Ajker Patrika

ম্যারাডোনার মৃত্যুর রিপোর্টে তাহলে তাঁর বাবার মেডিক্যাল রিপোর্ট

ক্রীড়া ডেস্ক    
আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১৬: ০৬
ম্যারাডোনার মৃত্যুর রিপোর্টে তাহলে তাঁর বাবার মেডিক্যাল রিপোর্ট
দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা ও তাঁর বাবা দিয়েগো সালুস্তিয়ানো ম্যারাডোনা (বাঁয়ে)। ছবি: সংগৃহীত

দিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যুর ৬ বছর হয়ে গেছে। তবু তাঁর মৃত্যু নিয়ে কথাবার্তা থেমে নেই। এবার জানা গেল চাঞ্চল্যকর ঘটনা। নাম উল্টাপাল্টা হওয়ার কারণে মেডিক্যাল রিপোর্ট ওলটপালট হয়েছে।

আর্জেন্টিনার একটি স্বাস্থ্যবিমা প্রতিষ্ঠান ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে উপস্থাপিত কিছু মেডিকেল রিপোর্ট স্বীকার ভুল হয়েছে বলে দায় স্বীকার করেছে। কারণ, আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ফুটবলারের নামের সঙ্গে যেমন দিয়েগো রয়েছে, তেমনি তাঁর বাবার নামেও রয়েছে একই শব্দ। দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনার বাবার নাম দিয়েগো সালুস্তিয়ানো ম্যারাডোনা।

বার্তা সংস্থা এএফপির কাছে গতকাল সুইস মেডিকেল এক চিঠি পাঠিয়েছে। সেখানে সুইস মেডিকেল স্বীকার করেছে যে তদন্তকারী একটি মেডিকেল কমিশনের কাছে দেওয়া পরীক্ষার রিপোর্টগুলো ভুলবশত ‘দিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনা’ নামে সংরক্ষিত ছিল। আসলে সেগুলো তাঁর প্রয়াত বাবা দিয়েগো সালুস্তিয়ানো ম্যারাডোনার রিপোর্ট। দিয়েগো ম্যারাডোনা মারা গেছেন ২০২০ সালে। তাঁর মৃত্যুর ৫ বছর আগে না ফেরার দেশে চলে যান বাবা সালুস্তিয়ানো ম্যারাডোনা।

২০২০ সালের নভেম্বরে ৬০ বছর বয়সে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া এবং পালমোনারি এডিমায় (ফুসফুসে তরল জমে যাওয়ার একটি অবস্থা) মারা যান ম্যারাডোনা। ঠিক এর দুই সপ্তাহ আগে তিনি মস্তিষ্কে জমাট বাঁধা রক্তের চিকিৎসার জন্য অস্ত্রোপচার করেছিলেন। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি বুয়েনস এইরেসের শহরতলি তিগ্রেতে ভাড়া নেওয়া একটি বাড়িতে মারা যান। ঠিক তাঁর মৃত্যুর দুই সপ্তাহ আগে মস্তিষ্কে করা হয়েছিল অস্ত্রোপচার।

ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে তাঁর পরিবার চিকিৎসার অভিযোগ করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। শুরু হয় বিচারপ্রক্রিয়াও। সবশেষ এই বিচারপ্রক্রিয়া এপ্রিলে শুরু হয়েছিল। পরশু পুনরায় শুরুর কথা রয়েছে। অন্তত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিচার কার্যক্রম চলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক সেই ম্যাচ নিয়ে আলোচনা এখনো চলছেই। ৪০ বছর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আসতেকায় ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল করে হই চই ফেলে দেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের হেরিটেজ অকশনসে শনিবার তাঁর ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ বলটি বিক্রি হয়েছে ২৫ লাখ পাউন্ডে। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৪১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

১৯৮৬ বিশ্বকাপে আসতেকায় ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালের রেফারি ছিলেন তিউনিসিয়ার আলি বিন নাসের। ম্যাচ শেষে তিনি অ্যাডিডাসের সেই বলটি সংগ্রহ করে ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে নিজের কাছে রেখেছিলেন। ২০২২ সালে ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ বলটি রেফারি বিন নাসের ১৭ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডে বিক্রি করেছিলেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ২৯ কোটি ৮ লাখ টাকা। নতুন মালিক ২০২৩ সালে আবার বলটি নিলামে তুলেছিলেন। কিন্তু পর্যাপ্ত দাম না ওঠায় সেটা বিক্রি হয়নি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত