ভারত-পাকিস্তান ‘হাইভোল্টেজ’ ফাইনাল হতে নিজেদের কাজ সেরে রেখেছে পাকিস্তান। সিডনিতে প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। এখন ম্যাথ্যু হেইডেন যেন চাইছেন, অ্যাডিলেডে আগামীকাল দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিক ভারত।
২০০৭ সালে প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। এরপর এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বিশ্বকাপে অনেকবার মুখোমুখি হলেও ফাইনালে মুখোমুখি হয়নি। ১৫ বছর পর আবার সেই স্বপ্নের ফাইনাল হওয়ার সুযোগ রয়েছে। অ্যাডিলেডে যদি ভারত আগামীকাল ইংল্যান্ডকে হারাতে পারে, তাহলে ১৩ নভেম্বর মেলবোর্নে মুখোমুখি হবে এশিয়ার এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ভারত-পাকিস্তান সম্ভাব্য ফাইনাল প্রসঙ্গে হেইডেন বলেন, ‘আমি চাই ভারতের বিপক্ষে খেলতে। এটা অসাধারণ হবে।’
সিডনিতে আজ টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ২০ ওভারে ৪ উইকেটে নিউজিল্যান্ড করে ১৫২ রান। শাহিন আফ্রিদি নিয়েছেন দুই উইকেট এবং মোহাম্মদ নওয়াজ নিয়েছেন এক উইকেট। নিউজিল্যান্ডকে বেশিরভাগ সময়ে হাত খুলে খেলতে দেননি পাকিস্তানের বোলাররা। আর ১৫৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে পাকিস্তান এগিয়ে যায় উদ্বোধনী জুটিতেই। উদ্বোধনী জুটিতে ১০৫ রান যোগ করেছেন বাবর আজম এবং মোহাম্মদ রিজওয়ান।
বাবর-রিজওয়ান জুটি এবং পাকিস্তানের বোলারদের প্রশংসায় ভাসিয়েছেন হেইডেন। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘প্রত্যেকে বাবর এবং রিজওয়ানকে নিয়ে কথা বলবে। এই দুজন পাকিস্তানের হয়ে অনেক দিন ধরে দারুণ খেলছে। তবে আমাদের বোলাররা দুর্দান্ত কাজ করেছে। এই মাঠে বোলারদের মানিয়ে নিতে হয় এবং আমরা শাহিনকে পেয়েছি। বল একবার রিভার্স সুইং করলে তাকে সামলানো কঠিন। হারিস ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করতে পারে।’

নকআউট পর্ব শুরুর আগেই ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে এক কীর্তির অংশ হয়ে গেলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছেন চার গোল নিয়ে। এর মাধ্যমে তিনি ছুঁয়েছেন রোনালদো, নেইমার ও জর্জিনহোর গড়া একটি বিরল রেকর্ড।
১ ঘণ্টা আগে
নকআউট পর্বের প্রতিপক্ষ নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন ভিনিসিয়ুস, ‘প্রতিপক্ষ বেছে নেওয়ার সুযোগ আমাদের নেই। যে দলই সামনে আসুক না কেন, আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এই জয়ে 'সি' গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করল ব্রাজিল। ৩ ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম পর্ব শেষ করল তারা। এই গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে উঠেছে মরক্কো। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নকআউট পর্বে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
১ ঘণ্টা আগে
এরপর ৮৯ মিনিটে রাহিমির অ্যাসিস্ট থেকে আরেক বদলি ফুটবলার ইয়াসিন ফাঁকা জালে বল ঠেলে দিলে মরক্কোর জয় নিশ্চিত হয়। শেষ দিকে সুফিয়ান আমরাবাত চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ায় ১০ জনের দলে পরিণত হলেও হাইতির আক্রমণভাগকে সফলভাবে রুখে দেয় মরক্কোর রক্ষণ। এই রোমাঞ্চকর জয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে শেষ বত্রিশের টিকিট
২ ঘণ্টা আগে