নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম থেকে

বাংলাদেশে ক্রিকেটের আরেক নাম যেন আবেগ। আর তা এমনই যে, আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করে পরের ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ায় লিটন দাসকে শুনতে হয় দুয়ো। চট্টগ্রামে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। পরে ফিল্ডিং করতে সীমানা দড়ির কাছাকাছি দাঁড়ালে গ্যালারি থেকে দুয়োধ্বনি দিতে থাকে দর্শকদের একাংশ।
বাজে ফর্মের জন্য এমনিতেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফির বাংলাদেশ দল থেকে বাদ পড়েছেন। তার ওপর দর্শকদের এমন আচরণ লিটনের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এই অবস্থায় লিটনের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তাঁর ফ্র্যাঞ্চাইজি দল ঢাকা ক্যাপিটাল। নিজেদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন পোস্টে তারা লিখেছে, ‘আপনি হয়তো একটি ঝাপসা ভিডিওতে কাউকে দুয়োধ্বনি শুনতে দেখেছেন। আমরা দেখেছি, একজন জাতীয় নায়কের বিপিএল ইতিহাসের দ্রুততম শতক হাঁকিয়ে রেকর্ড গড়া পার্টনারশিপের অংশ হয়ে ওঠা। আপনি সমালোচনা দেখেন। আমরা দেখি একজন তারকা ব্যাটারের দেশের হয়ে সবচেয়ে বড় ওয়ানডে ইনিংস খেলা এবং দেশের হয়ে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ব্যাটার হিসেবে সর্বোচ্চ স্থানে আসা। আপনি বাধা-বিপত্তি দেখেন। আমরা দেখি ঐতিহাসিক কিছু মুহূর্তের সৃষ্টি। লিটন দাস, আপনি আমাদের ভালোবাসার প্রতীক। আপনি আমাদের গৌরব।’
দলের এমন ভালোবাসা ও সমর্থনে আপ্লুত হয়ে নিজের স্বীকৃত ফেসবুক পেজে লিটন দাস কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লিখেছেন, ‘আমার দল ঢাকা ক্যাপিটালের এই দারুণ ভালোবাসায় আমি অভিভূত। ধন্যবাদ তাঁদের, যাঁরা আমাদের এবং সব অ্যাথলেটের পাশে থাকেন, ভালো-মন্দ সব সময়েই। আপনাদের বিশ্বাস আমাদের কাছে অনেক মূল্যবান।’
একসময় স্টেডিয়ামের সাউন্ড সিস্টেম থেকে খেলার বিরতিতে নিয়মিত ঘোষণা দেওয়া হতো—দর্শকদের ক্রিকেটারদের প্রতি সম্মান দেখানো এবং কোনো রকম আপত্তিকর মন্তব্য কিংবা শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে লিপ্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে। তবে এবারের বিপিএলে সেই প্রচারণা একেবারেই অনুপস্থিত।

বাংলাদেশে ক্রিকেটের আরেক নাম যেন আবেগ। আর তা এমনই যে, আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করে পরের ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ায় লিটন দাসকে শুনতে হয় দুয়ো। চট্টগ্রামে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। পরে ফিল্ডিং করতে সীমানা দড়ির কাছাকাছি দাঁড়ালে গ্যালারি থেকে দুয়োধ্বনি দিতে থাকে দর্শকদের একাংশ।
বাজে ফর্মের জন্য এমনিতেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফির বাংলাদেশ দল থেকে বাদ পড়েছেন। তার ওপর দর্শকদের এমন আচরণ লিটনের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এই অবস্থায় লিটনের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তাঁর ফ্র্যাঞ্চাইজি দল ঢাকা ক্যাপিটাল। নিজেদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এক আবেগঘন পোস্টে তারা লিখেছে, ‘আপনি হয়তো একটি ঝাপসা ভিডিওতে কাউকে দুয়োধ্বনি শুনতে দেখেছেন। আমরা দেখেছি, একজন জাতীয় নায়কের বিপিএল ইতিহাসের দ্রুততম শতক হাঁকিয়ে রেকর্ড গড়া পার্টনারশিপের অংশ হয়ে ওঠা। আপনি সমালোচনা দেখেন। আমরা দেখি একজন তারকা ব্যাটারের দেশের হয়ে সবচেয়ে বড় ওয়ানডে ইনিংস খেলা এবং দেশের হয়ে টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ব্যাটার হিসেবে সর্বোচ্চ স্থানে আসা। আপনি বাধা-বিপত্তি দেখেন। আমরা দেখি ঐতিহাসিক কিছু মুহূর্তের সৃষ্টি। লিটন দাস, আপনি আমাদের ভালোবাসার প্রতীক। আপনি আমাদের গৌরব।’
দলের এমন ভালোবাসা ও সমর্থনে আপ্লুত হয়ে নিজের স্বীকৃত ফেসবুক পেজে লিটন দাস কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লিখেছেন, ‘আমার দল ঢাকা ক্যাপিটালের এই দারুণ ভালোবাসায় আমি অভিভূত। ধন্যবাদ তাঁদের, যাঁরা আমাদের এবং সব অ্যাথলেটের পাশে থাকেন, ভালো-মন্দ সব সময়েই। আপনাদের বিশ্বাস আমাদের কাছে অনেক মূল্যবান।’
একসময় স্টেডিয়ামের সাউন্ড সিস্টেম থেকে খেলার বিরতিতে নিয়মিত ঘোষণা দেওয়া হতো—দর্শকদের ক্রিকেটারদের প্রতি সম্মান দেখানো এবং কোনো রকম আপত্তিকর মন্তব্য কিংবা শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে লিপ্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে। তবে এবারের বিপিএলে সেই প্রচারণা একেবারেই অনুপস্থিত।

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৯ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
১০ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
১০ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
১১ ঘণ্টা আগে