Ajker Patrika

সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের সঙ্গে নবজাতকের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে

নেত্রকোনা প্রতিনিধি
আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ২২: ৩২
সেই মাদ্রাসাশিক্ষকের সঙ্গে নবজাতকের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে
মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী। ফাইল ছবি

নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুর জন্ম দেওয়া নবজাতকের ডিএনএর সঙ্গে মামলার আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএর মিল পাওয়া গেছে। ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার পর এ তথ্য জানা গেছে।

আজ সোমবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নেত্রকোনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নুরুল কবির রুবেল।

পিপি নুরুল কবির রুবেল বলেন, ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে নবজাতকের সঙ্গে আসামির ডিএনএর ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ মিল পাওয়া গেছে। আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করা হতে পারে।

আদালতের নির্দেশে গত ২৮ জুলাই সিলেটের একটি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা নবজাতকের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এর আগে গত ২ জুলাই ভুক্তভোগী শিশুটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়।

এরও আগে গত ১৭ মে মামলার আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগী শিশুটির মা মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, মাদ্রাসাশিক্ষক সাগর শিশুটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।

গত ৭ মে আদালত আসামিকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান। রিমান্ড শেষে ১০ মে তাঁকে আদালতে হাজির করা হলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের স্বার্থে ডিএনএ পরীক্ষার আবেদন করেন। আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন।

এদিকে শিশুটির নিরাপত্তা ও ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে তার মা আদালতে সুরক্ষার আবেদন করেন। পরে গত ১২ মে আদালতের নির্দেশে শিশুটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে সিলেটের একটি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়। আর মামলার আসামি মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগর বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত