ওমর ফারুক, সিলেট থেকে

তিন বছর পর সিলেটে ফিরেছে বিপিএল, তাই এখানকার মানুষের মাঝে ক্রিকেটীয় আমেজ যেন একটু বেশিই। বাংলাদেশের দলের তারকাদের ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ক্রিস গেইল, ডোয়াইন ব্রাভোদের ব্যাটে চার-ছক্কার ঝড় দেখতে সবারই আগ্রহ বেশিই হওয়ার কথা। তবে এত আগ্রহী হয়েও যে মাঠে বসে সরাসরি প্রিয় তারকার খেলা দেখার সাধ্য নেই কারও। তাই মাঠের চেয়ে ২০০ মিটার দূরে থাকা লাক্কাতুরা চা বাগানের আনুমানিক ৬০ ফুট উচ্চতার টিলায় বসে খেলা দেখতে এসেছেন শতখানেক ক্রিকেটপ্রেমী। যাঁদের প্রিয় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল কিংবা ইমরুল কায়েসরা।
করোনা সংক্রমণের কারণে সরকারি বিধিনিষেধে মাঠে দর্শক প্রবেশে অনুমতি দেয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ফাঁকা গ্যালারিতে মাঠে ক্রিকেট গড়ালেও সাধারণ মানুষের মাঝে খেলার প্রতি যে ভালোবাসা, তা দেখা গেছে সিলেটে এসে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে দর্শকদের তেমন উপস্থিতি না থাকলেও সিলেটে বেশ ভালোই দর্শক দেখা গেছে। প্রথম ম্যাচের আগেই মাঠের মূল গেটের পাশে অপেক্ষা করতে দেখা যায় কয়েক শ মানুষকে, যাঁরা মূলত খেলা দেখতেই এসেছেন।
সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগানের পাশেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। তিন দিনে এখানেই হবে বিপিএলের ছয় ম্যাচ। দিনের প্রথম ম্যাচে যখন শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে সাকিবদের বরিশালের মুখোমুখি হয় ইমরুল কায়েসদের কুমিল্লা। তখন একটি টিলার ওপর থেকে সাকিব, গেইলদের সমর্থনে দেখা যায় একদল মানুষের জটলা।
উঁচু টিলা পার হয়ে আগত সেই দর্শকদের ভিড়ে গিয়ে কথা বলে জানা যায় বেশির ভাগই সিলেটের বাসিন্দা। এ ছাড়াও সিলেটে ঘুরতে আসা অনেকেই মাঠে খেলা দেখে টিলায় এসে জড়ো হয়েছে খেলা দেখার জন্য। অনেকেই মাঠে ঢোকার জন্য আকুতি জানিয়ে বলেন, আমাদের ডাবল ডোজ টিকা নেওয়ার সার্টিফিকেট আছে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাঠে প্রবেশ করতে চাচ্ছি। কিন্তু আমাদের টিকিট দিচ্ছে না। যদি আমাদের মাঠে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হতো তাহলে ভালো হতো।
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সিলেটে ঘুরতে আসাদের একটি দলও যোগ দেন সেখানে। সাকিবের এক ভক্ত বলেন, ‘সাকিবের খেলা দেখার জন্য এখানে উঠেছি। তবে এখান থেকে খুব একটা দেখা যায় না। মাঝে মাঝে গেইলকে এ পাশের বাউন্ডারিতে দেখছি। মাঠে বসে খেলা দেখতে পারলে ভালো লাগত।’

তিন বছর পর সিলেটে ফিরেছে বিপিএল, তাই এখানকার মানুষের মাঝে ক্রিকেটীয় আমেজ যেন একটু বেশিই। বাংলাদেশের দলের তারকাদের ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ক্রিস গেইল, ডোয়াইন ব্রাভোদের ব্যাটে চার-ছক্কার ঝড় দেখতে সবারই আগ্রহ বেশিই হওয়ার কথা। তবে এত আগ্রহী হয়েও যে মাঠে বসে সরাসরি প্রিয় তারকার খেলা দেখার সাধ্য নেই কারও। তাই মাঠের চেয়ে ২০০ মিটার দূরে থাকা লাক্কাতুরা চা বাগানের আনুমানিক ৬০ ফুট উচ্চতার টিলায় বসে খেলা দেখতে এসেছেন শতখানেক ক্রিকেটপ্রেমী। যাঁদের প্রিয় ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল কিংবা ইমরুল কায়েসরা।
করোনা সংক্রমণের কারণে সরকারি বিধিনিষেধে মাঠে দর্শক প্রবেশে অনুমতি দেয়নি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ফাঁকা গ্যালারিতে মাঠে ক্রিকেট গড়ালেও সাধারণ মানুষের মাঝে খেলার প্রতি যে ভালোবাসা, তা দেখা গেছে সিলেটে এসে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে দর্শকদের তেমন উপস্থিতি না থাকলেও সিলেটে বেশ ভালোই দর্শক দেখা গেছে। প্রথম ম্যাচের আগেই মাঠের মূল গেটের পাশে অপেক্ষা করতে দেখা যায় কয়েক শ মানুষকে, যাঁরা মূলত খেলা দেখতেই এসেছেন।
সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগানের পাশেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। তিন দিনে এখানেই হবে বিপিএলের ছয় ম্যাচ। দিনের প্রথম ম্যাচে যখন শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে সাকিবদের বরিশালের মুখোমুখি হয় ইমরুল কায়েসদের কুমিল্লা। তখন একটি টিলার ওপর থেকে সাকিব, গেইলদের সমর্থনে দেখা যায় একদল মানুষের জটলা।
উঁচু টিলা পার হয়ে আগত সেই দর্শকদের ভিড়ে গিয়ে কথা বলে জানা যায় বেশির ভাগই সিলেটের বাসিন্দা। এ ছাড়াও সিলেটে ঘুরতে আসা অনেকেই মাঠে খেলা দেখে টিলায় এসে জড়ো হয়েছে খেলা দেখার জন্য। অনেকেই মাঠে ঢোকার জন্য আকুতি জানিয়ে বলেন, আমাদের ডাবল ডোজ টিকা নেওয়ার সার্টিফিকেট আছে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাঠে প্রবেশ করতে চাচ্ছি। কিন্তু আমাদের টিকিট দিচ্ছে না। যদি আমাদের মাঠে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হতো তাহলে ভালো হতো।
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সিলেটে ঘুরতে আসাদের একটি দলও যোগ দেন সেখানে। সাকিবের এক ভক্ত বলেন, ‘সাকিবের খেলা দেখার জন্য এখানে উঠেছি। তবে এখান থেকে খুব একটা দেখা যায় না। মাঝে মাঝে গেইলকে এ পাশের বাউন্ডারিতে দেখছি। মাঠে বসে খেলা দেখতে পারলে ভালো লাগত।’

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের মূল ফটক দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়বে ঝালমুড়ি-ভেলপুরির অস্থায়ী দোকান। সেসব খাবার আবার সানন্দে খাচ্ছে নারী ফুটবলাররা। হোক সেটা ম্যাচের আগে কিংবা পরে।
১৬ মিনিট আগে
চতুর্থবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি আসছে বাংলাদেশে। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। এর আগে ২০০২, ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপ সামনে রেখেও ট্রফি এসেছিল ঢাকায়। এবারের সফরে ফিফার প্রতিনিধি হিসেবে সঙ্গে আছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
৪২ মিনিট আগে
রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
১৩ ঘণ্টা আগে