
অর্থের ঝনঝনানি, রানের বন্যা—আইপিএলকে ‘পাখির চোখ’ করেন বিশ্বের অনেক তারকা ক্রিকেটার। হাউজফুল স্টেডিয়ামে একের পর এক ছক্কা গ্যালারিতে যখন আছড়ে পড়ে, তখন শোনা যায় দর্শকদের গর্জন। ভারতীয় এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের ছক্কার রেকর্ডও আজ প্রায় ভাঙতে বসেছিল।
সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) আজ বাংলাদেশ সময় ভোরে রীতিমতো হয়েছে ছক্কাবৃষ্টি। সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস প্যাটরিয়টস-গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়রর্স ম্যাচে রান হয়েছে ৪৯২। যেখানে বাউন্ডারি থেকেই এসেছে ৩৬০ রান। ছক্কা হয়েছে ৪২টি। যা ছেলেদের স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচে যৌথভাবে সর্বোচ্চ।কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে এ বছরের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স-পাঞ্জাব কিংস ম্যাচে হয়েছে ৪২ ছক্কা।
ওয়ার্নার পার্কে আজ টস জিতে গায়ানা অধিনায়ক ইমরান তাহির যে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটাই যথার্থ বলে ম্যাচ শেষে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি ব্যাটিং করতে না পারলেও সতীর্থরা তান্ডব চালিয়েছেন সেন্ট কিটস এন্ড নেভিসের বোলারদের ওপর দিয়ে। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৬৬ রান করেছে গায়ানা। ইনিংসে হয়েছে ২৩ ছক্কা। যার মধ্যে শিমরন হেটমেয়ার ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ মেরেছেন ১১ ও ৬ ছক্কা। ছক্কাবৃষ্টির ম্যাচে অল্পের জন্য সেঞ্চুরিটা হলো না হেটমেয়ারের। ক্যারিবীয় এই বাঁহাতি ব্যাটার ৩৯ বলে করেছেন ৯১ রান। কোনো চার নেই তাঁর ইনিংসে। ওপেনার গুরবাজ করেছেন ৩৭ বলে ৬৯ রান।
ছক্কাবৃষ্টির ম্যাচে সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস হেরে গেছে ৪০ রানে। ১৮ ওভারে দলটি অলআউট হয়েছে ২২৬ রানে। ৪২ ছক্কার পাশাপাশি ম্যাচে চার হয়েছে ২৭টি। সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস মেরেছে ১৯ ছক্কা। তাদের অধিনায়ক আন্দ্রে ফ্লেচার পাল্টা আক্রমণ করেছেন গায়ানার বোলারদের। ৩৩ বলে ৪ চার ও ৯ ছক্কায় ৮১ রান করেন তিনি। ম্যাচসেরা হয়েছেন ঝড় তোলা হেটমেয়ার।
২০২৪ সালটা যে টি-টোয়েন্টিতে ছক্কার বছর, সেটাই নতুন করে আবার মনে করাল আজকের সিপিএল ম্যাচ। ছক্কার রেকর্ডে সেরা ছয়ের মধ্যে প্রথম চারটিই এ বছরের। এই তালিকায় তিন ও চারে থাকা ম্যাচ দুটিতে হয়েছে ৩৮টি করে ছক্কা। এই দুটি ঘটেছে ২০২৪ আইপিএলে। দুই ম্যাচেই জড়িয়ে আছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের নাম।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কা
ছক্কা ম্যাচ সাল
৪২ কলকাতা-পাঞ্জাব ২০২৪
৪২ সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস-গায়ানা ২০২৪
৩৮ হায়দরাবাদ-মুম্বাই ২০২৪
৩৮ বেঙ্গালুরু-হায়দরাবাদ ২০২৪
৩৭ বালখ-কাবুল ২০১৮
৩৭ সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস-জ্যামাইকা ২০১৯
*৫ সেপ্টেম্বর,২০২৪ পর্যন্ত

অর্থের ঝনঝনানি, রানের বন্যা—আইপিএলকে ‘পাখির চোখ’ করেন বিশ্বের অনেক তারকা ক্রিকেটার। হাউজফুল স্টেডিয়ামে একের পর এক ছক্কা গ্যালারিতে যখন আছড়ে পড়ে, তখন শোনা যায় দর্শকদের গর্জন। ভারতীয় এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের ছক্কার রেকর্ডও আজ প্রায় ভাঙতে বসেছিল।
সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) আজ বাংলাদেশ সময় ভোরে রীতিমতো হয়েছে ছক্কাবৃষ্টি। সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস প্যাটরিয়টস-গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়রর্স ম্যাচে রান হয়েছে ৪৯২। যেখানে বাউন্ডারি থেকেই এসেছে ৩৬০ রান। ছক্কা হয়েছে ৪২টি। যা ছেলেদের স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচে যৌথভাবে সর্বোচ্চ।কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে এ বছরের আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স-পাঞ্জাব কিংস ম্যাচে হয়েছে ৪২ ছক্কা।
ওয়ার্নার পার্কে আজ টস জিতে গায়ানা অধিনায়ক ইমরান তাহির যে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটাই যথার্থ বলে ম্যাচ শেষে প্রমাণিত হয়েছে। তিনি ব্যাটিং করতে না পারলেও সতীর্থরা তান্ডব চালিয়েছেন সেন্ট কিটস এন্ড নেভিসের বোলারদের ওপর দিয়ে। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৬৬ রান করেছে গায়ানা। ইনিংসে হয়েছে ২৩ ছক্কা। যার মধ্যে শিমরন হেটমেয়ার ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ মেরেছেন ১১ ও ৬ ছক্কা। ছক্কাবৃষ্টির ম্যাচে অল্পের জন্য সেঞ্চুরিটা হলো না হেটমেয়ারের। ক্যারিবীয় এই বাঁহাতি ব্যাটার ৩৯ বলে করেছেন ৯১ রান। কোনো চার নেই তাঁর ইনিংসে। ওপেনার গুরবাজ করেছেন ৩৭ বলে ৬৯ রান।
ছক্কাবৃষ্টির ম্যাচে সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস হেরে গেছে ৪০ রানে। ১৮ ওভারে দলটি অলআউট হয়েছে ২২৬ রানে। ৪২ ছক্কার পাশাপাশি ম্যাচে চার হয়েছে ২৭টি। সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস মেরেছে ১৯ ছক্কা। তাদের অধিনায়ক আন্দ্রে ফ্লেচার পাল্টা আক্রমণ করেছেন গায়ানার বোলারদের। ৩৩ বলে ৪ চার ও ৯ ছক্কায় ৮১ রান করেন তিনি। ম্যাচসেরা হয়েছেন ঝড় তোলা হেটমেয়ার।
২০২৪ সালটা যে টি-টোয়েন্টিতে ছক্কার বছর, সেটাই নতুন করে আবার মনে করাল আজকের সিপিএল ম্যাচ। ছক্কার রেকর্ডে সেরা ছয়ের মধ্যে প্রথম চারটিই এ বছরের। এই তালিকায় তিন ও চারে থাকা ম্যাচ দুটিতে হয়েছে ৩৮টি করে ছক্কা। এই দুটি ঘটেছে ২০২৪ আইপিএলে। দুই ম্যাচেই জড়িয়ে আছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের নাম।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ছক্কা
ছক্কা ম্যাচ সাল
৪২ কলকাতা-পাঞ্জাব ২০২৪
৪২ সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস-গায়ানা ২০২৪
৩৮ হায়দরাবাদ-মুম্বাই ২০২৪
৩৮ বেঙ্গালুরু-হায়দরাবাদ ২০২৪
৩৭ বালখ-কাবুল ২০১৮
৩৭ সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস-জ্যামাইকা ২০১৯
*৫ সেপ্টেম্বর,২০২৪ পর্যন্ত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
২ ঘণ্টা আগে