‘বাংলাদেশকে তাদের মাঠে হারানো এতটা সহজ নয়’

বাংলাদেশকে ঘরের মাঠে ৮ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মিরপুর টেস্টে ব্যাটিং-বোলিং দুই বিভাগেই ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্ত-মেহেদী হাসান মিরাজের হারানোয় ক্যারিবীয়দের অভিনন্দন জানিয়েছেন উইন্ডিজ ধারাভাষ্যকার ইয়ান বিশপ।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হারলেও ঘরের মাঠে সবশেষ ৭ টেস্টের মধ্যে পাঁচটিতেই জয় রয়েছে বাংলাদেশের। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে বাংলাদেশ সেরা পাঁচে থাকলেও উইন্ডিজ অবস্থান করছে ৮ নম্বরে। তাছাড়া মিরপুর টেস্টে ফ্লাডলাইট সমস্যা, বৃষ্টির বাগড়ায় অনেক ওভার নষ্ট হলেও ক্যারিবীয়রা ৮ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশের বিপক্ষে। এই সিরিজের প্রথম টেস্টে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করায় ম্যাচটা সরাসরি দেখার সুযোগ মিলেছে বিশপের। নিজের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডলে ক্যারিবীয় ক্রিকেট বিশ্লেষক লিখেছেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জয়। বিশেষ করে নিজেদের মাঠে বাংলাদেশকে এখন আর সহজে হারানো যায় না। এই অঞ্চলের ক্রিকেটের আর্থিক সংকটের কথা বিবেচনা করলে খেলোয়াড়দের নিবেদন ও পেশাদারত্বের প্রশংসা করতেই হয়। সিরিজের আরও একটি টেস্ট বাকি রয়েছে। তবে রস্টন চেজের নেতৃত্বাধীন দলকে অভিনন্দন।’
ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায়ও পিছিয়েছে বাংলাদেশ। সাত টেস্টে তিন জয়, তিন হার ও এক ড্রয়ে ৪৭.৬২ শতাংশ সফলতার হার পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে পঞ্চম স্থানে রয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। মিরপুরের হারের আগে ছয় টেস্টে তিন জয়, দুই হার ও এক ড্র নিয়ে চতুর্থ স্থানে ছিল বাংলাদেশ।
আগামী ৫ নভেম্বর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হবে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের দ্বিতীয় তথা শেষ টেস্ট। এই ম্যাচে জিতলে বাংলাদেশের সফলতার হার হবে ৫৪.১৭ শতাংশ। তাতে ফাইনালের দৌড়ে ফেরার সুযোগ থাকবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে দুটি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডের মাঠে দুটি টেস্ট দিয়েই ২০২৫-২৭ চক্র শেষ করবে বাংলাদেশ।
হাতে থাকা বাকি পাঁচটি টেস্ট জিতলে বর্তমান হিসাব অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৬৯.৪৪ শতাংশ সফলতার হার হবে বাংলাদেশ। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল। তাই দ্বিতীয় টেস্ট জিতলেই ফাইনাল নিশ্চিত হবে না। তবে বাকি ম্যাচগুলোতে ধারাবাহিক জয় এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর ফল অনুকূলে থাকলে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ থাকবে।









