Ajker Patrika

আম্পায়ার-কাণ্ডে শ্রীলঙ্কাকে ধুয়ে দিলেন ভারতীয় ধারাভাষ্যকার

ক্রীড়া ডেস্ক    
আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৭: ২৩
আম্পায়ার-কাণ্ডে শ্রীলঙ্কাকে ধুয়ে দিলেন ভারতীয় ধারাভাষ্যকার
দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে আউট হন জয়সুরিয়া। ছবি: ক্রিকইনফো

কলম্বো টেস্টের দ্বিতীয় দিনে আম্পায়ারদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ায় শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের সমালোচনা করেছেন ভারতের ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকার। তাঁর মতে, আলো নিয়ে ব্যস্ত থাকায় বলের ওপর থেকে মনোযোগ হারিয়েছিলেন স্বাগতিক ব্যাটাররা।

দিনের শেষ দিকে আলো নিয়ে আম্পায়ারদের সঙ্গে কথা বলেন জয়সুরিয়া ও কামিল মিশারা। তাঁদের দাবি ছিল, পর্যাপ্ত আলো না থাকায় খেলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না। তবে লঙ্কান ব্যাটারদের দাবি না মেনে খেলা চালিয়ে নেন আম্পায়াররা।

আলো নিয়ে বিতর্কের মাঝে দ্বিতীয় দিনের শেষ বিকেলে লাহিরু উদারা ও প্রবাথ জয়সুরিয়ার উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ভারতের করা ৫০৩ রানের জবাব দিতে নামা স্বাগতিকদের শুরুটাও তাই ভালো হয়নি।

সনি স্পোর্টস নেটওয়ার্কে মাঞ্জরেকার বলেন, ‘আমি এটাকে কিছুটা অপেশাদার আচরণ হিসেবে দেখছি। আমি জানি, আপনি আম্পায়ারকে বোঝাতে চাইবেন যে আলো খারাপ ছিল। কিন্তু বলের ওপর থেকে চোখ সরিয়ে নেওয়া যায় না। আমার মনে হয়েছে, খারাপ আলো নিয়ে পরিস্থিতি এবং আম্পায়ারের সঙ্গে তাদের অসন্তোষ তাদের মনোযোগ কেড়ে নিয়েছিল। তারা বলের দিকে মনোযোগ দিচ্ছিল না। আলো কখনোই এতটা খারাপ ছিল না।’

শ্রীলঙ্কার দুই ব্যাটারের দাবিকে অযৌক্তিত মনে হচ্ছে মাঞ্জরেকারের কাছে, ‘আমরা জানি, আলো কখনো এত খারাপ হয় না যে বল দেখা যাবে না। আসলে একটা নির্দিষ্ট মাত্রার অন্ধকারকে খারাপ আলো হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তখন ব্যাটারকে খেলা বন্ধ করার সুযোগ দেওয়া হয়।’

তবে শ্রীলঙ্কার যুক্তি পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি মাঞ্জরেকার, ‘হয়তো শ্রীলঙ্কার একটা যুক্তি ছিল যে আলো চরে গিয়েছিল। কিন্তু সেটি তাদের ওই ভুলকে সমর্থন করে না। নাইটওয়াচম্যান আউট হওয়ার জন্য তাকে দোষ দেওয়া যায় না। সুতারের দারুণ একটি বল ছিল, দারুণ বৈচিত্র্য এনেছিল সে। আর শেষ দিকে প্রসিধ কৃষ্ণও অসাধারণ একটি বল করেছে।’

ভারতীয় বোলারদের প্রশংসা করেছেন মাঞ্জরেকার, ‘তাই এটা ঘটানোর জন্য ভারতকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। শ্রীলঙ্কার জন্য দুর্ভাগ্যজনক। আমরা প্রভাতকে দেখব। ভারত অবশ্যই এই সুযোগ নেবে। ভারতও খুব ভালো ভূমিকা রেখেছে।’

ভারতের ক্রিকেটারদের মানসিক চাপ তৈরির কৌশল নিয়েও কথা বলেছেন মাঞ্জরেকার, ‘তারা (ভারতীয় দল) মাঠে দাঁড়িয়ে ছিল, আম্পায়ারের ওপর চাপ তৈরি করছিল এবং বলছিল, তাদের বিশ্বাস খেলা শুরু করা সম্ভব। এ ধরনের ছোট ছোট বিষয়। বিশ্ব ক্রিকেটে এখন তারাই বড় শক্তি। ভারতীয় দল যদি শুধু মাঠে দাঁড়িয়ে বিশ্বাস করে যে খেলা শুরু করা সম্ভব এবং আলো যথেষ্ট ভালো, তাহলে আম্পায়ারদের ওপর একটা নির্দিষ্ট মাত্রার চাপ তৈরি হয়।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত