
২০২৪ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অর্থপুরস্কার ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। আইসিসির এই ইভেন্টে সেই অর্থপুরস্কারের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা। সবশেষ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তিন গুণের চেয়েও তা বেশি।
আইসিসি আজ এক মিডিয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ৮০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৯৫ কোটি ৯ লাখ টাকা। তাতে এবারের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নতুন এক মাইলফলক অর্জন করতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো আইসিসি ইভেন্টে ছেলেদের সমান প্রাইজমানি পাচ্ছেন নারী ক্রিকেটার। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০২৩ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ছিল ২৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি টাকায় অঙ্কটা ২৯ কোটি ২৭ লাখ।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে হতে যাওয়া নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা প্রায় ২৮ কোটি টাকা। রানার্সআপ দল পাবে ১১ লাখ ৭০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি টাকায় সেটা প্রায় ১৪ কোটি)। সবশেষ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল ১০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ১২ কোটি টাকা। চ্যাম্পিয়ন, রানার্সআপ দুই ক্ষেত্রেই মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রাইজমানি বেড়েছে ১৩৪ শতাংশ। গত বিশ্বকাপে রানার্সআপ দল দক্ষিণ আফ্রিকা পেয়েছিল ৫ লাখ ডলার (৬ কোটি টাকা)।
এবারের ১০ দলের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়া দুই দলই পাবে ৬ লাখ ৭৫ হাজার ডলার করে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। সবশেষ বিশ্বকাপের তুলনায় সেটা তিন গুণেরও বেশি। গত বছর মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালিস্ট দল দুটি পেয়েছিল ২ লাখ ১০ হাজার ডলার করে (বাংলাদেশি ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা)।
গ্রুপ পর্বে বাদ পড়া ছয় দলের জন্যও রয়েছে মোটা অঙ্কের টাকা অর্থপুরস্কার। পঞ্চম থেকে অষ্টম এই চার স্থানে থাকা দলের প্রত্যেকে পাচ্ছে ২ লাখ ৭০ হাজার ডলার করে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ৯ ও ১০ নম্বরে থাকা দল দুটি পাবে ১ লাখ ৩৫ হাজার ডলার (বাংলাদেশি ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা)। গ্রুপ পর্বে প্রতি ম্যাচ জয়ী দল পাবে ৩১১৫৪ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৩৭ লাখ ২২ হাজার টাকা। সবশেষ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে প্রতি ম্যাচ জয়ের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৭ হাজার ৫০০ ডলার (বাংলাদেশি ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকা)।
এবারের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘এ’ ও ‘বি’ দুই গ্রুপেই থাকছে ৫টি করে দল। ‘বি’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে ‘এ’ গ্রুপে থাকছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। ৩ অক্টোবর শারজায় বাংলাদেশ-স্কটল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় শুরু হবে। একই মাঠে রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান।
এশিয়ার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হবে ৬ অক্টোবর। দুবাইয়ে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় শুরু হবে ম্যাচটি। ১৭ ও ১৮ অক্টোবর দুবাই ও শারজায় হবে দুই সেমিফাইনাল। দুবাইয়ে ফাইনাল হবে ২০ অক্টোবর। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ম্যাচ তিনটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়।

২০২৪ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অর্থপুরস্কার ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)। আইসিসির এই ইভেন্টে সেই অর্থপুরস্কারের পরিমাণ প্রায় ১০০ কোটি টাকা। সবশেষ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তিন গুণের চেয়েও তা বেশি।
আইসিসি আজ এক মিডিয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ৭৯ লাখ ৫৮ হাজার ৮০ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৯৫ কোটি ৯ লাখ টাকা। তাতে এবারের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নতুন এক মাইলফলক অর্জন করতে যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো আইসিসি ইভেন্টে ছেলেদের সমান প্রাইজমানি পাচ্ছেন নারী ক্রিকেটার। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ২০২৩ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ছিল ২৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি টাকায় অঙ্কটা ২৯ কোটি ২৭ লাখ।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে হতে যাওয়া নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ২৩ লাখ ৪০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা প্রায় ২৮ কোটি টাকা। রানার্সআপ দল পাবে ১১ লাখ ৭০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি টাকায় সেটা প্রায় ১৪ কোটি)। সবশেষ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া পেয়েছিল ১০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ১২ কোটি টাকা। চ্যাম্পিয়ন, রানার্সআপ দুই ক্ষেত্রেই মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রাইজমানি বেড়েছে ১৩৪ শতাংশ। গত বিশ্বকাপে রানার্সআপ দল দক্ষিণ আফ্রিকা পেয়েছিল ৫ লাখ ডলার (৬ কোটি টাকা)।
এবারের ১০ দলের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়া দুই দলই পাবে ৬ লাখ ৭৫ হাজার ডলার করে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। সবশেষ বিশ্বকাপের তুলনায় সেটা তিন গুণেরও বেশি। গত বছর মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালিস্ট দল দুটি পেয়েছিল ২ লাখ ১০ হাজার ডলার করে (বাংলাদেশি ২ কোটি ৫১ লাখ টাকা)।
গ্রুপ পর্বে বাদ পড়া ছয় দলের জন্যও রয়েছে মোটা অঙ্কের টাকা অর্থপুরস্কার। পঞ্চম থেকে অষ্টম এই চার স্থানে থাকা দলের প্রত্যেকে পাচ্ছে ২ লাখ ৭০ হাজার ডলার করে। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ৯ ও ১০ নম্বরে থাকা দল দুটি পাবে ১ লাখ ৩৫ হাজার ডলার (বাংলাদেশি ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা)। গ্রুপ পর্বে প্রতি ম্যাচ জয়ী দল পাবে ৩১১৫৪ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৩৭ লাখ ২২ হাজার টাকা। সবশেষ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে প্রতি ম্যাচ জয়ের জন্য বরাদ্দ ছিল ১৭ হাজার ৫০০ ডলার (বাংলাদেশি ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকা)।
এবারের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ‘এ’ ও ‘বি’ দুই গ্রুপেই থাকছে ৫টি করে দল। ‘বি’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে ‘এ’ গ্রুপে থাকছে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। ৩ অক্টোবর শারজায় বাংলাদেশ-স্কটল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় শুরু হবে। একই মাঠে রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তান।
এশিয়ার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হবে ৬ অক্টোবর। দুবাইয়ে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টায় শুরু হবে ম্যাচটি। ১৭ ও ১৮ অক্টোবর দুবাই ও শারজায় হবে দুই সেমিফাইনাল। দুবাইয়ে ফাইনাল হবে ২০ অক্টোবর। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের ম্যাচ তিনটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায়।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের পর ঝড় উঠেছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। পরশু নাজমুলের সংবাদমাধ্যমকে বলা কথা ছড়িয়ে পড়লে ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন তাঁর (নাজমুল) পদত্যাগের দাবিতে ক্রিকেট খেলা বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছিলেন। সেদিন যা
৩৭ মিনিট আগে
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠুর ওপর দিয়ে কী ঝড় বয়ে যাচ্ছে, সেটা তিনিই ভালো যাচ্ছেন। পরশু রাতে ক্রিকেটারদের সংগঠনে কাজ করা কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন যখন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ক্রিকেট বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছিলেন, সেদিন রাতেই মিঠু ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকে
১ ঘণ্টা আগে
বছরের শুরুতে দেশের ক্রিকেটে টালমাটাল অবস্থা এমন কবে দেখা গেছে, সেটা জানতে অনেকে নিশ্চয়ই গুগল করা শুরু করেছেন। মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তো রয়েছেই। পাশাপাশি যোগ হয়েছে মোহাম্মদ মিঠুন-মেহেদী হাসান মিরাজদের সাময়িক খেলা স্থগিত।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের ক্রিকেটে ক্রিকেটারদের ধর্মঘট আগেও দেখা গেছে। তবে এবার যেন ছাড়িয়ে গেল অতীতের সবকিছু। আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট বিপিএলের ম্যাচ হয়নি ক্রিকেটারদের বয়কটের সিদ্ধান্তে।
৮ ঘণ্টা আগে