নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ওয়ানডেতে তাওহীদ হৃদয়ের শুরুটা হয়েছিল স্বপ্নের মতো। ৫০ ছুঁই ছুঁই গড় নিয়ে খেলতে গিয়েছিলেন এশিয়া কাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ব্যর্থতার মতো তেমন একটা হাসেনি তাঁর ব্যাটও। এশিয়া কাপের পারফরম্যান্স যেমনই হোক, চন্ডিকা হাথুরুসিংহে তাঁকে (হৃদয়) স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে বলেছেন।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে এবারের টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল বাংলাদেশ। পাল্লেকেলেতে সেই ম্যাচে ৪১ বলে কোনো রকম বাউন্ডারি ছাড়াই করেন ২১ রান। পরের ম্যাচে লাহোরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৮৯ রানে জিতলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। সুপার ফোরে পাকিস্তানের বিপক্ষেও এক অঙ্কের ঘরে আউট হয়েছেন। তাতে কলম্বোর প্রেমাদাসায় সুপার ফোরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটা হয়ে দাঁড়ায় বাঁচা-মরার ম্যাচ। সেরাটা যেন সেই ম্যাচের জন্য জমিয়ে রেখেছিলেন। তবে সেই ম্যাচে ৯৭ বলে ৮২ রান করলেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। সাকিবদের দলের ফাইনাল খেলার আশা কার্যত সেখানেই শেষ হয়ে যায়।
কলম্বোর প্রেমাদাসায় পরশু সুপার ফোরের শেষ ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি শুধুই আনুষ্ঠানিকতার। পাঁচ দিনের বিরতিতে আজই বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এসেছে মাঠে। খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথাবার্তা বসেন বাংলাদেশ কোচ হাথুরুসিংহে। কোচের সঙ্গে কী আলাপ আলোচনা হয়েছে, সে ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হয় হৃদয়কে। আজ বিকেলে কলম্বোর টিম হোটেলে সাংবাদিকদের বাংলাদেশের এই ব্যাটার বলেছেন, ‘সবার সঙ্গে এক এক করে বসেছিলেন। কার সঙ্গে কী কথা হয়েছে, আমার বলা সম্ভব না। আমার সঙ্গে যতটুকু কথা হয়েছে সব সময় যেটা বলেন, সাহস নিয়ে খেলতে। যেটা আমি খেলি। প্রতি ম্যাচে রান পাবা না, পারফর্ম করবা না। কিন্তু নিজের খেলার ধরন বদলাবে না।’
এশিয়া কাপ খেলতে যাওয়ার আগে হৃদয় খেলেছেন ৯ ম্যাচ। ৯ ম্যাচে ৪৮.২৮ গড়ে ৩ ফিফটিতে করেছিলেন ৩৩৮ রান। যার মধ্যে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ ম্যাচে করেন ২৪৯ রান আর ৩ ম্যাচ খেলেছেন আফগানদের বিপক্ষে করেন ৮৯ রান। সেখানে এবারের এশিয়া কাপে ৪ ম্যাচে ২৬ গড়ে করেছেন ১০৪ রান। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আর এশিয়া কাপের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পেরেছেন হৃদয়। বাংলাদেশের এই ব্যাটার বলেন, ‘এখানে আরও ভালো প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েছি। অনেক অভিজ্ঞ বোলারের বিপক্ষে খেলেছি। পরিবেশ পরিস্থিতি আলাদা থাকে। খেলোয়াড় হিসেবে মনে করি প্রতিটি দিন, প্রতি ম্যাচ, প্রতি বল একই মনে হয়। কে প্রতিপক্ষ সেটা না দেখে বল দেখে খেলার চেষ্টা করি। সেটা হতে পারে বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ কিংবা ছোট সিরিজ।’

ওয়ানডেতে তাওহীদ হৃদয়ের শুরুটা হয়েছিল স্বপ্নের মতো। ৫০ ছুঁই ছুঁই গড় নিয়ে খেলতে গিয়েছিলেন এশিয়া কাপ। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ব্যর্থতার মতো তেমন একটা হাসেনি তাঁর ব্যাটও। এশিয়া কাপের পারফরম্যান্স যেমনই হোক, চন্ডিকা হাথুরুসিংহে তাঁকে (হৃদয়) স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে বলেছেন।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে এবারের টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল বাংলাদেশ। পাল্লেকেলেতে সেই ম্যাচে ৪১ বলে কোনো রকম বাউন্ডারি ছাড়াই করেন ২১ রান। পরের ম্যাচে লাহোরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৮৯ রানে জিতলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। সুপার ফোরে পাকিস্তানের বিপক্ষেও এক অঙ্কের ঘরে আউট হয়েছেন। তাতে কলম্বোর প্রেমাদাসায় সুপার ফোরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটা হয়ে দাঁড়ায় বাঁচা-মরার ম্যাচ। সেরাটা যেন সেই ম্যাচের জন্য জমিয়ে রেখেছিলেন। তবে সেই ম্যাচে ৯৭ বলে ৮২ রান করলেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। সাকিবদের দলের ফাইনাল খেলার আশা কার্যত সেখানেই শেষ হয়ে যায়।
কলম্বোর প্রেমাদাসায় পরশু সুপার ফোরের শেষ ম্যাচ ভারতের বিপক্ষে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের জন্য ম্যাচটি শুধুই আনুষ্ঠানিকতার। পাঁচ দিনের বিরতিতে আজই বাংলাদেশ ক্রিকেট দল এসেছে মাঠে। খেলোয়াড়দের সঙ্গে কথাবার্তা বসেন বাংলাদেশ কোচ হাথুরুসিংহে। কোচের সঙ্গে কী আলাপ আলোচনা হয়েছে, সে ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হয় হৃদয়কে। আজ বিকেলে কলম্বোর টিম হোটেলে সাংবাদিকদের বাংলাদেশের এই ব্যাটার বলেছেন, ‘সবার সঙ্গে এক এক করে বসেছিলেন। কার সঙ্গে কী কথা হয়েছে, আমার বলা সম্ভব না। আমার সঙ্গে যতটুকু কথা হয়েছে সব সময় যেটা বলেন, সাহস নিয়ে খেলতে। যেটা আমি খেলি। প্রতি ম্যাচে রান পাবা না, পারফর্ম করবা না। কিন্তু নিজের খেলার ধরন বদলাবে না।’
এশিয়া কাপ খেলতে যাওয়ার আগে হৃদয় খেলেছেন ৯ ম্যাচ। ৯ ম্যাচে ৪৮.২৮ গড়ে ৩ ফিফটিতে করেছিলেন ৩৩৮ রান। যার মধ্যে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ ম্যাচে করেন ২৪৯ রান আর ৩ ম্যাচ খেলেছেন আফগানদের বিপক্ষে করেন ৮৯ রান। সেখানে এবারের এশিয়া কাপে ৪ ম্যাচে ২৬ গড়ে করেছেন ১০৪ রান। দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আর এশিয়া কাপের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পেরেছেন হৃদয়। বাংলাদেশের এই ব্যাটার বলেন, ‘এখানে আরও ভালো প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েছি। অনেক অভিজ্ঞ বোলারের বিপক্ষে খেলেছি। পরিবেশ পরিস্থিতি আলাদা থাকে। খেলোয়াড় হিসেবে মনে করি প্রতিটি দিন, প্রতি ম্যাচ, প্রতি বল একই মনে হয়। কে প্রতিপক্ষ সেটা না দেখে বল দেখে খেলার চেষ্টা করি। সেটা হতে পারে বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ কিংবা ছোট সিরিজ।’

মোস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে বাদ পড়া নিয়ে জল কম ঘোলা হচ্ছে না। এই ইস্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বলে আইসিসিকে চিঠি দিয়েছে বিসিবি। এরপর থেকেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরই মাঝে নতুন করে আলোচনায় এলেন মোস্তাফিজ। সেটা মাঠের পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি দিয়ে
১৫ মিনিট আগে
ইএসপিএনক্রিকইনফোসহ ভারতের আরও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, টি-টোয়েন্ট বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ডেডলাইন ঠিক করে দিয়েছে আইসিসি। তবে বিষয়টির সত্যতা নেই বলে জানিয়েছেন বিসিবির বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান আমজাদ হোসেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজ আর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলছে একই সমান্তরালে। ওয়ানডে সিরিজ শেষে দুই দল এবার মুখোমুখি হবে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। তবে জিমি নিশামের কাছে ভারত সিরিজের চেয়ে বিপিএলের গুরুত্ব বেশি।
৪ ঘণ্টা আগে
নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে কোনোভাবেই ভারতে দল পাঠাবে না সংস্থাটি। শেষ পর্যন্ত বিসিবি নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে আইসিসিও বিকল্প ভেবে রেখেছে। আইসিসির সূত্রের বরাত দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে এএফপি।
৫ ঘণ্টা আগে