
ক্রিকেটার বিরাট কোহলির সফলতার গল্প জানেন না—এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। মাঠে নামলেই কোহলি গড়েন একের পর এক রেকর্ড।
ক্রিকেট খেলে কোহলি তো কোটি কোটি টাকা আয় করেনই। এ ছাড়া আরও অনেক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কোহলি। বিভিন্ন স্টার্টআপ কোম্পানিতে ভারতীয় এই ক্রিকেটার যেমন কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন, তেমনি আয়ও করছেন প্রচুর। আর বিজ্ঞাপন থেকেও আয় করেন কোটি কোটি টাকা।
ডিজিট: পুনেভিত্তিক এই ইনস্যুরেন্স কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালে। কমলেশ গোয়েল, ফিলিপ ভারগাসে ও বিজয় কুমার—এ তিনজন প্রতিষ্ঠা করেন এই কোম্পানি। এই ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে কোহলি বিনিয়োগ করেছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
চিজেল ফিটনেস: ২০১৬ সালে সত্য সিনহার সঙ্গে যৌথভাবে এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন কোহলি। এই কোম্পানির ৩০ শতাংশ মালিকানা রয়েছে ভারতীয় এই ক্রিকেটারের। এখানে তিনি বিনিয়োগ করেছেন ১২৬ কোটি টাকা। বেঙ্গালুরুভিত্তিক এই স্টার্টআপ কোম্পানি অনেকটা করপোরেট সেক্টরের জিমের আদলে গড়ে তোলা হয়েছে। আয়তন ও সুযোগ-সুবিধার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকায় চিজেল জিমের শাখা তৈরি করা হচ্ছে।
নুয়েভা রেস্টুরেন্ট: ২০১৭ সালে দিল্লিতে এই রেস্টুরেন্ট তৈরি করেছেন কোহলি। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, এই রেস্টুরেন্ট তৈরি করতে প্রায় সাড়ে ৫০০ কোটি বিনিয়োগ করেছেন ভারতীয় এই ব্যাটার। রেস্টুরেন্টের পরিবেশ ও খাবার খেয়ে অতিথিরা দিল্লিতে বসেই নিউইয়র্কের স্বাদ পাবেন।
ইউনিভার্সাল স্পোর্টসবিজ: ২০১২ সালে এই ফ্যাশন স্টার্টআপ কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন অঞ্জনা রেড্ডি। এই কোম্পানিতে কোহলি বিনিয়োগ করেছেন ২৭ কোটি টাকা।
এ ছাড়া ইন্ডিয়ান সুপার লিগের এফসি গোয়ার যৌথ মালিক কোহলি। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই ক্লাব। আর দুবাইভিত্তিক টেনিস দল ইউএই রয়্যালসের যৌথ মালিকানা ভারতীয় এই ব্যাটার পেয়েছেন ২০১৫ সালে। এই কোম্পানিতেও তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে।

ক্রিকেটার বিরাট কোহলির সফলতার গল্প জানেন না—এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। মাঠে নামলেই কোহলি গড়েন একের পর এক রেকর্ড।
ক্রিকেট খেলে কোহলি তো কোটি কোটি টাকা আয় করেনই। এ ছাড়া আরও অনেক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত কোহলি। বিভিন্ন স্টার্টআপ কোম্পানিতে ভারতীয় এই ক্রিকেটার যেমন কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছেন, তেমনি আয়ও করছেন প্রচুর। আর বিজ্ঞাপন থেকেও আয় করেন কোটি কোটি টাকা।
ডিজিট: পুনেভিত্তিক এই ইনস্যুরেন্স কোম্পানি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালে। কমলেশ গোয়েল, ফিলিপ ভারগাসে ও বিজয় কুমার—এ তিনজন প্রতিষ্ঠা করেন এই কোম্পানি। এই ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে কোহলি বিনিয়োগ করেছেন ২ লাখ ৬২ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা।
চিজেল ফিটনেস: ২০১৬ সালে সত্য সিনহার সঙ্গে যৌথভাবে এই কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন কোহলি। এই কোম্পানির ৩০ শতাংশ মালিকানা রয়েছে ভারতীয় এই ক্রিকেটারের। এখানে তিনি বিনিয়োগ করেছেন ১২৬ কোটি টাকা। বেঙ্গালুরুভিত্তিক এই স্টার্টআপ কোম্পানি অনেকটা করপোরেট সেক্টরের জিমের আদলে গড়ে তোলা হয়েছে। আয়তন ও সুযোগ-সুবিধার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকায় চিজেল জিমের শাখা তৈরি করা হচ্ছে।
নুয়েভা রেস্টুরেন্ট: ২০১৭ সালে দিল্লিতে এই রেস্টুরেন্ট তৈরি করেছেন কোহলি। ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, এই রেস্টুরেন্ট তৈরি করতে প্রায় সাড়ে ৫০০ কোটি বিনিয়োগ করেছেন ভারতীয় এই ব্যাটার। রেস্টুরেন্টের পরিবেশ ও খাবার খেয়ে অতিথিরা দিল্লিতে বসেই নিউইয়র্কের স্বাদ পাবেন।
ইউনিভার্সাল স্পোর্টসবিজ: ২০১২ সালে এই ফ্যাশন স্টার্টআপ কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন অঞ্জনা রেড্ডি। এই কোম্পানিতে কোহলি বিনিয়োগ করেছেন ২৭ কোটি টাকা।
এ ছাড়া ইন্ডিয়ান সুপার লিগের এফসি গোয়ার যৌথ মালিক কোহলি। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই ক্লাব। আর দুবাইভিত্তিক টেনিস দল ইউএই রয়্যালসের যৌথ মালিকানা ভারতীয় এই ব্যাটার পেয়েছেন ২০১৫ সালে। এই কোম্পানিতেও তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে।

স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা নিজেদের কাছেই রেখে দিল বার্সেলোনা। এবারও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে। মাঠে যতই তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হোক না কেন, চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনাকে ‘গার্ড অব অনার’ দিতে প্রস্তুত ছিল রিয়াল।
৭ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো কি ভারতে হবে নাকি শ্রীলঙ্কায়, তা নিয়ে এখনো জটিলতা কাটেনি। এরই মধ্যে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বিস্ফোরক এক মন্তব্য করেছেন।
২৮ মিনিট আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যতই এগিয়ে আসছে, ততই খারাপ হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি ও বিসিসিআই) সম্পর্ক। গতকাল রাতে ক্রিকবাজ জানিয়েছিল, চলমান দোলাচলে লিটন দাসদের ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন করার প্রস্তাব দেবে আইসিসি। তবে বিষয়টি নিয়ে কোনো তথ্য নেই বিসিসিআইয়ের কাছে।
৪ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা নিয়ে এবার নিল নতুন মোড়। এখন পর্যন্ত বিসিবি ও আইসিসির পক্ষ থেকে আসেনি কোনো অগ্রগতি। সম্প্রতি ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো চেন্নাই ও কেরালায় সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। তবে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন নতুন খবর। বাংলাদে
৪ ঘণ্টা আগে