ক্রীড়া ডেস্ক

বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী—চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়ে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান যা শুরু করেছে, তাতে এই কথাটা মনে পড়া স্বাভাবিক। কারণ দুই পক্ষই যার যার সিদ্ধান্তে অনড়। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছে ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা (আইসিসি)।
‘ক্রিকেট পাকিস্তান’সহ পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, আইসিসির একটি প্রতিনিধি দল পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে। কবে সফর করবে তা এখনো জানা যায়নি। তবে সেটা আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আলোচনার বিষয়বস্তু কী হতে পারে, সেটা সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে। কারণ ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়ে অচলাবস্থা এখনো কাটেনি।
আইসিসি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সূচি প্রকাশ না করলেও ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফে’ কয়েক মাস আগে সূচি ফাঁস গেছে। টেলিগ্রাফের সূচি অনুসারে টুর্নামেন্টটি শুরু হওয়ার কথা ১৯ ফেব্রুয়ারি। এ বছরের ১১ নভেম্বর লাহোরে এক অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের সূচি ঘোষণার কথা থাকলেও অনুষ্ঠান শেষ মুহূর্তে বাতিল করেছে আইসিসি। কারণ, সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় পাকিস্তানে ভারতীয় ক্রিকেট দল যাবে না বলে আইসিসিকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) জানিয়েছে।
পাকিস্তানও তো চুপ করে বসে থাকার পাত্র নয়। ভারতীয় দল কেন পাকিস্তানে যাবে না-এটা জানতে চেয়ে আইসিসিকে চিঠিও দিয়েছিল পিসিবি। এমন পরিস্থিতিতে হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি হতে পারে। এমনকি পুরো পাকিস্তান থেকেও টুর্নামেন্ট সরে যেতে পারে বলে বিদেশি গণমাধ্যমে শোনা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ আফ্রিকায়ও হতে পারে আইসিসির ইভেন্টটি।
নিজেদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আইসিসি ১৬ নভেম্বর প্রকাশ করেছিল চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সফরসূচি। পাকিস্তানের রাজধানী শহর ইসলামাবাদ থেকেই সেদিন শুরু হয়েছিল ট্রফির যাত্রা। ১৭ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে ঘুরবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। করাচিতে২২ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত থাকবে শিরোপা। তাদের প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তানে যাবে ২৬ নভেম্বর। ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত আফগানদের কাছে থাকবে ট্রফিটি। বাংলাদেশে আসার আগে ট্রফি থাকবে ‘বিশ্রামে’। ১০ থেকে ১৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশে থাকবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি।

বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী—চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়ে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান যা শুরু করেছে, তাতে এই কথাটা মনে পড়া স্বাভাবিক। কারণ দুই পক্ষই যার যার সিদ্ধান্তে অনড়। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছে ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা (আইসিসি)।
‘ক্রিকেট পাকিস্তান’সহ পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, আইসিসির একটি প্রতিনিধি দল পাকিস্তান সফরে যাচ্ছে। কবে সফর করবে তা এখনো জানা যায়নি। তবে সেটা আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আলোচনার বিষয়বস্তু কী হতে পারে, সেটা সহজেই অনুমান করা যাচ্ছে। কারণ ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়ে অচলাবস্থা এখনো কাটেনি।
আইসিসি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সূচি প্রকাশ না করলেও ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফে’ কয়েক মাস আগে সূচি ফাঁস গেছে। টেলিগ্রাফের সূচি অনুসারে টুর্নামেন্টটি শুরু হওয়ার কথা ১৯ ফেব্রুয়ারি। এ বছরের ১১ নভেম্বর লাহোরে এক অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের সূচি ঘোষণার কথা থাকলেও অনুষ্ঠান শেষ মুহূর্তে বাতিল করেছে আইসিসি। কারণ, সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় পাকিস্তানে ভারতীয় ক্রিকেট দল যাবে না বলে আইসিসিকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) জানিয়েছে।
পাকিস্তানও তো চুপ করে বসে থাকার পাত্র নয়। ভারতীয় দল কেন পাকিস্তানে যাবে না-এটা জানতে চেয়ে আইসিসিকে চিঠিও দিয়েছিল পিসিবি। এমন পরিস্থিতিতে হাইব্রিড মডেলে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি হতে পারে। এমনকি পুরো পাকিস্তান থেকেও টুর্নামেন্ট সরে যেতে পারে বলে বিদেশি গণমাধ্যমে শোনা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ আফ্রিকায়ও হতে পারে আইসিসির ইভেন্টটি।
নিজেদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে আইসিসি ১৬ নভেম্বর প্রকাশ করেছিল চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সফরসূচি। পাকিস্তানের রাজধানী শহর ইসলামাবাদ থেকেই সেদিন শুরু হয়েছিল ট্রফির যাত্রা। ১৭ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে ঘুরবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। করাচিতে২২ থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত থাকবে শিরোপা। তাদের প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তানে যাবে ২৬ নভেম্বর। ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত আফগানদের কাছে থাকবে ট্রফিটি। বাংলাদেশে আসার আগে ট্রফি থাকবে ‘বিশ্রামে’। ১০ থেকে ১৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশে থাকবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দিন বাকি নেই। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে ছোট সংস্করণে বিশ্বকাপের দশম পর্ব। তার আগে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া।
৪২ মিনিট আগে
প্রথমবার বিগ ব্যাশ খেলতে গিয়েই মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন রিশাদ হোসেন। লেগ স্পিন জাদুতে ব্যাটারদের পরাস্ত করছেন বারবার। দুর্দান্ত বোলিংয়ে সতীর্থদের প্রশংসা কুড়োচ্ছেন বাংলাদেশের এই তরুণ লেগস্পিনার।
১ ঘণ্টা আগে
তিন বছর পর আবার দেখা হচ্ছে সাদিও মানে ও মোহামেদ সালাহর। তবে একই দলে নয়, পরস্পরের প্রতিপক্ষ হিসেবে। আফ্রিকা কাপ অব ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে সেনেগাল ও মিসর মুখোমুখি আজ। এই সেমিফাইনালে দুই দেশের জার্সিতে নামবেন সাবেক লিভারপুল সতীর্থ এই দুই তারকা। দিনের অন্য সেমিফাইনালে সুপার ইগল নাইজেরিয়ার মুখোমুখি হবে স্বা
১ ঘণ্টা আগে
অ্যাশেজে মাঠের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে রীতিমতো উড়ে গেছে ইংল্যান্ড। ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হারই বলে দিচ্ছে সবকিছু। বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা তো হচ্ছেই। মাঠের বাইরের ঘটনা নিয়েও চলছে নানা আলাপ-আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে