নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চোটের কারণে ১১ মাস বাংলাদেশের টেস্ট দলের বাইরে ছিলেন ওপেনার তামিম ইকবাল। লম্বা সময় পর দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ দিয়ে লাল বলের ক্রিকেটে ফিরতে যাচ্ছেন বাঁ হাতি এই ব্যাটার। তামিমের দলে ফেরাটা বাংলাদেশের জন্যও স্বস্তি বলে মনে করেন টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। শনিবার ডারবানে সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।
গত বছরের জুলাইতে জিম্বাবুয়ে সফরে হাঁটুর চোটে ছিটকে পড়েন তামিম। এরপর তিন টেস্ট সিরিজে খেলা হয়নি এই ব্যাটারের। অবশ্য গত জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে সাদা বলে নিয়মিত খেলছেন তিনি। এবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে লাল বলের ক্রিকেটেও ফেরার অপেক্ষা আছেন এই ব্যাটার।
তামিমের ফেরাটা দলের জন্য স্বস্তি জানিয়ে সুজন বলেছেন, ‘এমন অভিজ্ঞ ও সিনিয়র খেলোয়াড় দলে থাকা সব সময়ই ভালো। তামিম রান করলে আমাদের জন্য সহজ (ম্যাচ) হয়ে যায়। আমি আশা করি তামিম তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবে।’
টেস্ট দলে থাকাদের মধ্য তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমের দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলার অভিজ্ঞতা ভালো। আগের তিন সফরের দুই সফরেই ছিলেন তারা। এটাকে ভালো সুযোগ মনে করেন সুজন। তিনি বলেছেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতা অন্যদের চেয়ে মুশফিক-তামিমেরই বেশি। কন্ডিশন স্বাগতিকদের পরিচিত। সহজ কিছু হবে না আমরা জানি। টেস্ট সিরিজ অনেক কঠিন হবে। তারপরও আমরা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।’
সুজন আরও বলেন, ‘আগে আমরা ভালো ছিলাম না, এখন তো আমরা ভালো দল। আমাদের সেই বোলিং অ্যাটাক আছে, ব্যাটাররা আছে। এই কন্ডিশনে ভালো করতে পারি সেই বিশ্বাসটা থাকতে হবে। কন্ডিশন বাংলাদেশ থেকে খুব ভিন্ন এমন না, গরম আছে। উইকেট কেমন হবে বলতে পারছি না এখনও। বিগত বছরগুলোতে এই উইকেটে তেমন পেস ছিল না। তবে আমাদের বিপক্ষে ওরা বাউন্স আর পেস দিতেও পারে। আমরা এটা মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। যেটা আমাদের জন্য সমস্যা, এটা ওদের জন্যও সমস্যা। কারণ, আমাদেরও এখন ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে এমন বোলার আছে। তাই উইকেট নিয়ে আমি একদমই চিন্তিত না। আমাদের প্রক্রিয়া ঠিক রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানডেতে প্রক্রিয়া, পরিকল্পনা ভালো ছিল বলেই সিরিজ জিতেছি। এটা টেস্টেও দেখতে চাই।’

চোটের কারণে ১১ মাস বাংলাদেশের টেস্ট দলের বাইরে ছিলেন ওপেনার তামিম ইকবাল। লম্বা সময় পর দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ দিয়ে লাল বলের ক্রিকেটে ফিরতে যাচ্ছেন বাঁ হাতি এই ব্যাটার। তামিমের দলে ফেরাটা বাংলাদেশের জন্যও স্বস্তি বলে মনে করেন টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজন। শনিবার ডারবানে সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।
গত বছরের জুলাইতে জিম্বাবুয়ে সফরে হাঁটুর চোটে ছিটকে পড়েন তামিম। এরপর তিন টেস্ট সিরিজে খেলা হয়নি এই ব্যাটারের। অবশ্য গত জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকে সাদা বলে নিয়মিত খেলছেন তিনি। এবার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে লাল বলের ক্রিকেটেও ফেরার অপেক্ষা আছেন এই ব্যাটার।
তামিমের ফেরাটা দলের জন্য স্বস্তি জানিয়ে সুজন বলেছেন, ‘এমন অভিজ্ঞ ও সিনিয়র খেলোয়াড় দলে থাকা সব সময়ই ভালো। তামিম রান করলে আমাদের জন্য সহজ (ম্যাচ) হয়ে যায়। আমি আশা করি তামিম তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাবে।’
টেস্ট দলে থাকাদের মধ্য তামিম ইকবাল ও মুশফিকুর রহিমের দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলার অভিজ্ঞতা ভালো। আগের তিন সফরের দুই সফরেই ছিলেন তারা। এটাকে ভালো সুযোগ মনে করেন সুজন। তিনি বলেছেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতা অন্যদের চেয়ে মুশফিক-তামিমেরই বেশি। কন্ডিশন স্বাগতিকদের পরিচিত। সহজ কিছু হবে না আমরা জানি। টেস্ট সিরিজ অনেক কঠিন হবে। তারপরও আমরা মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।’
সুজন আরও বলেন, ‘আগে আমরা ভালো ছিলাম না, এখন তো আমরা ভালো দল। আমাদের সেই বোলিং অ্যাটাক আছে, ব্যাটাররা আছে। এই কন্ডিশনে ভালো করতে পারি সেই বিশ্বাসটা থাকতে হবে। কন্ডিশন বাংলাদেশ থেকে খুব ভিন্ন এমন না, গরম আছে। উইকেট কেমন হবে বলতে পারছি না এখনও। বিগত বছরগুলোতে এই উইকেটে তেমন পেস ছিল না। তবে আমাদের বিপক্ষে ওরা বাউন্স আর পেস দিতেও পারে। আমরা এটা মোকাবেলা করতে প্রস্তুত। যেটা আমাদের জন্য সমস্যা, এটা ওদের জন্যও সমস্যা। কারণ, আমাদেরও এখন ১৪০ কিলোমিটার গতিতে বল করতে পারে এমন বোলার আছে। তাই উইকেট নিয়ে আমি একদমই চিন্তিত না। আমাদের প্রক্রিয়া ঠিক রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ানডেতে প্রক্রিয়া, পরিকল্পনা ভালো ছিল বলেই সিরিজ জিতেছি। এটা টেস্টেও দেখতে চাই।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
২ ঘণ্টা আগে