নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দুটি চার দিনের ম্যাচে প্রত্যাশা মেটাতে পারেনি বাংলাদেশ ‘এ’ দল। তিনটি এক দিনের ম্যাচে প্রথমটিও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের কাছে পাত্তা পায়নি সফরকারীরা। অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজে জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের ৪৪ রানে হারিয়েছে সফরকারীরা। এই জয়ে সিরিজে সমতা আনল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আগামীকাল সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
সেঞ্চুরি পেয়েছেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। এশিয়া কাপের দলে জায়গা পাওয়া সাব্বির রহমানও রানের দেখা পেয়েছেন। টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের অধিনায়ক জশুয়া ডি সিলভা। নাঈমের ১০৩ ও সাব্বিরের ৬২ রানের সুবাদে ৬ উইকেটে ২৭৭ রান তোলে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। তাড়া করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৩৩ রানে থামে স্বাগতিকদের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। ৪৪ রানে ২ উইকেট নেন আরেক পেসার রেজাউর রহমান রাজা। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৮০ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিংয়ে ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়ায় তারা। ১১৬ বলের ইনিংসে ১৪টি চার আর ১টি ছক্কায় ১০৩ রান করেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা ওপেনার নাঈম। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬২ রান এসেছে ছয়ে নামা সাব্বিরের ব্যাট থেকে। ৬টি চার আর ১টি ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজান সাব্বির।
শেষ দিকে সাব্বিরকে দারুণ সঙ্গ দেন জাকের আলী অনিক। ১২ বলে ১৮ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। সাব্বির রানের দেখা পেলেও জাতীয় দলের বাইরে সৌম্য সরকার আরেকবার হতাশ করেছেন। প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যর্থতার বৃত্ত পূর্ণ করেছেন সৌম্য। জায়গায় দাঁড়িয়ে অলস এক শটে বোল্ড হয়ে ফিরেছেন ৬ রানে। দ্বিতীয় উইকেটে সাইফ হাসানের সঙ্গে ৫৭ রানের জুটি গড়েন নাঈম। ২৩ বলে ১৯ রানে আউট হন সাইফ। রানের চাকা সচল রাখতে পারেননি অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনও। ৪৮ বলে ২৮ রান করেন মিঠুন। শাহাদাত হোসেন দীপু করেন ৩৩ বলে ২৮ রান। শেষ পর্যন্ত সাব্বিরের ইনিংসটি বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহ এনে দেয়।
তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের। ২০.২ ওভারে ৯৪ রানের জুটি গড়েন দুই ওপেনার। ৩৮ রানে ত্যাগনারায়ণ চন্দরপলকে বোল্ড করেন রাজা। আরেক ওপেনার সিলভা ৮০ বলে করেন ৬৮ রান। তবে পরের ব্যাটাররা ওভারপ্রতি রানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খেলতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভার খেললেও ২৩৩ রানে থামতে হয় তাঁদের।

দুটি চার দিনের ম্যাচে প্রত্যাশা মেটাতে পারেনি বাংলাদেশ ‘এ’ দল। তিনটি এক দিনের ম্যাচে প্রথমটিও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের কাছে পাত্তা পায়নি সফরকারীরা। অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজে জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় এক দিনের ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের ৪৪ রানে হারিয়েছে সফরকারীরা। এই জয়ে সিরিজে সমতা আনল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। আগামীকাল সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচ।
সেঞ্চুরি পেয়েছেন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম। এশিয়া কাপের দলে জায়গা পাওয়া সাব্বির রহমানও রানের দেখা পেয়েছেন। টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠান ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের অধিনায়ক জশুয়া ডি সিলভা। নাঈমের ১০৩ ও সাব্বিরের ৬২ রানের সুবাদে ৬ উইকেটে ২৭৭ রান তোলে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। তাড়া করতে নেমে ৯ উইকেটে ২৩৩ রানে থামে স্বাগতিকদের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে ৩২ রানে ৩ উইকেট নেন পেসার মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। ৪৪ রানে ২ উইকেট নেন আরেক পেসার রেজাউর রহমান রাজা। প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ৮০ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ ‘এ’ দল। দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাটিংয়ে ভালোভাবেই ঘুরে দাঁড়ায় তারা। ১১৬ বলের ইনিংসে ১৪টি চার আর ১টি ছক্কায় ১০৩ রান করেন জাতীয় দলের বাইরে থাকা ওপেনার নাঈম। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬২ রান এসেছে ছয়ে নামা সাব্বিরের ব্যাট থেকে। ৬টি চার আর ১টি ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজান সাব্বির।
শেষ দিকে সাব্বিরকে দারুণ সঙ্গ দেন জাকের আলী অনিক। ১২ বলে ১৮ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। সাব্বির রানের দেখা পেলেও জাতীয় দলের বাইরে সৌম্য সরকার আরেকবার হতাশ করেছেন। প্রথম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যর্থতার বৃত্ত পূর্ণ করেছেন সৌম্য। জায়গায় দাঁড়িয়ে অলস এক শটে বোল্ড হয়ে ফিরেছেন ৬ রানে। দ্বিতীয় উইকেটে সাইফ হাসানের সঙ্গে ৫৭ রানের জুটি গড়েন নাঈম। ২৩ বলে ১৯ রানে আউট হন সাইফ। রানের চাকা সচল রাখতে পারেননি অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনও। ৪৮ বলে ২৮ রান করেন মিঠুন। শাহাদাত হোসেন দীপু করেন ৩৩ বলে ২৮ রান। শেষ পর্যন্ত সাব্বিরের ইনিংসটি বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহ এনে দেয়।
তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই হয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ‘এ’ দলের। ২০.২ ওভারে ৯৪ রানের জুটি গড়েন দুই ওপেনার। ৩৮ রানে ত্যাগনারায়ণ চন্দরপলকে বোল্ড করেন রাজা। আরেক ওপেনার সিলভা ৮০ বলে করেন ৬৮ রান। তবে পরের ব্যাটাররা ওভারপ্রতি রানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে খেলতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভার খেললেও ২৩৩ রানে থামতে হয় তাঁদের।

রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
২৪ মিনিট আগে
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
১২ ঘণ্টা আগে
রুবেন আমোরিমকে ৫ জানুয়ারি ছাঁটাই করে দলের পরের দুই ম্যাচের জন্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দায়িত্ব দিয়েছিল ক্লাবেরই অনূর্ধ্ব-১৮ দলের কোচ ড্যারেন ফ্লেচারকে। সে দুই ম্যাচের পর দলের ডাগআউটে বসবেন কে? শোনা যাচ্ছে চলতি মৌসুমের অন্য সময়ের জন্য ৪৪ বছর বয়সী মাইকেল ক্যারিকই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন ওল্ড ট্রাফোর্ডের দ
১৩ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) শেষেই লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বিপিএল খেলে লিটনদের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি কেমন হচ্ছে, সেটা নিয়ে কথাবার্তা বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু সেগুলো বাদ দিয়ে বরং বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে আলাপ-আলোচনা বেশি হচ্ছে।
১৩ ঘণ্টা আগে