
ক্যারিয়ারের সোনালি সময় অনেক আগেই পার করেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। তবু খেলার প্রতি টান থাকার জন্য খেলে যাচ্ছেন তিনি। তা না হলে ৪০ বছর বয়সেও বল হাতে নিতেন না বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়ক।
আবার সময়টাও মাশরাফির পক্ষে নয়। কেননা, পুরোনো পায়ের চোটে ভুগছেন তিনি। এই চোটের কারণেই বিপিএলের শুরুর দিকে তাঁর না খেলার কথা ছিল। কিন্তু তিনি শুরু থেকেই খেলছেন। গতকাল সিলেটে হ্যাটট্রিকে হারের পর আবার জানিয়েছেন, পা ঠিক থাকলে সামনের বিপিএলেও তিনি খেলবেন।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেছেন, ‘হতে পারে। আমার পা যদি ঠিক থাকে, হতে পারে। আমি আমার মতো করেই করতে চাই। এ বছর যদি ফুল...সর্বশেষ বছরের মতো যদি ফুল খেলতে পারতাম, তাহলে চিন্তা করব। যেহেতু ফুল করতে পারছি না, আমি চিন্তা করব পরে।’

নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানালেও তাঁকে নিয়ে আলোচনা হোক এমনটা চান না মাশরাফি। বাংলাদেশ ক্রিকেটে যারা অবদান রাখবে, তাদের নিয়েই আলোচনা করা উচিত বলেছেন, ‘আর টপিক শুধু আমার বিষয় না। আপনার লেখার জন্য হয়তো বা... ছয়টা প্রশ্ন পেলাম আমাকে নিয়ে। মাশরাফি এখন বাংলাদেশ ক্রিকেটের কিছু না। আপনাদের চিন্তা করতে হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেটে যারা সামনের ১০ বছর সার্ভিস দেবে, তাদের নিয়ে চিন্তা করতে হবে। মানুষ যা খায়, তা খাওয়াইতে গেলে হবে না। বাংলাদেশ ক্রিকেটে কী উন্নতি হবে, সেগুলো চিন্তা করতে হবে আপনাদেরও। এবং সেগুলোই মানুষকে জানাতে হবে।’
আর তাঁকে নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে মাশরাফি বলেছেন, ‘আমি কোনো দিনও আমার ক্যারিয়ারে পাল্টা আক্রমণ করিনি। এটা আমার অভ্যাস না। অবশ্যই খেলাধুলায় মানুষ ভালোটাই চায়। সব সময় যারা জয়ী হয়, তাদেরই নিয়ে চিন্তা করে, জয়ীদেরই মনে রাখে। এটা খুব স্বাভাবিক। শুধু ক্রিকেটে নয়, জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রেই দেখবেন, যদি আপনি ভালো করেন, সেটাই মানুষ এসে বলবে। খারাপকে কেউ কখনো গ্রহণ করে না। সুতরাং এখানে উত্তর দেওয়ার কিছু নেই। এখানে আমরা যারা খেলছি, তারা চেষ্টা করছি।’

ক্যারিয়ারের সোনালি সময় অনেক আগেই পার করেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা। তবু খেলার প্রতি টান থাকার জন্য খেলে যাচ্ছেন তিনি। তা না হলে ৪০ বছর বয়সেও বল হাতে নিতেন না বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়ক।
আবার সময়টাও মাশরাফির পক্ষে নয়। কেননা, পুরোনো পায়ের চোটে ভুগছেন তিনি। এই চোটের কারণেই বিপিএলের শুরুর দিকে তাঁর না খেলার কথা ছিল। কিন্তু তিনি শুরু থেকেই খেলছেন। গতকাল সিলেটে হ্যাটট্রিকে হারের পর আবার জানিয়েছেন, পা ঠিক থাকলে সামনের বিপিএলেও তিনি খেলবেন।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মাশরাফি বলেছেন, ‘হতে পারে। আমার পা যদি ঠিক থাকে, হতে পারে। আমি আমার মতো করেই করতে চাই। এ বছর যদি ফুল...সর্বশেষ বছরের মতো যদি ফুল খেলতে পারতাম, তাহলে চিন্তা করব। যেহেতু ফুল করতে পারছি না, আমি চিন্তা করব পরে।’

নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জানালেও তাঁকে নিয়ে আলোচনা হোক এমনটা চান না মাশরাফি। বাংলাদেশ ক্রিকেটে যারা অবদান রাখবে, তাদের নিয়েই আলোচনা করা উচিত বলেছেন, ‘আর টপিক শুধু আমার বিষয় না। আপনার লেখার জন্য হয়তো বা... ছয়টা প্রশ্ন পেলাম আমাকে নিয়ে। মাশরাফি এখন বাংলাদেশ ক্রিকেটের কিছু না। আপনাদের চিন্তা করতে হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেটে যারা সামনের ১০ বছর সার্ভিস দেবে, তাদের নিয়ে চিন্তা করতে হবে। মানুষ যা খায়, তা খাওয়াইতে গেলে হবে না। বাংলাদেশ ক্রিকেটে কী উন্নতি হবে, সেগুলো চিন্তা করতে হবে আপনাদেরও। এবং সেগুলোই মানুষকে জানাতে হবে।’
আর তাঁকে নিয়ে সমালোচনার বিষয়ে মাশরাফি বলেছেন, ‘আমি কোনো দিনও আমার ক্যারিয়ারে পাল্টা আক্রমণ করিনি। এটা আমার অভ্যাস না। অবশ্যই খেলাধুলায় মানুষ ভালোটাই চায়। সব সময় যারা জয়ী হয়, তাদেরই নিয়ে চিন্তা করে, জয়ীদেরই মনে রাখে। এটা খুব স্বাভাবিক। শুধু ক্রিকেটে নয়, জীবনের যেকোনো ক্ষেত্রেই দেখবেন, যদি আপনি ভালো করেন, সেটাই মানুষ এসে বলবে। খারাপকে কেউ কখনো গ্রহণ করে না। সুতরাং এখানে উত্তর দেওয়ার কিছু নেই। এখানে আমরা যারা খেলছি, তারা চেষ্টা করছি।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১৪ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩ ঘণ্টা আগে