ফাইনালে টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করা যথাযথ নয়, ‘এমন গুরুত্বপূর্ণ খেতাব নির্ণয়ের ক্ষেত্রে আমি একাধিক ম্যাচ খেলাকেই অগ্রাধিকার দেব। অবশ্যই এখনকার দিনে এমন ম্যাচের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করে তোলা এমন কঠিন কিছু নয়।’
টেস্ট ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয় করতে আইসিসির এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন কপিল। ভারতের এই কিংবদন্তি অলরাউন্ডার বলেছেন ‘টেস্টের জনপ্রিয়তা বাড়াতে আইসিসি যা করছে সেটি বিশেষ কিছু। আমি নিশ্চিত দর্শকদের এটা ইতিবাচক বার্তা দেবে। তবে তিন টেস্টের ফাইনাল হলে সেটি আরও দুর্দান্ত হতো।’
শুরুতে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল হওয়ার কথা ছিল লর্ডসে। পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত বদলেছে। জৈব সুরক্ষা বলয় আরও সহজভাবে পরিচালনার জন্য ফাইনাল ম্যাচ সাউদাম্পটনের রোজ বোলে নেওয়া হয়েছে। এতেও খুশি নন কপিল। তিনি মনে করেন রোজ বোলে না হয়ে লর্ডসে ফাইনাল হলে ভালো হতো।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে