Ajker Patrika

আউট হওয়ার ভয়ে দোয়া পড়ছিলেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার

ক্রীড়া ডেস্ক    
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭: ৫৭
আউট হওয়ার ভয়ে দোয়া পড়ছিলেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার
২৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন ফাহিম আশরাফ। ছবি: সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে হারতে বসেছিল পাকিস্তান। কিন্তু শেষ দিকে ফাহিম আশরাফের ক্যামিও ইনিংসে ৩ উইকেটের জয় পায় ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নরা। যেখানে অবদান আছে ম্যাক্স ও ডাউডের। ফাহিমের সহজ ক্যাচ ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। ম্যাচ শেষে এই প্রসঙ্গে কথা বলেছেন ফাহিম।

নেদারল্যান্ডসের করা ১৪৭ রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ১১৪ রানে সপ্তম উইকেট হারিয়ে বেশ চাপের মুখে পড়ে যায় পাকিস্তান। তবে ফাহিম আশরাফের শেষের ঝড়ে রক্ষা হয়েছে দলটির। তাঁকে নতুন জীবন দিয়েছেন ডাউড। শেষ ২ ওভারে ২৯ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। লোগান ফন বিকের করা ১৯ তম ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিটা উড়িয়ে মারেন ফাহিম। ব্যাটে-বলে ভালোভাবে সংযোগ না হওয়ায় লং অফে ক্যাচ ওঠে। বল লুফে নিতে পারেননি ডাউড। তাঁর হাত থেকে বল ফসকে যাওয়ায় নতুন জীবন পান ফাহিম। সেই সুযোগ ভালোভাবেই কাজে লাগিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

ভ্যান বিকের করা সে ওভার থেকেই ২৪ রান নিয়ে কাজ এগিয়ে রাখেন ফাহিম। শেষ ওভারে ৫ রানের সমীকরণ মিলিয়ে হারের মুখে থাকা পাকিস্তানকে জয় এনে দেন তিনি।  ১১ বলে ২ চার, ৩ ছক্কায় ২৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন এই ক্রিকেটার। তাঁর এই ইনিংসটাই গড়ে দিয়েছে ম্যাচের ব্যবধান। পাকিস্তানকে জিতিয়ে ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পেয়েছেন ফাহিম।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে নতুন জীবন পাওয়া নিয়ে কথা বলেছেন ফাহিম। ক্যাচ উঠার পর অনুভূতি কেমন ছিল–সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ওই মুহূর্তে শুধু আমার জিহ্বা নয়, শরীরের প্রতিটি অংশ দোয়া করছিল যেন ক্যাচটা পড়ে যায়।’

রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে ফাহিম বলেন, ‘আপনি যেমন বললেন, জয়সূচক রান করা–তাও আবার পাকিস্তানের হয়ে। এটা এক ধরনের মানসিক শান্তি দেয়। মনে হয় দল এত খারাপ অবস্থায় ছিল, তবুও আমরা জিতেছি। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ জেতা এবং জয়সূচক রান করা–এর চেয়ে বেশি তৃপ্তির কিছু হতে পারে না। আর ধসের ব্যাপারে বললে, ক্রিকেটে উত্থান-পতন থাকেই। কখনো টপ অর্ডার ব্যর্থ হয়, কখনো মিডল অর্ডার আবার কখনো লোয়ার অর্ডার। খুব কমই হয় যে, এক ম্যাচে সব খেলোয়াড় পারফর্ম করে। যারা আজ পারেনি, ইনশাআল্লাহ তারা পরের ম্যাচে করবে।’

এই জয়কে নিজের এবং দলের জন্য স্মরণীয় বলে মনে করছেন ফাহিম, ‘পাকিস্তানের হয়ে এমন ইনিংস খেললে তা সব সময়ই স্মরণীয় হয়ে থাকে। আমি বলব এটা শুধু আমার জন্য নয়, পুরো পাকিস্তান দলের জন্যই স্মরণীয়। কারণ এটা বিশ্বকাপে হয়েছে। এমনকি যদি বিশ্বকাপ না-ও হতো, পাকিস্তানের যেকোনো সিরিজে এমন পারফরম্যান্স স্মরণীয় থাকত। দেশের হয়ে এভাবে খেলতে পারলে সেটা সব সময়ই বিশেষ হয়ে থাকে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত