
এই প্রথম পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলার সুযোগ পেয়েছেন রিশাদ হোসেন। বিসিবির এনওসি পেয়ে নিচ্ছেন নতুন চ্যালেঞ্জের প্রস্তুতি। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে পিএসএলে নিজের লক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে জাতীয় দলের এই স্পিনার কথা বলেছেন আজকের পত্রিকার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আহমেদ রিয়াদ।
আহমেদ রিয়াদ, ঢাকা

প্রশ্ন: সুযোগ পেয়েও এনওসি না পাওয়ায় বিগব্যাশের দল হোবার্ট হারিকেনস এবং ভিসা জটিলতায় কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি খেলতে পারেননি। এবার পিএসএলে খেলতে বাধা নেই। খেলতে যাওয়ার আগে কেমন লাগছে?
রিশাদ হোসেন: সত্যি বলতে, এটা আমার জন্য দারুণ সুযোগ। আগেও সুযোগ এসেছে, তবে এনওসি জটিলতায় খেলা হয়নি। আসলে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেলা সব সময় নতুন কিছু শেখায়। ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশ, নতুন সব সতীর্থ এবং আলাদা কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতা হয়। নিজের স্কিল ঝালিয়ে নেওয়া এবং বিশ্বমানের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে শেখার এটি দারুণ সুযোগ। তাই আমি বেশ রোমাঞ্চিত ও উচ্ছ্বসিত।
প্রশ্ন: পিএসএল খেলতে যাচ্ছেন কবে?
রিশাদ: বিসিবি আমাকে এনওসি দিয়েছে। এ জন্য কৃতজ্ঞ। এ ধরনের টুর্নামেন্ট খেলতে বিসিবির অনুমতি পাওয়া জরুরি। কারণ, জাতীয় দলে খেলার সঙ্গে সমন্বয়েরও বিষয় থাকে। আশা করি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যেতে পারব।
প্রশ্ন: এই টুর্নামেন্টে আপনার লক্ষ্য কী?
রিশাদ: যেকোনো টুর্নামেন্টেই আমার মূল লক্ষ্য থাকে সেরা পারফর্ম করা এবং দলের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখা। এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও আমার একই লক্ষ্য। ধারাবাহিকভাবে ভালো করতে চাই, যেন দলে অবদান রাখতে পারি। পাশাপাশি ভিন্ন কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতা নিতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তা কাজে লাগানো যায়।
প্রশ্ন: ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলে ক্রিকেটাররা কতটা লাভবান হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
রিশাদ: আমি মনে করি, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ক্রিকেটারদের জন্য বিশাল এক প্ল্যাটফর্ম। এখানে বিভিন্ন দেশের তারকা ক্রিকেটারের সঙ্গে খেলার সুযোগ পাওয়া যায়, যা শেখার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যারা নিয়মিত ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার সুযোগ পায়, তারা পারফরম্যান্সের দিক থেকে অনেক উন্নতি করতে পারে। ভিন্ন কন্ডিশনে খেলে মানিয়ে নেওয়ার দক্ষতাও বাড়ে, যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের লিগ ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং নিজেদের দক্ষতা অন্য পর্যায়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।
প্রশ্ন: বিদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগির সুযোগ পাওয়াটা কীভাবে দেখেন?
রিশাদ: নিঃসন্দেহে এটি দারুণ অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে একই দলে খেলা মানে তাঁদের কাছ থেকে টিপস নেওয়ার সুযোগ পাওয়া। বিশেষ করে লেগ স্পিনার হিসেবে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের কাছে তাঁদের ব্যাটিং ও কন্ডিশন বুঝতে পারার বিষয় নিয়ে আমার জানার চেষ্টা থাকবে। ড্রেসিংরুমে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সঙ্গে সময় কাটালে মানসিকভাবে আরও পরিণত হওয়া যায়, যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক কাজে দেয়।
প্রশ্ন: বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদের সঙ্গে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে?
রিশাদ: হ্যাঁ, মুশতাক স্যার সব সময় আমার উন্নতির জন্য পরামর্শ দেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার আগে তিনি আমাকে কিছু টেকনিক্যাল দিক নিয়ে কাজ করতে বলেছেন। বিশেষ করে ভিন্ন উইকেটে কীভাবে লেন্থ ঠিক রাখতে হবে, কোন পরিস্থিতিতে বোলিং অ্যাপ্রোচ কী হবে—এসব নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে খেলতে এবং নিজের শক্তির জায়গাগুলো কাজে লাগানোর পরামর্শ আমাকে দিয়েছেন তিনি।
প্রশ্ন: লাহোর কালান্দার্সের কোনো খেলোয়াড় বা কোচের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে কি?
রিশাদ: হ্যাঁ, দলে যেসব ক্রিকেটার আছেন, তাঁদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। ডমিঙ্গো দলের প্রধান কোচ হয়েছেন শুনেছি। তাঁর সঙ্গে অবশ্য কথা হয়নি। পাকিস্তানে গেলে কথা হবে।
প্রশ্ন: সুযোগ পেয়েও এনওসি না পাওয়ায় বিগব্যাশের দল হোবার্ট হারিকেনস এবং ভিসা জটিলতায় কানাডার গ্লোবাল টি-টোয়েন্টি খেলতে পারেননি। এবার পিএসএলে খেলতে বাধা নেই। খেলতে যাওয়ার আগে কেমন লাগছে?
রিশাদ হোসেন: সত্যি বলতে, এটা আমার জন্য দারুণ সুযোগ। আগেও সুযোগ এসেছে, তবে এনওসি জটিলতায় খেলা হয়নি। আসলে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেলা সব সময় নতুন কিছু শেখায়। ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশ, নতুন সব সতীর্থ এবং আলাদা কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতা হয়। নিজের স্কিল ঝালিয়ে নেওয়া এবং বিশ্বমানের ক্রিকেটারদের কাছ থেকে শেখার এটি দারুণ সুযোগ। তাই আমি বেশ রোমাঞ্চিত ও উচ্ছ্বসিত।
প্রশ্ন: পিএসএল খেলতে যাচ্ছেন কবে?
রিশাদ: বিসিবি আমাকে এনওসি দিয়েছে। এ জন্য কৃতজ্ঞ। এ ধরনের টুর্নামেন্ট খেলতে বিসিবির অনুমতি পাওয়া জরুরি। কারণ, জাতীয় দলে খেলার সঙ্গে সমন্বয়েরও বিষয় থাকে। আশা করি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যেতে পারব।
প্রশ্ন: এই টুর্নামেন্টে আপনার লক্ষ্য কী?
রিশাদ: যেকোনো টুর্নামেন্টেই আমার মূল লক্ষ্য থাকে সেরা পারফর্ম করা এবং দলের জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখা। এই ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও আমার একই লক্ষ্য। ধারাবাহিকভাবে ভালো করতে চাই, যেন দলে অবদান রাখতে পারি। পাশাপাশি ভিন্ন কন্ডিশনে খেলার অভিজ্ঞতা নিতে চাই, যাতে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তা কাজে লাগানো যায়।
প্রশ্ন: ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলে ক্রিকেটাররা কতটা লাভবান হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
রিশাদ: আমি মনে করি, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ক্রিকেটারদের জন্য বিশাল এক প্ল্যাটফর্ম। এখানে বিভিন্ন দেশের তারকা ক্রিকেটারের সঙ্গে খেলার সুযোগ পাওয়া যায়, যা শেখার ক্ষেত্রে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যারা নিয়মিত ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার সুযোগ পায়, তারা পারফরম্যান্সের দিক থেকে অনেক উন্নতি করতে পারে। ভিন্ন কন্ডিশনে খেলে মানিয়ে নেওয়ার দক্ষতাও বাড়ে, যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের লিগ ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং নিজেদের দক্ষতা অন্য পর্যায়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে।
প্রশ্ন: বিদেশি ক্রিকেটারদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগির সুযোগ পাওয়াটা কীভাবে দেখেন?
রিশাদ: নিঃসন্দেহে এটি দারুণ অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে একই দলে খেলা মানে তাঁদের কাছ থেকে টিপস নেওয়ার সুযোগ পাওয়া। বিশেষ করে লেগ স্পিনার হিসেবে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের কাছে তাঁদের ব্যাটিং ও কন্ডিশন বুঝতে পারার বিষয় নিয়ে আমার জানার চেষ্টা থাকবে। ড্রেসিংরুমে অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের সঙ্গে সময় কাটালে মানসিকভাবে আরও পরিণত হওয়া যায়, যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অনেক কাজে দেয়।
প্রশ্ন: বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদের সঙ্গে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে?
রিশাদ: হ্যাঁ, মুশতাক স্যার সব সময় আমার উন্নতির জন্য পরামর্শ দেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার আগে তিনি আমাকে কিছু টেকনিক্যাল দিক নিয়ে কাজ করতে বলেছেন। বিশেষ করে ভিন্ন উইকেটে কীভাবে লেন্থ ঠিক রাখতে হবে, কোন পরিস্থিতিতে বোলিং অ্যাপ্রোচ কী হবে—এসব নিয়ে তাঁর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে খেলতে এবং নিজের শক্তির জায়গাগুলো কাজে লাগানোর পরামর্শ আমাকে দিয়েছেন তিনি।
প্রশ্ন: লাহোর কালান্দার্সের কোনো খেলোয়াড় বা কোচের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে কি?
রিশাদ: হ্যাঁ, দলে যেসব ক্রিকেটার আছেন, তাঁদের কয়েকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে। ডমিঙ্গো দলের প্রধান কোচ হয়েছেন শুনেছি। তাঁর সঙ্গে অবশ্য কথা হয়নি। পাকিস্তানে গেলে কথা হবে।

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৬ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৬ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৭ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৮ ঘণ্টা আগে