
টম কারান, স্যাম কারান, বেন কারান—সামাজিক মাধ্যমে এই তিন কারান ভাইয়ের ছবি ভাইরাল গত কদিন ধরে। আলোচনায় আসবে না-ই বা কেন? কারানের পরিবারই যে ক্রিকেটকেন্দ্রিক। ইংল্যান্ড-জিম্বাবুয়ে দুই দেশের মধ্যে দারুণ যোগসূত্র রয়েছে কারান পরিবারের।
কারান ভাইদের বাবা কেভিন কারেন জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলেছেন ১১ ওয়ানডে। সেটা তিনি খেলেছেন ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৭ সালের সময়ে। তাঁর দুই ছেলে টম ও স্যাম খেলেছেন ইংল্যান্ডের হয়ে। বেনের এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক না হলেও জিম্বাবুয়ের ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত খেলছেন। দুই ভাই ইংল্যান্ডে খেললেও বেন জিম্বাবুয়ের জার্সিই পরতে চান। ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেন বলেছেন, ‘অসাধারণ এক গল্প হবে এটা, তা–ই না? সুযোগ এলেই লুফে নিতে হবে। সত্যি সত্যিই এমন হলে (জিম্বাবুয়ে দলে সুযোগ) তা আমার জন্য অনেক অদ্ভুত এবং আবেগের মিশ্রণ থাকবে। মায়ের কথাই আমি চিন্তা করব। আমার চেয়ে মা–ই বেশি আবেগপ্রবণ হবেন বলে মনে করছি।’
ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্লাব নর্দাম্পটনশায়ারের হয়ে খেলেছেন বেন। তাঁর বাবাও (কেভিন) যে কাউন্টিতে খেলেছিলেন, সেটা মনে করিয়ে বেন বলেন, ‘এতে তো একটা চক্র পূরণ হবে, তাই না? তিনি (কেভিন কারান) নর্দাম্পটনে খেলেছেন। আমিও খেলেছি। আশা করি আমি সেখানে (জিম্বাবুয়ে) ফিরব এবং জিম্বাবুয়ের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করব। সেখানে তিনি খেলেছেন এবং কোচিং করিয়েছেন। এমনটা হলে তো দারুণ হবে।’
বেনের বাবা কেভিন ২০১২ সালে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। নিজের শেকড়ের টানেই বারবার জিম্বাবুয়ের কথা উল্লেখ করেন বেন, আমি ইংল্যান্ড–জিম্বাবুয়ে দুই দেশেই থেকেছি। তবে জিম্বাবুয়ের সঙ্গেই যোগসূত্র অনেক শক্তিশালী বলে আমি মনে করছি। সেখানে (জিম্বাবুয়ে) বেড়ে উঠেছি। শৈশবের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছি এবং মা-বাবার জন্মও সেখানে।’
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০২৩ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ—দুটি আইসিসি ইভেন্টে খেলার যোগ্যতা জিম্বাবুয়ে হারিয়েছিল বাছাইপর্ব উতড়াতে না পারায়। কদিন আগে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট (জেডসি) কদিন আগে জানিয়েছে, নতুন প্রতিভাকে সুযোগ দিয়ে তারা নতুন করে দল গঠন করতে চাচ্ছে। জিম্বাবুয়ের জার্সিতে খেলার জন্য যেসব যোগ্যতা প্রয়োজন, সবই বেন পূর্ণ করেছেন। নির্বাচকেরা এখন তাঁকে চাইলেই জাতীয় দলে নিতে পারেন। জিম্বাবুয়ে দলে সুযোগ পেলে দুই ভাই টম-স্যামের মুখোমুখিও শিগগির হতে পারেন বেন।

টম কারান, স্যাম কারান, বেন কারান—সামাজিক মাধ্যমে এই তিন কারান ভাইয়ের ছবি ভাইরাল গত কদিন ধরে। আলোচনায় আসবে না-ই বা কেন? কারানের পরিবারই যে ক্রিকেটকেন্দ্রিক। ইংল্যান্ড-জিম্বাবুয়ে দুই দেশের মধ্যে দারুণ যোগসূত্র রয়েছে কারান পরিবারের।
কারান ভাইদের বাবা কেভিন কারেন জিম্বাবুয়ের হয়ে খেলেছেন ১১ ওয়ানডে। সেটা তিনি খেলেছেন ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৭ সালের সময়ে। তাঁর দুই ছেলে টম ও স্যাম খেলেছেন ইংল্যান্ডের হয়ে। বেনের এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক না হলেও জিম্বাবুয়ের ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত খেলছেন। দুই ভাই ইংল্যান্ডে খেললেও বেন জিম্বাবুয়ের জার্সিই পরতে চান। ক্রিকবাজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেন বলেছেন, ‘অসাধারণ এক গল্প হবে এটা, তা–ই না? সুযোগ এলেই লুফে নিতে হবে। সত্যি সত্যিই এমন হলে (জিম্বাবুয়ে দলে সুযোগ) তা আমার জন্য অনেক অদ্ভুত এবং আবেগের মিশ্রণ থাকবে। মায়ের কথাই আমি চিন্তা করব। আমার চেয়ে মা–ই বেশি আবেগপ্রবণ হবেন বলে মনে করছি।’
ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্লাব নর্দাম্পটনশায়ারের হয়ে খেলেছেন বেন। তাঁর বাবাও (কেভিন) যে কাউন্টিতে খেলেছিলেন, সেটা মনে করিয়ে বেন বলেন, ‘এতে তো একটা চক্র পূরণ হবে, তাই না? তিনি (কেভিন কারান) নর্দাম্পটনে খেলেছেন। আমিও খেলেছি। আশা করি আমি সেখানে (জিম্বাবুয়ে) ফিরব এবং জিম্বাবুয়ের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করব। সেখানে তিনি খেলেছেন এবং কোচিং করিয়েছেন। এমনটা হলে তো দারুণ হবে।’
বেনের বাবা কেভিন ২০১২ সালে চলে গেছেন না ফেরার দেশে। নিজের শেকড়ের টানেই বারবার জিম্বাবুয়ের কথা উল্লেখ করেন বেন, আমি ইংল্যান্ড–জিম্বাবুয়ে দুই দেশেই থেকেছি। তবে জিম্বাবুয়ের সঙ্গেই যোগসূত্র অনেক শক্তিশালী বলে আমি মনে করছি। সেখানে (জিম্বাবুয়ে) বেড়ে উঠেছি। শৈশবের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছি এবং মা-বাবার জন্মও সেখানে।’
২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ, ২০২৩ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ—দুটি আইসিসি ইভেন্টে খেলার যোগ্যতা জিম্বাবুয়ে হারিয়েছিল বাছাইপর্ব উতড়াতে না পারায়। কদিন আগে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট (জেডসি) কদিন আগে জানিয়েছে, নতুন প্রতিভাকে সুযোগ দিয়ে তারা নতুন করে দল গঠন করতে চাচ্ছে। জিম্বাবুয়ের জার্সিতে খেলার জন্য যেসব যোগ্যতা প্রয়োজন, সবই বেন পূর্ণ করেছেন। নির্বাচকেরা এখন তাঁকে চাইলেই জাতীয় দলে নিতে পারেন। জিম্বাবুয়ে দলে সুযোগ পেলে দুই ভাই টম-স্যামের মুখোমুখিও শিগগির হতে পারেন বেন।

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের মূল ফটক দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়বে ঝালমুড়ি-ভেলপুরির অস্থায়ী দোকান। সেসব খাবার আবার সানন্দে খাচ্ছে নারী ফুটবলাররা। হোক সেটা ম্যাচের আগে কিংবা পরে।
১২ মিনিট আগে
চতুর্থবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি আসছে বাংলাদেশে। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। এর আগে ২০০২, ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপ সামনে রেখেও ট্রফি এসেছিল ঢাকায়। এবারের সফরে ফিফার প্রতিনিধি হিসেবে সঙ্গে আছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
৩৭ মিনিট আগে
রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
১৩ ঘণ্টা আগে