রানা আব্বাস, আবুধাবি থেকে

বাংলাদেশ দলের স্পিন পরামর্শক মুশতাক আহমেদ একটা শব্দ ঘন ঘন বলেন, ‘বিলিভ’ বা বিশ্বাস। তাঁর কথা, ভালো করতে হলে আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে আপনি পারবেন। সংবাদ সম্মেলনে বিলিভ শব্দটা এত বেশি বলেন, নিজেই কাল তা স্বীকার করে নিলেন। আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কাল সংবাদ সম্মেলন শেষে বেরোনোর সময় টেবিল চাপড়ে বিলিভ শব্দটা আরও একবার জোরে উচ্চারণ করে বললেন, ‘বিশ্বাস না থাকলে কীভাবে ভালো করবেন, বলুন?’
দেড় বছরের বেশি সময় বাংলাদেশ দলে কাজ করছেন মুশতাক। এই সময়ে তাঁর শিষ্যদের কতটা বোঝাতে পারলেন, বিশ্বাসে মিলায় বস্তু? যদি তাঁর ছাত্রদের বিশ্বাসই থাকবে, তাহলে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কেন ওভাবে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশ দল? কেন জ্বলে উঠতে পারে বড় মঞ্চে? এই যে এখন যেমন কঠিন এক সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে লিটনরা, আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে হারলে বাদ। জটিল সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে মুশতাক ‘বিশ্বাস’ হারাচ্ছেন না, ‘আমাদের বিশ্বাস করতে হবে, আমরা সুপার ফোরে যেতে পারব। এটা কঠিন। অনেক যদি-কিন্তুর ওপর নির্ভর করতে হবে। তবে আপনাকে পূর্ণ মনোযোগ রাখতে হবে পরের ম্যাচে। আগে ম্যাচ তো জিততে হবে। যখন আপনি মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকবেন এবং বিশ্বাস রাখবেন, তখনই হয়ে যাবে।’
খেলোয়াড়ি জীবনে মুশতাক খেলেছেন ইমরান খান, জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরামদের সঙ্গে। ১৯৯২ বিশ্বকাপ তাঁরা জিতেছিলেন কোণঠাসা বাঘ হয়ে। কঠিন পরিস্থিতিতে ইমরান যেভাবে উজ্জীবিত করতেন সতীর্থদের, মুশতাক সেটি করতে চাইছেন বাংলাদেশ দলের ক্ষেত্রেও। সেই মন্ত্র দেওয়ার আগে মুশতাক আবারও বিলিভ বা বিশ্বাসের কথা আনলেন।
‘সংবাদ সম্মেলনে আমি যখন আসি, বিশ্বাস শব্দটা বেশি বলি। ইমরান খান, মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরামদের সঙ্গে খেলেছি। তারা এই খেলার কিংবদন্তি। পাকিস্তানের হয়ে খেলার সময় তাঁদের কাছে একটা বিষয় শিখেছি, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আপনি যদি নিজের ওপর আস্থা না রাখেন, যদি নিজের শক্তি ভুলে গিয়ে প্রতিপক্ষকে অতিরিক্ত সমীহ করতে থাকেন, ভালো ফল পাবেন না। তারা (বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা) কিন্তু ভালো করছে, উন্নতি করছি। কঠোর পরিশ্রম করছে। স্কিলে উন্নতি করছে। শুধু মানসিকতায় হালকা পরিবর্তন আনলে চলবে। মানসিকতায় বদল আনতে হয়। এ কারণে ঘরোয়া ক্রিকেটের চেয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কঠিন। এটা আপনার মেজাজের বিষয়। এসব ইমরান-ওয়াসিমদের কাছে শিখেছি। আমাদের খুব ভালো সম্ভাবনা আর সামর্থ্য রয়েছে। আমাদের শুধু বিশ্বাস করতে হবে যে আমরা পারব’—বলছিলেন বাংলাদেশ দলের স্পিন পরামর্শক মুশতাক।

বিশ্বাস তো থাকতেই হবে। কিন্তু অভিজ্ঞতা, দক্ষতায় আফগানিস্তান যে আবুধাবিতে আজ এগিয়ে থাকবে, সেটি অস্বীকার করা যাবে? মুশতাক অস্বীকার করছেন না; বরং নিজেদের স্পিন আক্রমণের চেয়ে আফগানদের স্পিন আক্রমণই এগিয়ে রাখছেন। তবে এখানেও বিশ্বাস থাকলে আফগান স্পিনারদের খেলা কঠিন হবে না বলে মনে করেন মুশতাক, ‘রশিদের মতো খেলোয়াড় তাদের আছে। যারা গত ১৫ বছর দুর্দান্ত খেলছে। অনেক অভিজ্ঞ তারা। নিয়মিত বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলে। তার মানে এই নয় যে আমরা আমাদের স্পিনারদের ওপর আস্থা রাখছি না। যদি পরিসংখ্যান দেখেন, বাংলাদেশের স্পিনাররা কিন্তু মিডল অর্ডারে ভালো করছে। তাদের ইকোনমি খুব ভলো। আমাদের শক্তির ওপর ভরসা করতে হবে। যদি নিজেদের শক্তির দিকে তাকাই, তাহলে আমাদের স্পিন বিভাগও ভালো করবে ইনশা আল্লাহ।’

বাংলাদেশ দলের স্পিন পরামর্শক মুশতাক আহমেদ একটা শব্দ ঘন ঘন বলেন, ‘বিলিভ’ বা বিশ্বাস। তাঁর কথা, ভালো করতে হলে আপনাকে বিশ্বাস করতে হবে আপনি পারবেন। সংবাদ সম্মেলনে বিলিভ শব্দটা এত বেশি বলেন, নিজেই কাল তা স্বীকার করে নিলেন। আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কাল সংবাদ সম্মেলন শেষে বেরোনোর সময় টেবিল চাপড়ে বিলিভ শব্দটা আরও একবার জোরে উচ্চারণ করে বললেন, ‘বিশ্বাস না থাকলে কীভাবে ভালো করবেন, বলুন?’
দেড় বছরের বেশি সময় বাংলাদেশ দলে কাজ করছেন মুশতাক। এই সময়ে তাঁর শিষ্যদের কতটা বোঝাতে পারলেন, বিশ্বাসে মিলায় বস্তু? যদি তাঁর ছাত্রদের বিশ্বাসই থাকবে, তাহলে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে কেন ওভাবে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশ দল? কেন জ্বলে উঠতে পারে বড় মঞ্চে? এই যে এখন যেমন কঠিন এক সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে লিটনরা, আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে হারলে বাদ। জটিল সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে মুশতাক ‘বিশ্বাস’ হারাচ্ছেন না, ‘আমাদের বিশ্বাস করতে হবে, আমরা সুপার ফোরে যেতে পারব। এটা কঠিন। অনেক যদি-কিন্তুর ওপর নির্ভর করতে হবে। তবে আপনাকে পূর্ণ মনোযোগ রাখতে হবে পরের ম্যাচে। আগে ম্যাচ তো জিততে হবে। যখন আপনি মানসিকভাবে শক্তিশালী থাকবেন এবং বিশ্বাস রাখবেন, তখনই হয়ে যাবে।’
খেলোয়াড়ি জীবনে মুশতাক খেলেছেন ইমরান খান, জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরামদের সঙ্গে। ১৯৯২ বিশ্বকাপ তাঁরা জিতেছিলেন কোণঠাসা বাঘ হয়ে। কঠিন পরিস্থিতিতে ইমরান যেভাবে উজ্জীবিত করতেন সতীর্থদের, মুশতাক সেটি করতে চাইছেন বাংলাদেশ দলের ক্ষেত্রেও। সেই মন্ত্র দেওয়ার আগে মুশতাক আবারও বিলিভ বা বিশ্বাসের কথা আনলেন।
‘সংবাদ সম্মেলনে আমি যখন আসি, বিশ্বাস শব্দটা বেশি বলি। ইমরান খান, মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরামদের সঙ্গে খেলেছি। তারা এই খেলার কিংবদন্তি। পাকিস্তানের হয়ে খেলার সময় তাঁদের কাছে একটা বিষয় শিখেছি, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আপনি যদি নিজের ওপর আস্থা না রাখেন, যদি নিজের শক্তি ভুলে গিয়ে প্রতিপক্ষকে অতিরিক্ত সমীহ করতে থাকেন, ভালো ফল পাবেন না। তারা (বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা) কিন্তু ভালো করছে, উন্নতি করছি। কঠোর পরিশ্রম করছে। স্কিলে উন্নতি করছে। শুধু মানসিকতায় হালকা পরিবর্তন আনলে চলবে। মানসিকতায় বদল আনতে হয়। এ কারণে ঘরোয়া ক্রিকেটের চেয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কঠিন। এটা আপনার মেজাজের বিষয়। এসব ইমরান-ওয়াসিমদের কাছে শিখেছি। আমাদের খুব ভালো সম্ভাবনা আর সামর্থ্য রয়েছে। আমাদের শুধু বিশ্বাস করতে হবে যে আমরা পারব’—বলছিলেন বাংলাদেশ দলের স্পিন পরামর্শক মুশতাক।

বিশ্বাস তো থাকতেই হবে। কিন্তু অভিজ্ঞতা, দক্ষতায় আফগানিস্তান যে আবুধাবিতে আজ এগিয়ে থাকবে, সেটি অস্বীকার করা যাবে? মুশতাক অস্বীকার করছেন না; বরং নিজেদের স্পিন আক্রমণের চেয়ে আফগানদের স্পিন আক্রমণই এগিয়ে রাখছেন। তবে এখানেও বিশ্বাস থাকলে আফগান স্পিনারদের খেলা কঠিন হবে না বলে মনে করেন মুশতাক, ‘রশিদের মতো খেলোয়াড় তাদের আছে। যারা গত ১৫ বছর দুর্দান্ত খেলছে। অনেক অভিজ্ঞ তারা। নিয়মিত বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলে। তার মানে এই নয় যে আমরা আমাদের স্পিনারদের ওপর আস্থা রাখছি না। যদি পরিসংখ্যান দেখেন, বাংলাদেশের স্পিনাররা কিন্তু মিডল অর্ডারে ভালো করছে। তাদের ইকোনমি খুব ভলো। আমাদের শক্তির ওপর ভরসা করতে হবে। যদি নিজেদের শক্তির দিকে তাকাই, তাহলে আমাদের স্পিন বিভাগও ভালো করবে ইনশা আল্লাহ।’

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৫ মিনিট আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৪২ মিনিট আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
১ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
২ ঘণ্টা আগে