
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের কাছে জয় অধরাই থেকে গেল অস্ট্রেলিয়ার। ২০০৭ সালের পর সবশেষ চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফ্রিকান দলটির কাছে হারল অজিরা। ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে আজ তাদের ২৩ রানে হারিয়েছে সিকান্দার রাজার দল। পাওয়ারপ্লের বাজে ব্যাটিংকে হারের জন্য দায়ী করছেন অস্ট্রেলিয়ার ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক ট্রাভিস হেড।
কলম্বোতে আগে ব্যাট করে ১৬৯ রান করেছিল জিম্বাবুয়ে। জবাবে অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস থেমেছে ১৪৬ রানে। রান তাড়ায় পাওয়ারপ্লেতেই চার ব্যাটারকে হারিয়ে বসে ২০২১ সালের চ্যাম্পিয়নরা। সে ধাক্কা সামলে আর জিততে পারেনি। জিম্বাবুয়ের কাছে হেরে শেষ আটের পথটা কঠিন হয়ে গেল তাদের জন্য। দুই ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে তিনে অবস্থান করছে তারা। সমান চার পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ওপরের স্থান দুটিতে আছে শ্রীলঙ্কা ও জিম্বাবুয়ে। প্রতিটি গ্রুপের সেরা দুটি দল শেষ আটে জায়গা করে নেবে।
হারের কারণ জানতে গেলে ম্যাচ শেষে হেড বলেন, 'ব্যাটিংয়ের জন্য উইকেট ভালো ভালো ছিল। তবে পাওয়ারপ্লেতে উইকেট হারিয়ে আমরা নিজেদের চাপে ফেলে দিয়েছি। এরপর প্রতিপক্ষ দল ভালো বল করেছে, আমাদের ওপর চাপ তৈরি করেছে। তাতে রানরেটও বেড়ে গেছে। আমরা উইকেট হারিয়েছি, প্রথমার্ধে চাপে ছিলাম। তারা ভালো খেলেছে, ডেথ ওভারে দুইটা উইকেট নিয়েছে।’
ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করেছে অস্ট্রেলিয়া। হারের জন্য এই সিদ্ধান্তকে দায়ী করতে চান না হেড, ‘আমরা ভেবেছিলাম এটা ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো উইকেট। শুরুতে উইকেটটা একটু ধীরগতির মনে হয়েছিল। আমাদের ধারণা ছিল পুরো ম্যাচজুড়েই এটা মোটামুটি সমান আচরণ করবে এবং ম্যাচে সেটারই প্রতিফলন দেখা গেছে। যদিও আমরা দুইটা উইকেট নিয়েছিলাম, তারপরও মনে হয়েছে উইকেটের কন্ডিশন বিবেচনায় আমাদের সংগ্রহটা কিছুটা কম ছিল। তখন ব্যাটিংটা বেশ কঠিন ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে মনে হয়েছে উইকেট অনেক ভালোভাবে ব্যাটে আসছিল।’
জিম্বাবুয়ের দেওয়া লক্ষ্য নাগালের বাইরে ছিল না বলে জানালেন হেড। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘টসের পর যদি আমাদের সামনে এই রান দাঁড় করানো হতো, তাহলে আমরা সেটাকে তাড়া করার জন্য গ্রহণ করতাম। পেছনে ফিরে তাকালে এমন কোনো নির্দিষ্ট ওভার নেই যেটা আমরা ভিন্নভাবে করতে পারতাম বা বদলাতে চাইতাম। আমার মনে হয়েছে আমরা পরিস্থিতিটা ভালোভাবেই সামলেছি এবং এমন এক স্কোরে পেয়েছিলাম, যেটা তাড়া করতে আমরা স্বচ্ছন্দ বোধ করতাম।’
জিম্বাবুয়ের কাছে হারকে খেলার অংশ হিসেবেই দেখছেন হেড। হতাশ না হয়ে ঘুরে দাঁড়াতে বদ্ধপরিকর তিনি, ‘অবশ্যই এটা বেশ হতাশাজনক। আগেও আমরা এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছি। টসে আমরা ২০২৩ সালের (ওয়ানডে বিশ্বকাপ) কথাও বলেছিলাম। সে বিশ্বকাপে চোট ছাড়াও নানা চ্যালেঞ্জ ছিল, টুর্নামেন্ট এগিয়ে নেওয়ার পথটা খুঁজে নিতে হয়েছিল। এটা আসলে ক্রিকেটে হয়েই থাকে। এখানে সব দল-ই আসলে শক্তিশালী। তাই বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে।’

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সামনে লক্ষ্যটা ছিল মাঝারি মানের। কানাডার করা ১৫০ রানের জবাব দিতে নেমে হারের শঙ্কায় পড়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। কিন্তু আরিয়ান শর্মা এবং সোহাইব খানের শেষের ঝড়ে হাসি মুখ নিয়েই মাঠ ছেড়েছে আরব আমিরাত।
১ ঘণ্টা আগে
একটি সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে হরভজন সিংকে খোঁচা দিয়েছিলেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার তানভীর আহমেদ। বিষয়টি মোটেও ভালোভাবে নিতে পারেননি হরভজন। সতর্ক না হলে তানভীরকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ভারতের সাবেক এই তারকা স্পিনার।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাট কুনেমান রানআউট হতেই উদযাপন শুরু জিম্বাবুয়ের। অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপে হারানো বলে কথা, তাও আবার ১৯ বছর পর। যে টি-টোয়েন্টিতে ১৭০ রান এখন তেমন কোনো লক্ষ্যই বিবেচনা করা হয় না, সেই রানেই বোলারদের দৃঢ়তায় অস্ট্রেলিয়াকে আটকে দিল জিম্বাবুয়ে। কলম্বোর প্রেমাদাসায় জিম্বাবুয়ের দর্শকেরাও আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মাঠে গড়ায় কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কম ছিল না। নানা নাটকীয়তার পর ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ-বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে পাকিস্তান। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে মাঠে গড়ানোয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছে। কিন্তু দুশ্চিন্তা পুরোপুরি কাটেনি।
৩ ঘণ্টা আগে