ক্রীড়া ডেস্ক

ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের ফুলঝুরি ছোটাতে সিদ্ধহস্ত এনামুল হক বিজয়। কিন্তু যখনই আসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রসঙ্গ, তখন ব্যর্থতার পাল্লাই ভারী বিজয়ের। ফিফটি, সেঞ্চুরি তো দূরে থাক। ৪০ রান করতেও তাঁর রীতিমতো ঘাম ছুটে যায়।
বাংলাদেশের জার্সিতে ২০১২ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ৭৭ ম্যাচ খেলছেন বিজয়। যার মধ্যে তাঁর টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা কেবল ৮। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে তিনি কতটা অনিয়মিত, সেটা এই সংখ্যাটাই বলে দিচ্ছে। এবারের শ্রীলঙ্কা সিরিজ দিয়ে টেস্টে সুযোগ পেলেন তিন বছর পর। দীর্ঘদিন পর পাওয়া সুযোগ, কোথায় দুই হাত ভরে লুফে নেবেন। সেটা তো তিনি পারলেনই না। ২ টেস্টে ৪ ইনিংস খেলে করলেন কেবল ২৩ রান। যার মধ্যে দুটিতেই মেরেছেন ডাক।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ৪ ইনিংসে ৫.৭৫ গড়ে ২৩ রানের চেয়েও বিজয়ের আউট হওয়ার ধরন দৃষ্টিকটু। প্রথম টেস্টে দুই ইনিংস মিলে ৩০ বল খেলে ৪ রান করে আউট হয়েছেন। দুই বারই তিনি আউট হয়েছেন লঙ্কান উইকেটরক্ষক কুশল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে। অফস্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা মেরেই আত্মহত্যা করেছেন বিজয়। এছাড়াও তিনি ব্যাটিংয়ে নামলে প্রত্যেক বলেই যেন মনে হয়, এই বুঝি আউট হয়ে যাবেন তিনি।
প্রথম টেস্টে ব্যর্থ বিজয় সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবেও (এসএসসি)। কলম্বোতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে বারবার জীবন পেয়েও ১০ বলের বেশি টিকতে পারেননি। করতে পারেননি কোনো রানও। আসিথা ফার্নান্দোর শরীর বরাবর আসা বল কাট করতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন বিজয়।
০,৪,০—ব্যর্থ বিজয়ের কাছে সুযোগ ছিল কলম্বো টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে কিছু করে দেখানোর। প্রথম ১১ বলে করে ফেলেন ১৭ রান। কিন্তু ঝোড়ো ব্যাটিং করতে থাকা বিজয় যে ভুলে গিয়েছেন, এটা সাদা পোশাকের ক্রিকেট। সাদা বলের ক্রিকেট নয়। তার চেয়েও বড় কথা দ্বিতীয় ইনিংসে ২১১ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিং করতে নেমেছে বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতে ইনিংসের সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে আসিথা ফার্নান্দোর শর্ট বলে পুল করতে যান বিজয়। আকাশে দীর্ঘক্ষণ ভেসে থাকা বল শর্ট লেগে সহজে ধরেছেন লঙ্কান বদলি ফিল্ডার পবন রত্নায়েকে। ১৯ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় বিজয় ১৯ রান করে ফিরেছেন।
বিজয়ের আউটের পরই তৃতীয় দিনের চা পানের বিরতি দেওয়া হয়। তৃতীয় সেশন শুরুর আগে ৬.৫ ওভারে ১ উইকেটে ৩১ রান করেছে বাংলাদেশ। সফরকারীরা এখনো পিছিয়ে ১৭০ রানে। তাঁর সঙ্গী সাদমান ইসলাম ২২ বলে ১২ রান করেছেন।
লাগাতার ব্যর্থ বিজয় দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট এনসিএলে ২০২৪-২৫ মৌসুমে করেছেন ৭০০ রান। অথচ ৮ টেস্ট খেলা এই ক্রিকেটার ১৫ ইনিংসে ১০.৮০ গড়ে করেছেন ১৫৯ রান। শূন্য রানে আউট হয়েছেন তিন বার। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে সর্বোচ্চ ৩৯ রানের ইনিংস খেলেছেন। দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ফারাক কতটা, সেটা বিজয়ের এমন দৃষ্টিকটু ব্যাটিংয়ে আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ঘরোয়া ক্রিকেটে রানের ফুলঝুরি ছোটাতে সিদ্ধহস্ত এনামুল হক বিজয়। কিন্তু যখনই আসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রসঙ্গ, তখন ব্যর্থতার পাল্লাই ভারী বিজয়ের। ফিফটি, সেঞ্চুরি তো দূরে থাক। ৪০ রান করতেও তাঁর রীতিমতো ঘাম ছুটে যায়।
বাংলাদেশের জার্সিতে ২০১২ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ৭৭ ম্যাচ খেলছেন বিজয়। যার মধ্যে তাঁর টেস্ট ম্যাচের সংখ্যা কেবল ৮। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে তিনি কতটা অনিয়মিত, সেটা এই সংখ্যাটাই বলে দিচ্ছে। এবারের শ্রীলঙ্কা সিরিজ দিয়ে টেস্টে সুযোগ পেলেন তিন বছর পর। দীর্ঘদিন পর পাওয়া সুযোগ, কোথায় দুই হাত ভরে লুফে নেবেন। সেটা তো তিনি পারলেনই না। ২ টেস্টে ৪ ইনিংস খেলে করলেন কেবল ২৩ রান। যার মধ্যে দুটিতেই মেরেছেন ডাক।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ৪ ইনিংসে ৫.৭৫ গড়ে ২৩ রানের চেয়েও বিজয়ের আউট হওয়ার ধরন দৃষ্টিকটু। প্রথম টেস্টে দুই ইনিংস মিলে ৩০ বল খেলে ৪ রান করে আউট হয়েছেন। দুই বারই তিনি আউট হয়েছেন লঙ্কান উইকেটরক্ষক কুশল মেন্ডিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে। অফস্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা মেরেই আত্মহত্যা করেছেন বিজয়। এছাড়াও তিনি ব্যাটিংয়ে নামলে প্রত্যেক বলেই যেন মনে হয়, এই বুঝি আউট হয়ে যাবেন তিনি।
প্রথম টেস্টে ব্যর্থ বিজয় সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবেও (এসএসসি)। কলম্বোতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে বারবার জীবন পেয়েও ১০ বলের বেশি টিকতে পারেননি। করতে পারেননি কোনো রানও। আসিথা ফার্নান্দোর শরীর বরাবর আসা বল কাট করতে গিয়ে বোল্ড হয়েছেন বিজয়।
০,৪,০—ব্যর্থ বিজয়ের কাছে সুযোগ ছিল কলম্বো টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে কিছু করে দেখানোর। প্রথম ১১ বলে করে ফেলেন ১৭ রান। কিন্তু ঝোড়ো ব্যাটিং করতে থাকা বিজয় যে ভুলে গিয়েছেন, এটা সাদা পোশাকের ক্রিকেট। সাদা বলের ক্রিকেট নয়। তার চেয়েও বড় কথা দ্বিতীয় ইনিংসে ২১১ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিং করতে নেমেছে বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতে ইনিংসের সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে আসিথা ফার্নান্দোর শর্ট বলে পুল করতে যান বিজয়। আকাশে দীর্ঘক্ষণ ভেসে থাকা বল শর্ট লেগে সহজে ধরেছেন লঙ্কান বদলি ফিল্ডার পবন রত্নায়েকে। ১৯ বলে ২ চার ও ১ ছক্কায় বিজয় ১৯ রান করে ফিরেছেন।
বিজয়ের আউটের পরই তৃতীয় দিনের চা পানের বিরতি দেওয়া হয়। তৃতীয় সেশন শুরুর আগে ৬.৫ ওভারে ১ উইকেটে ৩১ রান করেছে বাংলাদেশ। সফরকারীরা এখনো পিছিয়ে ১৭০ রানে। তাঁর সঙ্গী সাদমান ইসলাম ২২ বলে ১২ রান করেছেন।
লাগাতার ব্যর্থ বিজয় দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট এনসিএলে ২০২৪-২৫ মৌসুমে করেছেন ৭০০ রান। অথচ ৮ টেস্ট খেলা এই ক্রিকেটার ১৫ ইনিংসে ১০.৮০ গড়ে করেছেন ১৫৯ রান। শূন্য রানে আউট হয়েছেন তিন বার। ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে সর্বোচ্চ ৩৯ রানের ইনিংস খেলেছেন। দেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ফারাক কতটা, সেটা বিজয়ের এমন দৃষ্টিকটু ব্যাটিংয়ে আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

বিগ ব্যাশে নিজের উদ্বোধনী মৌসুমে দুর্দান্ত খেলছেন রিশাদ হোসেন। লেগস্পিন ভেলকিতে ব্যাটারদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিচ্ছেন তিনি। তাঁর খেলা দেখতে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা হয়তো বেলা আড়াইটার দিকে টিভি সেটের সামনে বসে ছিলেন। কিন্তু হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে বেরসিক বৃষ্টির বাগড়ায় খেলা সময়মতো শুরু করা যায়নি।
২৭ মিনিট আগে
ভারতীয় ক্রিকেট দল যেন ড্যারিল মিচেলের ‘সবচেয়ে প্রিয়’ প্রতিপক্ষ। শুধু ভারতীয় দলই কেন, আইপিএলে খেলার কারণে ভারতের কন্ডিশনও তাঁর ভালোই চেনা। সদ্য সমাপ্ত ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ নিউজিল্যান্ড জিতেছে মিচেলের অসাধারণ ব্যাটিংয়েই।
১ ঘণ্টা আগে
মিরপুরে গতকাল রাতে প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সরাসরি ফাইনালের টিকিট কেটেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। আজ চূড়ান্ত হবে ফাইনালের লাইনআপ। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুরে শুরু হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের সিলেট টাইটানস-রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ম্যাচ।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দারুণ সময় পার করছেন শেখ মেহেদী হাসান। নেতৃত্ব কিংবা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স–সবকিছুতেই দুর্দান্ত এই স্পিনিং অলরাউন্ডার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁকে ‘গরীবের সাকিব আল হাসান’ বলেও আখ্যা দিচ্ছেন অনেকেই।
২ ঘণ্টা আগে