
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে বিদায় ঘটেছে প্রতাপশালী নাজমুল হাসান পাপনের। দীর্ঘ ১২ বছর বিসিবির সভাপতির পদ থেকে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। পাপনের জায়গায় সভাপতি পদে এসেছেন ফারুক আহমেদ।
পাপনের পদত্যাগ এবং বিসিবির সভাপতি পদে ফারুকের আসা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে আলোচনা চলছিল। পাপনের জায়গায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম পছন্দই ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার হিসেবে বিসিবির সভাপতি হয়েছেন ফারুক। বিসিবির ১৫তম সভাপতি তিনি। তাঁর ব্যক্তিত্ব, ক্রিকেট জ্ঞান ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সব সময়ই প্রশংসনীয় ছিল। আপাতত ফারুক বিসিবির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে আগামী অক্টোবর পর্যন্ত বোর্ডের নতুন নির্বাচন হওয়ার আগ পর্যন্ত কাজ করবেন।
১৯৯৪ আইসিসি ট্রফি বাংলাদেশ খেলতে গিয়েছিল তাঁরই নেতৃত্বে। বিসিবিতে কাজ করা সাবেক অধিনায়ক ফারুকের জন্য নতুন নয়। ২০০৩ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ফারুক জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর প্রথম মেয়াদ ছিল সাফল্যময়। তিনি প্রধান নির্বাচক থাকাকালীন বাংলাদেশ ২০০৫ সালে কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছিল এবং ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়ে প্রথম পর্বের গণ্ডি পেরিয়েছিল। সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবল, মুশফিকুর রহিমের মতো দেশের উজ্জ্বল সব তারকার আগমন তিনি প্রধান নির্বাচক থাকার সময়েই।
আকরাম খানের পদত্যাগের পর থেকে শূন্য পড়ে থাকা বিসিবির প্রধান নির্বাচকের পদটি ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে দ্বিতীয়বারের মতো অলংকৃত করেন ফারুক। ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত এ দায়িত্ব চালিয়ে যান তিনি। এ সময়েও বাংলাদেশ দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের সেরা সময় কাটায়। তবে বিতর্কিত দ্বিস্তরবিশিষ্ট দল নির্বাচন পদ্ধতির প্রতিবাদে ফারুক ২০১৬ সালের জুনে প্রধান নির্বাচকের পদ থেকে সরে দাঁড়ান।
বাংলাদেশের প্রধান কোচ হিসেবে চন্ডিকা হাথুরুসিংহে প্রথম মেয়াদে এসেই পরামর্শ দিয়েছিলেন বিসিবিতে দুই স্তরের নির্বাচক কমিটি গঠনের। যেখানে কোচেরও ভূমিকা থাকবে দল নির্বাচনে। হাথুরুর পরামর্শ মেনে পাপন এই পদ্ধতি চালু করতে চাইলে ফারুক তা মেনে নেননি। তিনি মনে করেন, কোচ করবেন কোচের কাজ, নির্বাচকের কাজ দল নির্বাচন করা। ফারুক কতটা ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ছিলেন, তাঁর এই সিদ্ধান্তেই বোঝা গেছে। তিনি সব সময় সোচ্চার আর প্রতিবাদী কণ্ঠ ছিলেন পাপনদের যেকোনো বিতর্কিত কার্যক্রমে। ৮ বছর পর সেই ফারুক আবারও বিসিবিতে ফিরলেন, সেটিও একেবারে বোর্ড প্রধান হয়ে।

ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
১ ঘণ্টা আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
৩ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি সাবলীল হাসান মাহমুদ। পেস, সুইংয়ে ব্যাটারদের কাবু করেন নিয়মিতই। অস্ট্রেলিয়ায় এবার প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই আগুন ঝড়াচ্ছেন হাসান। ছুঁয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার রেকর্ড। হাসানের সামনে এখন কেবল শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তাসকিন আহমেদ।
৪ ঘণ্টা আগে