
অপেক্ষাটা অবশেষে ফুরাল আয়ারল্যান্ডের। টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয়ের অপেক্ষা। আইরিশদের ঐতিহাসিক জয়টা এসেছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। আজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের টলারেন্স স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্টে প্রতিপক্ষকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে তারা।
নিজেদের অষ্টম টেস্টে এসে জয় পেয়েছে আইরিশরা। এর আগে ৭ টেস্টের প্রতিটিতেই হেরেছে তারা। আইরিশদের ঐতিহাসিক জয়টা এসেছে টেস্টের মাত্র তৃতীয় দিনে। ১১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে অবশ্য শুরুটা ভালো ছিল না তাদের। দলীয় ৮ রানের সময় কোনো রান না করেই ফিরে যান পিটার মুর। তবে আরেক ওপেনার অ্যান্ড্রু বালবির্নি জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন।
জয়ের আগে অবশ্য বড়সড় একটা ধাক্কাই খেয়েছিল আইরিশরা। দলীয় ১৩ রানে ৩ উইকেটে হারিয়ে বসে তারা। চতুর্থ উইকেটে পল স্টার্লিংয়ের সঙ্গে ২৬ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামলান অধিনায়ক বালবির্নি। ব্যক্তিগত ১৪ রানে স্টার্লিং আউট হলে জয়ের বাকি কাজ সারেন লোরকান টাকারের সঙ্গে। অপরাজিত ৭২ রানের জুটি গড়ে আইরিশদের রেকর্ড জয় এনে দেন টাকার-বালবির্নি।
দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ৯৬ বলে ৯৮ রান করেছেন বালবির্নি। আর তাঁর সঙ্গী টাকার ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন। তার আগে ৩ উইকেটে ১৩৪ রানে দিন শুরু করা আফগানিস্তান ২১৮ রানে শেষ হয়। গত দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার হাশমতউল্লাহ শহীদি ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ তৃতীয় দিনের শুরুটা নিশ্চয়ই বড় আশা নিয়ে করেছিলেন। তবে তাঁদের আশায় বাদ সাধে মার্ক অ্যাডায়ার। গত দিনের রানের সঙ্গে আজ ২ রান যোগ করেই আইরিশ পেসারের বলে ৫৫ রানে ফিরে যান অধিনায়ক শহীদি। এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে তারা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রান করা গুরবাজ সপ্তম ব্যাটার হিসেবে আউট হলে ২০০ রান হবে কিনা তা নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
গুরবাজ যখন আউট হন তখন আফগানিস্তানের রান ছিল ৭ উইকেটে ১৭৪। সেখান থেকে দলকে ২১৮ রান এনে দেন অষ্টম উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়া জিয়া-উর-রেহমান (১৩) এবং নাভিদ জাদরান (২৫)। আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন অ্যাডায়ার, বারি ম্যাককার্থি এবং ক্রেইগ ইয়ং। এর আগে আফগানিস্তানের ১৫৫ রানের বিপরীতে প্রথম ইনিংসে ২৬৩ রান করেছিল আয়ারল্যান্ড। ১০৮ রানের লিডটাই মূলত আয়ারল্যান্ডের জয়ে অবদান রেখেছিল। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন অ্যাডায়ার।

অপেক্ষাটা অবশেষে ফুরাল আয়ারল্যান্ডের। টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয়ের অপেক্ষা। আইরিশদের ঐতিহাসিক জয়টা এসেছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। আজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের টলারেন্স স্টেডিয়ামে একমাত্র টেস্টে প্রতিপক্ষকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে তারা।
নিজেদের অষ্টম টেস্টে এসে জয় পেয়েছে আইরিশরা। এর আগে ৭ টেস্টের প্রতিটিতেই হেরেছে তারা। আইরিশদের ঐতিহাসিক জয়টা এসেছে টেস্টের মাত্র তৃতীয় দিনে। ১১১ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে অবশ্য শুরুটা ভালো ছিল না তাদের। দলীয় ৮ রানের সময় কোনো রান না করেই ফিরে যান পিটার মুর। তবে আরেক ওপেনার অ্যান্ড্রু বালবির্নি জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন।
জয়ের আগে অবশ্য বড়সড় একটা ধাক্কাই খেয়েছিল আইরিশরা। দলীয় ১৩ রানে ৩ উইকেটে হারিয়ে বসে তারা। চতুর্থ উইকেটে পল স্টার্লিংয়ের সঙ্গে ২৬ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামলান অধিনায়ক বালবির্নি। ব্যক্তিগত ১৪ রানে স্টার্লিং আউট হলে জয়ের বাকি কাজ সারেন লোরকান টাকারের সঙ্গে। অপরাজিত ৭২ রানের জুটি গড়ে আইরিশদের রেকর্ড জয় এনে দেন টাকার-বালবির্নি।
দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে ৯৬ বলে ৯৮ রান করেছেন বালবির্নি। আর তাঁর সঙ্গী টাকার ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন। তার আগে ৩ উইকেটে ১৩৪ রানে দিন শুরু করা আফগানিস্তান ২১৮ রানে শেষ হয়। গত দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার হাশমতউল্লাহ শহীদি ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ তৃতীয় দিনের শুরুটা নিশ্চয়ই বড় আশা নিয়ে করেছিলেন। তবে তাঁদের আশায় বাদ সাধে মার্ক অ্যাডায়ার। গত দিনের রানের সঙ্গে আজ ২ রান যোগ করেই আইরিশ পেসারের বলে ৫৫ রানে ফিরে যান অধিনায়ক শহীদি। এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে তারা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৬ রান করা গুরবাজ সপ্তম ব্যাটার হিসেবে আউট হলে ২০০ রান হবে কিনা তা নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছিল।
গুরবাজ যখন আউট হন তখন আফগানিস্তানের রান ছিল ৭ উইকেটে ১৭৪। সেখান থেকে দলকে ২১৮ রান এনে দেন অষ্টম উইকেটে ৩২ রানের জুটি গড়া জিয়া-উর-রেহমান (১৩) এবং নাভিদ জাদরান (২৫)। আয়ারল্যান্ডের হয়ে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন অ্যাডায়ার, বারি ম্যাককার্থি এবং ক্রেইগ ইয়ং। এর আগে আফগানিস্তানের ১৫৫ রানের বিপরীতে প্রথম ইনিংসে ২৬৩ রান করেছিল আয়ারল্যান্ড। ১০৮ রানের লিডটাই মূলত আয়ারল্যান্ডের জয়ে অবদান রেখেছিল। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন অ্যাডায়ার।

অ্যাশেজে মাঠের লড়াইয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে রীতিমতো উড়ে গেছে ইংল্যান্ড। ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ হারই বলে দিচ্ছে সবকিছু। বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা তো হচ্ছেই। মাঠের বাইরের ঘটনা নিয়েও চলছে নানা আলাপ-আলোচনা।
১১ মিনিট আগে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) বড় বা ভালো মানের বিদেশি তারকা ক্রিকেটারের সংকট নতুন কিছু নয়। মঈন আলী, মোহাম্মদ নবি, জিমি নিশাম, আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের মতো হাতে গোনা কয়েকজন বিদেশি তারকা ২০২৬ বিপিএলে থাকলেও তাতে টুর্নামেন্টের জৌলুশ বাড়ছে না। এমনও কিছু কিছু ক্রিকেটার আছেন
১ ঘণ্টা আগে
ক্যারিয়ারের শেষ দিকে এসেও ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে আছেন বিরাট কোহলি। টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ছেড়ে এখন কেবল ওয়ানডে ক্রিকেট চালিয়ে যাচ্ছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। এক সংস্করণেই দিয়েই নিয়মিত আসছেন আলোচনায়। সবশেষ খবর, সাড়ে ৪ বছর পর ওয়ানডে ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ফিরেছেন কোহলি।
১ ঘণ্টা আগে
উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি জিততে চেষ্টার কমতি ছিল না পিএসজির। ক্লাব পর্যায়ে ইউরোপের সেরা হতে লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো সেরা তারকাদের দলে ভিড়িয়েছিল প্যারিসিয়ানরা। এজন্য কাতারি মালিকানাধীন দলটিকে ঢালতে হয়েছে কাড়ি কাড়ি টাকা। তবে মেসি, এমবাপ্পে, নেইমারদের মতো ফুটবলারদের অধীনে চ্যাম
২ ঘণ্টা আগে