
টেস্ট ও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে আগেই অবসর নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বাকি ছিল শুধু ওয়ানডে। বাংলাদেশের জার্সিতে এবার আর কোনো সংস্করণেই দেখা যাবে না মাহমুদউল্লাহকে। সামাজিক মাধ্যমে আজ এক পোস্টে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।
২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মাহমুদউল্লাহর নেতৃত্বে খেলেছিল বাংলাদেশ। তখন পেইন কিলার নিয়ে কথা বলায় সেটা নিয়ে এখনো চলে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ। মাহমুদউল্লাহ আজ অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর তাওহিদ হৃদয় এনেছেন সেই পুরোনো প্রসঙ্গ। নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে হৃদয় লিখেছেন, ‘ছোটবেলায় টিভির সামনে বসে দেখা প্রত্যেকটা অসাধারণ মুহুর্তের জন্য ধন্যবাদ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ভাই। সবাই আপনাকে সাইলেন্ট কিলার ডাকলেও, আমাদের বন্ধুমহলে আপনার নাম ছিলো ‘পেইন-কিলার’। এমন অনেক ম্যাচ আছে যেগুলোর শেষ মুহূর্তের স্বস্তি আপনার থেকে উপহার পেয়েছি। আমার দোয়ায় থাকবেন আপনি, যেমনটি সবসময় ছিলেন। অবসর জীবনের জন্য শুভকামনা।’
২০০৭ থেকে শুরু করে ২০২৫ পর্যন্ত ১৮ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে মাহমুদউল্লাহ সতীর্থ হিসেবে অনেক ক্রিকেটারকেই তো পেয়েছেন। বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৮টা ২০ মিনিটে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর তাঁকে নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন সৌম্য সরকার, শরীফুল ইসলামরা। ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টে লিখেছেন, ‘প্যাশন, আত্মনিবেদন ও অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্তের এক যাত্রা। প্রত্যেক রান, উইকেট ও স্মৃতির জন্য কৃতজ্ঞ। ধন্যবাদ কিংবদন্তি।’ শরীফুল ইসলাম নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘অবসর জীবনের শুভকামনা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ভাই। আপনাকে জাতীয় দলে অনেক মিস করব। আপনার পরবর্তী জীবনের জন্য শুভকামনা।’
রিশাদ হোসেন লিখেছেন, ‘একটি যুগের শেষ। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ভাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন। লাল সবুজের জার্সিতে আপনার প্যাশন, আত্মনিবেদন ও অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্তের জন্য ধন্যবাদ। সব সময় আপনি কিংবদন্তি হয়ে থাকবেন।’

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
৫ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
৬ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
৬ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
৭ ঘণ্টা আগে