নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজে এবারের সফরে জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ। গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। টস হেরে আগে ব্যাটিং করে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানে থামে ক্যারিবীয়রা।
১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে বেগ পেতে হয়নি বাংলাদেশকে। ৯.২ ওভার হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তামিম ইকবালের দল। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ রান করে অপরাজিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাঁর সঙ্গী নুরুল হাসান সোহান অপরাজিত ছিলেন ২০ রানে। বৃষ্টিতে মাঠ ভেজা থাকায় দেরিতে খেলা শুরু হয়। ফলে ইনিংসপ্রতি ৪১ ওভারে নেমে আসে ম্যাচ।
শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ৯ রানের মাথায় আউট হন লিটন দাস। ব্যক্তিগত ১ রানে বাঁহাতি স্পিনার আকিল হোসেনের বলে এলবিডব্লুর শিকার হন লিটন। দ্রুত ওপেনিং জুটি ভাঙার পর তামিমের সঙ্গে দলকে এগিয়ে নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে তামিমের রান আউটে ভাঙে দুজনের ৪০ রানের জুটি। শান্তর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ৩৩ রানে অ্যান্ডারসন ফিলিপের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হন তামিম।
তামিমের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি শান্ত। ব্যক্তিগত ৩৭ রানে গুড়াকেশ মোতির বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ধরা পড়েন। এরপর দ্রুতই ফিরে যান আফিফ হোসেন (৯)। সোহানকে নিয়ে দলের জয়ের বাকি কাজটা সারেন মাহমুদউল্লাহ। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটি থেকে আসে ৪০ রান।
এর আগে টস হেরে বাংলাদেশকে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিজেদের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় তারা। প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজুর রহমান। শাই হোপকে শূন্য রানে ইনসাইড এজে বোল্ড করেন। ইনিংসের প্রথম ওভারে অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ খরচ করেন মাত্র ১ রান। পরের ওভারে নেন মেডেন। ওভারের শেষ বলে এলবিডব্লুর আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দিলেও রিভিউ নিয়ে বাঁচেন শামার ব্রুকস।
যদিও টিভি রিপ্লেতে দেখানো আলট্রা এজ নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল না বাংলাদেশ। এদিন বেশ কিপটে বোলিং করেন নাসুম। ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারে দেন ২ রান। চতুর্থ ওভার আবার মেডেন। পাওয়ার প্লের ৮ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোরবোর্ডে রান ১ উইকেটে ২৬। ব্যক্তিগত পঞ্চম ওভারটিও মেডেন নেন নাসুম। ১২তম ওভারে নিজের দ্বিতীয় স্পেলে কাইল মেয়ার্সকে (১০) বোল্ড করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ২১তম ওভারে টানা দুই বলে ওপেনার ব্রেন্ডন কিং (৮) ও ব্রুকসকে ( ৩) ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক সম্ভাবনা জাগান শরীফুল। ডাবল উইকেট মেডেন নিয়ে ৪ উইকেটে ৫৫ রানে পরিণত করেন স্বাগতিকদের।
এদিন বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি-টোয়েন্টি সিরিজে উজ্জ্বল অধিনায়ক পুরান ও রভম্যান পাওয়েলও ব্যর্থতার গল্প লেখেন। পাওয়েলকে ১১ বলে ৯ রানে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন মিরাজ। নিজের শেষ ওভার করতে এসে বোল্ড করেন পুরানকেও (১৮)। দলীয় ১০০ রানের আগেই ৭ উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেষ পর্যন্ত থামে ১৪৯ রানে। যদিও জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না এই রান।

অবশেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজে এবারের সফরে জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ। গায়ানার প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে প্রথম ওয়ানডেতে স্বাগতিকদের ৬ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। টস হেরে আগে ব্যাটিং করে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানে থামে ক্যারিবীয়রা।
১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে বেগ পেতে হয়নি বাংলাদেশকে। ৯.২ ওভার হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় তামিম ইকবালের দল। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪১ রান করে অপরাজিত ছিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাঁর সঙ্গী নুরুল হাসান সোহান অপরাজিত ছিলেন ২০ রানে। বৃষ্টিতে মাঠ ভেজা থাকায় দেরিতে খেলা শুরু হয়। ফলে ইনিংসপ্রতি ৪১ ওভারে নেমে আসে ম্যাচ।
শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ৯ রানের মাথায় আউট হন লিটন দাস। ব্যক্তিগত ১ রানে বাঁহাতি স্পিনার আকিল হোসেনের বলে এলবিডব্লুর শিকার হন লিটন। দ্রুত ওপেনিং জুটি ভাঙার পর তামিমের সঙ্গে দলকে এগিয়ে নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে তামিমের রান আউটে ভাঙে দুজনের ৪০ রানের জুটি। শান্তর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে ৩৩ রানে অ্যান্ডারসন ফিলিপের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হন তামিম।
তামিমের বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি শান্ত। ব্যক্তিগত ৩৭ রানে গুড়াকেশ মোতির বলে নিকোলাস পুরানের হাতে ধরা পড়েন। এরপর দ্রুতই ফিরে যান আফিফ হোসেন (৯)। সোহানকে নিয়ে দলের জয়ের বাকি কাজটা সারেন মাহমুদউল্লাহ। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটি থেকে আসে ৪০ রান।
এর আগে টস হেরে বাংলাদেশকে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিজেদের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই উইকেট হারায় তারা। প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন মোস্তাফিজুর রহমান। শাই হোপকে শূন্য রানে ইনসাইড এজে বোল্ড করেন। ইনিংসের প্রথম ওভারে অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ খরচ করেন মাত্র ১ রান। পরের ওভারে নেন মেডেন। ওভারের শেষ বলে এলবিডব্লুর আবেদনে আম্পায়ার সাড়া দিলেও রিভিউ নিয়ে বাঁচেন শামার ব্রুকস।
যদিও টিভি রিপ্লেতে দেখানো আলট্রা এজ নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল না বাংলাদেশ। এদিন বেশ কিপটে বোলিং করেন নাসুম। ব্যক্তিগত তৃতীয় ওভারে দেন ২ রান। চতুর্থ ওভার আবার মেডেন। পাওয়ার প্লের ৮ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্কোরবোর্ডে রান ১ উইকেটে ২৬। ব্যক্তিগত পঞ্চম ওভারটিও মেডেন নেন নাসুম। ১২তম ওভারে নিজের দ্বিতীয় স্পেলে কাইল মেয়ার্সকে (১০) বোল্ড করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ২১তম ওভারে টানা দুই বলে ওপেনার ব্রেন্ডন কিং (৮) ও ব্রুকসকে ( ৩) ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক সম্ভাবনা জাগান শরীফুল। ডাবল উইকেট মেডেন নিয়ে ৪ উইকেটে ৫৫ রানে পরিণত করেন স্বাগতিকদের।
এদিন বাংলাদেশের বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টি-টোয়েন্টি সিরিজে উজ্জ্বল অধিনায়ক পুরান ও রভম্যান পাওয়েলও ব্যর্থতার গল্প লেখেন। পাওয়েলকে ১১ বলে ৯ রানে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন মিরাজ। নিজের শেষ ওভার করতে এসে বোল্ড করেন পুরানকেও (১৮)। দলীয় ১০০ রানের আগেই ৭ উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেষ পর্যন্ত থামে ১৪৯ রানে। যদিও জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না এই রান।

বিগ ব্যাশে নিজের উদ্বোধনী মৌসুমে দুর্দান্ত খেলছেন রিশাদ হোসেন। লেগস্পিন ভেলকিতে ব্যাটারদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিচ্ছেন তিনি। তাঁর খেলা দেখতে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা হয়তো বেলা আড়াইটার দিকে টিভি সেটের সামনে বসে ছিলেন। কিন্তু হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে বেরসিক বৃষ্টির বাগড়ায় খেলা সময়মতো শুরু করা যায়নি।
২২ মিনিট আগে
ভারতীয় ক্রিকেট দল যেন ড্যারিল মিচেলের ‘সবচেয়ে প্রিয়’ প্রতিপক্ষ। শুধু ভারতীয় দলই কেন, আইপিএলে খেলার কারণে ভারতের কন্ডিশনও তাঁর ভালোই চেনা। সদ্য সমাপ্ত ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ নিউজিল্যান্ড জিতেছে মিচেলের অসাধারণ ব্যাটিংয়েই।
১ ঘণ্টা আগে
মিরপুরে গতকাল রাতে প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সরাসরি ফাইনালের টিকিট কেটেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। আজ চূড়ান্ত হবে ফাইনালের লাইনআপ। বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুরে শুরু হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের সিলেট টাইটানস-রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ম্যাচ।
২ ঘণ্টা আগে
২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) দারুণ সময় পার করছেন শেখ মেহেদী হাসান। নেতৃত্ব কিংবা ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স–সবকিছুতেই দুর্দান্ত এই স্পিনিং অলরাউন্ডার। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁকে ‘গরীবের সাকিব আল হাসান’ বলেও আখ্যা দিচ্ছেন অনেকেই।
২ ঘণ্টা আগে