ক্রীড়া ডেস্ক

গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের দুটিতে বাংলাদেশ জিতলেও ব্যাট বলে নিজেদের সেরাটা দেখাতে পারেনি। সুপার ফোরে এসে কিছুটা হলেও মেলে ধরতে পেরেছে বাংলাদেশ। গতকাল দুবাইয়ে এই রাউন্ডের প্রথম ম্যাচেই ব্যাটে বলে শ্রেয়তর দল হিসেবেই জিতেছে; বাংলাদেশ ৪ উইকেটে হারিয়েছে লঙ্কানদের। এই শ্রীলঙ্কার কাছেই গ্রুপ পর্বে হেরেছিল বাংলাদেশ।
জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্যটা সহজ ছিল না। চলতি এশিয়া কাপে আগের তিন ম্যাচে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ছিল যেখানে ১৫৪, সেখানে জয়ের জন্য কাল তাদের তাড়া করতে হয়েছে ১৬৯ রান। লক্ষ্যটা চ্যালেঞ্জিং হলেও শুরু থেকেই লড়াইয়ের মানসিকতা নিয়ে ব্যাট করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ৫ ও ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কার স্কোর যেখানে ছিল ৪৪/১ ও ৭২/৩, সেখানে বাংলাদেশ স্কোর ছিল ৪৮/১ ও ৮২/২।
আস্কিং রানরেটের সঙ্গে মানিয়ে রান তোলায় বাংলাদেশকে ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রথমে সাইফ হাসান ও পরে তাওহীদ হৃদয়। ওপেনিংয়ে এসে ৩৬ বলে ফিফটি ছুঁয়ে ৬১ রান করেন সাইফ। তাঁর ৪৫ বলের ইনিংসটিতে আছে ২টি চার ও ৪টি ছয়। ফিফটি করেন হৃদয়ও। ৩১ বলে ফিফটি ছুঁয়ে তিনি করেন ৫৮ রান। ৩৭ বলের তাঁর এই ইনিংসে আছে ৪টি চার ও ২টি ছয়।
সাইফ ও হৃদয়ের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ১২ রান। খুবই সহজ লক্ষ্য। তবে শেষ ওভারে ২ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে সহজ ম্যাচ জটিল করে তোলে বাংলাদেশ। শেষ দুই বলে যখন ১ রান দরকার, তখন নাসুম পয়েন্টে বলে ঠেলে দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে প্রান্ত বদল করে জয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন। এক বল হাতে রেখে ৪ উইকেটে জিতে যায় বাংলাদেশ।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৬৮ রান করে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার এই স্কোরে বড় অবদান দাসুন শানাকার। লঙ্কান এই ব্যাটার ৩৭ বলে খেলেছেন হার না মানা ৬৪ রানের ইনিংস। তবে লঙ্কান ইনিংসটি বড় হওয়ার পেছনে অবদান আছে বাংলাদেশের ফিল্ডারদের। এদিন যেন হাতে সাবান মেখে মাঠে নেমেছিলেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। অন্তত তিনটি নিশ্চিত ক্যাচ হাত ছাড়া করেছেন তাঁরা!
ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কার শুরুটা ভালোই হয়েছিল। কোনো উইকেট না হারিয়েই ৫০-এর দিকে ছুটছিল তারা। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে পাতুম নিশাঙ্কাকে ফিরিয়ে ব্রেক-থ্রু এনে দেন তাসকিন আহমেদ। ১৫ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২২ রানে ফেরেন নিসাঙ্কা। পাওয়ার প্লের পর বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই কুশল মেন্ডিসকে (৩৪) শিকার করেন শেখ মেহেদী। ঠিক পরের ওভারেই কামিল মিশারাকে বোল্ড করেন তিনি। শ্রীলঙ্কার স্কোর তখন ৩ উইকেটে ৬৫।
এরপর একটু চাপেই পড়ে যায় লঙ্কানরা। সেই চাপ অবশ্য পরে মিইয়ে যায় শানাকার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে। ৩টি চার ও৬টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট ১৭২.৯৭। নাসুমের করা ১৫ তম ওভারে ১৭ রান তোলে লঙ্কানরা। লেগসাইড দিয়ে দুই ছক্কা এবং শর্ট ফাইন লেগের ওপর একটি চার হাঁকান শানাকা। কুশল পেরেরা মোস্তাফিজের শিকার হওয়ার পর ছন্দ খোঁজার চেষ্টা করেন অধিনায়ক চারিত আসালাঙ্কাও।
বল হাতে সবচেয়ে সফল মোস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার। এই তিন উইকেটের সুবাদে বাংলাদেশের পক্ষে এই সংস্করণে সাকিব আল হাসানের সর্বোচ্চ ১৪৯ উইকেটের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছেন তিনি।

গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচের দুটিতে বাংলাদেশ জিতলেও ব্যাট বলে নিজেদের সেরাটা দেখাতে পারেনি। সুপার ফোরে এসে কিছুটা হলেও মেলে ধরতে পেরেছে বাংলাদেশ। গতকাল দুবাইয়ে এই রাউন্ডের প্রথম ম্যাচেই ব্যাটে বলে শ্রেয়তর দল হিসেবেই জিতেছে; বাংলাদেশ ৪ উইকেটে হারিয়েছে লঙ্কানদের। এই শ্রীলঙ্কার কাছেই গ্রুপ পর্বে হেরেছিল বাংলাদেশ।
জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্যটা সহজ ছিল না। চলতি এশিয়া কাপে আগের তিন ম্যাচে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোর ছিল যেখানে ১৫৪, সেখানে জয়ের জন্য কাল তাদের তাড়া করতে হয়েছে ১৬৯ রান। লক্ষ্যটা চ্যালেঞ্জিং হলেও শুরু থেকেই লড়াইয়ের মানসিকতা নিয়ে ব্যাট করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ৫ ও ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কার স্কোর যেখানে ছিল ৪৪/১ ও ৭২/৩, সেখানে বাংলাদেশ স্কোর ছিল ৪৮/১ ও ৮২/২।
আস্কিং রানরেটের সঙ্গে মানিয়ে রান তোলায় বাংলাদেশকে ব্যাট হাতে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রথমে সাইফ হাসান ও পরে তাওহীদ হৃদয়। ওপেনিংয়ে এসে ৩৬ বলে ফিফটি ছুঁয়ে ৬১ রান করেন সাইফ। তাঁর ৪৫ বলের ইনিংসটিতে আছে ২টি চার ও ৪টি ছয়। ফিফটি করেন হৃদয়ও। ৩১ বলে ফিফটি ছুঁয়ে তিনি করেন ৫৮ রান। ৩৭ বলের তাঁর এই ইনিংসে আছে ৪টি চার ও ২টি ছয়।
সাইফ ও হৃদয়ের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ১২ রান। খুবই সহজ লক্ষ্য। তবে শেষ ওভারে ২ বলের ব্যবধানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে সহজ ম্যাচ জটিল করে তোলে বাংলাদেশ। শেষ দুই বলে যখন ১ রান দরকার, তখন নাসুম পয়েন্টে বলে ঠেলে দিয়ে দ্রুততার সঙ্গে প্রান্ত বদল করে জয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেন। এক বল হাতে রেখে ৪ উইকেটে জিতে যায় বাংলাদেশ।
এর আগে প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৬৮ রান করে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার এই স্কোরে বড় অবদান দাসুন শানাকার। লঙ্কান এই ব্যাটার ৩৭ বলে খেলেছেন হার না মানা ৬৪ রানের ইনিংস। তবে লঙ্কান ইনিংসটি বড় হওয়ার পেছনে অবদান আছে বাংলাদেশের ফিল্ডারদের। এদিন যেন হাতে সাবান মেখে মাঠে নেমেছিলেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। অন্তত তিনটি নিশ্চিত ক্যাচ হাত ছাড়া করেছেন তাঁরা!
ব্যাটিংয়ে শ্রীলঙ্কার শুরুটা ভালোই হয়েছিল। কোনো উইকেট না হারিয়েই ৫০-এর দিকে ছুটছিল তারা। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে পাতুম নিশাঙ্কাকে ফিরিয়ে ব্রেক-থ্রু এনে দেন তাসকিন আহমেদ। ১৫ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২২ রানে ফেরেন নিসাঙ্কা। পাওয়ার প্লের পর বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই কুশল মেন্ডিসকে (৩৪) শিকার করেন শেখ মেহেদী। ঠিক পরের ওভারেই কামিল মিশারাকে বোল্ড করেন তিনি। শ্রীলঙ্কার স্কোর তখন ৩ উইকেটে ৬৫।
এরপর একটু চাপেই পড়ে যায় লঙ্কানরা। সেই চাপ অবশ্য পরে মিইয়ে যায় শানাকার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে। ৩টি চার ও৬টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট ১৭২.৯৭। নাসুমের করা ১৫ তম ওভারে ১৭ রান তোলে লঙ্কানরা। লেগসাইড দিয়ে দুই ছক্কা এবং শর্ট ফাইন লেগের ওপর একটি চার হাঁকান শানাকা। কুশল পেরেরা মোস্তাফিজের শিকার হওয়ার পর ছন্দ খোঁজার চেষ্টা করেন অধিনায়ক চারিত আসালাঙ্কাও।
বল হাতে সবচেয়ে সফল মোস্তাফিজুর রহমান। ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের কাটার মাস্টার। এই তিন উইকেটের সুবাদে বাংলাদেশের পক্ষে এই সংস্করণে সাকিব আল হাসানের সর্বোচ্চ ১৪৯ উইকেটের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছেন তিনি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আজ ঢাকায় এসেছেন আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনা। তাঁকে নিয়ে আজ মিরপুরে বৈঠকে বসেছে বিসিবি। কিন্তু এই আলোচনায়ও আসেনি তেমন কোনো সিদ্ধান্ত।
১১ মিনিট আগে
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে কোয়াব কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট-২০২৬ শুরু হয়েছে। আজ (শনিবার) সকাল ১০টায় ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে তিলকপুরে কমলগঞ্জ ক্রিকেট একাডেমির মাঠে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
করাচিতে ২৩২ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়েছে পাকিস্তান টেলিভিশন (পিটিভি)। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের ২৫৩ বছরের ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের পুঁজি নিয়ে জয়ের নতুন বিশ্ব রেকর্ড লিখেছে তারা।
৪ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন টিকে থাকলেন শেষ পর্যন্ত। তবে তাঁর অপরাজিত ফিফটি ঢাকা ক্যাপিটালসের কোনো কাজেই আসলো না। বাঁচা মরার ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের কাছে ১১ রানে হেরেছে তারা। এই হারে বিপিএল থেকে বিদায় নিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। অন্যদিকে ঢাকাকে হারিয়ে শেষ দল হিসেবে প্লে অফে জায়গা করে নিল রংপুর।
৪ ঘণ্টা আগে