ক্রীড়া ডেস্ক

যেকোনো ক্রিকেটারের ক্যারিয়ারে খারাপ সময় আসতে পারে। লিটন দাসেরও সেই সময় কাটছে। তবে সেটি নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। উল্টো বাংলাদেশ উইকেটরক্ষক নেতৃত্ব দেখে মুগ্ধ তিনি।
গত নভেম্বরে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সহকারী কোচ হয়েছেন সালাউদ্দিন। দায়িত্ব পাওয়ার পর এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজেই ছিল তাঁর প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। সেখানে বাংলাদেশ লিটনের নেতৃত্বে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে উইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করেছে। জয়ে বছর শেষ করতে পারায় খুশি সবাই। তবে ব্যাটিংয়ে লিটনের পারফরম্যান্স নিয়ে চিন্তা যে থেকেই যাচ্ছে!
সেটি নিয়েই সালাউদ্দিনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকেরা। ক্যারিবীয় সফরে লিটনের ব্যাটে রানের দেখা না পেলেও বাংলাদেশ দলের সহকারী কোচ অবশ্য উল্টো শিষ্যের প্রশংসায় করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যেকোনো ব্যাটারের খারাপ সময় আসতেই পারে। টেকনিক্যালি ও খুব একটা সমস্যা নেই। আমার মনে হয়, এখান থেকে সে খুব তাড়াতাড়ি বেরোবে। সে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটারদের একজন, যেকোনো সংস্করণে। এটা আসলে খুব বেশি চিন্তা করারও বিষয় না। আমি এটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত না।’
নিয়মিত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর অবর্তমানে সেন্ট ভিনসেন্টে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন লিটন। ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ হলেও প্রশংসিত হয়েছে তাঁর নেতৃত্ব। এ নিয়ে সালাউদ্দিনের মন্তব্য, ‘অধিনায়কত্বের কথা যদি বলেন, আসলে খুবই অসাধারণ। আমার কাছে মনে হয়েছে, গত বছর আমরা কুমিল্লাতে (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস) লিটনকে অধিনায়কত্ব প্রথম দিয়েছিলাম। হয়তো এ নিয়ে আমাদের অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমি যখন কোনো সিদ্ধান্ত নিই, অনেক ভেবেচিন্তে নিই। কারণ, আমি একটা মানুষের সবকিছু চিন্তাভাবনা, তার খেলা সম্পর্কে ধারণা, খেলা সম্পর্কে সে কীভাবে দূরদর্শীসম্পন্ন—অনেক কিছু চিন্তা করেই কিন্তু আমি সিদ্ধান্ত নিই। আমার কাছে মনে হয়েছে, সে (লিটন) অধিনায়ক হিসেবে নরমাল যখন খেলা চলে তার চেয়ে ৩-৪ ওভার আগে থাকে। একটা অধিনায়কের বড় গুণ হচ্ছে সে খেলা থেকে এগিয়ে থাকে কিনা।’

যেকোনো ক্রিকেটারের ক্যারিয়ারে খারাপ সময় আসতে পারে। লিটন দাসেরও সেই সময় কাটছে। তবে সেটি নিয়ে মোটেও চিন্তিত নন কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। উল্টো বাংলাদেশ উইকেটরক্ষক নেতৃত্ব দেখে মুগ্ধ তিনি।
গত নভেম্বরে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সহকারী কোচ হয়েছেন সালাউদ্দিন। দায়িত্ব পাওয়ার পর এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজেই ছিল তাঁর প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। সেখানে বাংলাদেশ লিটনের নেতৃত্বে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে উইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করেছে। জয়ে বছর শেষ করতে পারায় খুশি সবাই। তবে ব্যাটিংয়ে লিটনের পারফরম্যান্স নিয়ে চিন্তা যে থেকেই যাচ্ছে!
সেটি নিয়েই সালাউদ্দিনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকেরা। ক্যারিবীয় সফরে লিটনের ব্যাটে রানের দেখা না পেলেও বাংলাদেশ দলের সহকারী কোচ অবশ্য উল্টো শিষ্যের প্রশংসায় করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘যেকোনো ব্যাটারের খারাপ সময় আসতেই পারে। টেকনিক্যালি ও খুব একটা সমস্যা নেই। আমার মনে হয়, এখান থেকে সে খুব তাড়াতাড়ি বেরোবে। সে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটারদের একজন, যেকোনো সংস্করণে। এটা আসলে খুব বেশি চিন্তা করারও বিষয় না। আমি এটা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত না।’
নিয়মিত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর অবর্তমানে সেন্ট ভিনসেন্টে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন লিটন। ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ হলেও প্রশংসিত হয়েছে তাঁর নেতৃত্ব। এ নিয়ে সালাউদ্দিনের মন্তব্য, ‘অধিনায়কত্বের কথা যদি বলেন, আসলে খুবই অসাধারণ। আমার কাছে মনে হয়েছে, গত বছর আমরা কুমিল্লাতে (কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস) লিটনকে অধিনায়কত্ব প্রথম দিয়েছিলাম। হয়তো এ নিয়ে আমাদের অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমি যখন কোনো সিদ্ধান্ত নিই, অনেক ভেবেচিন্তে নিই। কারণ, আমি একটা মানুষের সবকিছু চিন্তাভাবনা, তার খেলা সম্পর্কে ধারণা, খেলা সম্পর্কে সে কীভাবে দূরদর্শীসম্পন্ন—অনেক কিছু চিন্তা করেই কিন্তু আমি সিদ্ধান্ত নিই। আমার কাছে মনে হয়েছে, সে (লিটন) অধিনায়ক হিসেবে নরমাল যখন খেলা চলে তার চেয়ে ৩-৪ ওভার আগে থাকে। একটা অধিনায়কের বড় গুণ হচ্ছে সে খেলা থেকে এগিয়ে থাকে কিনা।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
৫ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
২ ঘণ্টা আগে