ক্রীড়া ডেস্ক

জিম্বাবুয়ে আর সিলেট দুটোই যেন প্রিয় তাইজুল ইসলামের। টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৪১টি করে উইকেট শিকার করেছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। কাল থেকে সিলেটে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের প্রথম টেস্ট। সবকিছু ঠিক থাকলে অভিজ্ঞ তাইজুলকেও দেখা যেতে পারে একাদশে।
মাঠে নামলে দারুণ এক রেকর্ডের হাতছানি তাইজুলের সামনে। ‘সুইং অব সুলতান’ খ্যাত ওয়াসিম আকরামকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ এই অভিজ্ঞ স্পিনারের সামনে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের রেকর্ড আগে নিজের করে নিয়েছেন তিনি। দলটির সঙ্গে ৬ টেস্টে ১২ ইনিংসে তাইজুল নিয়েছেন ৪১ উইকেট।
সব দল মিলিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে উইকেট শিকারির তালিকায় পাঁচ নম্বরে তাইজুল। তবে চলতি সিরিজে তালিকায় নিজের নামটা আরও কয়েক ধাপ ওপরে তোলার সুযোগ তাঁর সামনে। পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শিকার করেছেন ১০ টেস্টে ১৮ ইনিংসে ৪৭ উইকেট। তালিকায় তিনি আছেন চার নম্বরে। চলতি সিরিজ বা সিলেট টেস্টে ৭ উইকেট নিতে পারলে ওয়াসিমকে ছাড়িয়ে যাবেন তাইজুল।
১৫ টেস্টে ২৬ ইনিংসে সাবেক শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি চামিন্দা ভাসের শিকার ৪৮ উইকেট। তিনে আছেন তিনি। ৯ উইকেট নিতে পারলে তাইজুল এ পেসারকে ছাড়িয়ে তিন নম্বরে জায়গা করতে পারবেন। ১৪ টেস্টে ২৬ ইনিংসে ৮৭ উইকেট নিয়ে শীর্ষে মুত্তিয়া মুরালিধরন। দুইয়ে থাকা ওয়াকার ইউনিস ১১ টেস্টে ২০ ইনিংসে ৬২ উইকেট নিয়েছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
সিলেটে এ পর্যন্ত ৩ টেস্ট খেলে বল হাতে তাইজুলের শিকার ২৪ উইকেট। দুই টেস্টেই নিয়েছেন ১০ ও ১১ উইকেট। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের কাছে সিলেট টেস্টে হেরেছিল বাংলাদেশ। হারলেও সেই টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সিলেট টেস্টে ৬ ও ৪—দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নেন। ৬ ইনিংসে তিনবার ৫ উইকেট। নিশ্চয় সেই ছন্দ ধরে রেখে ওয়াসিমকে ছাড়িয়ে যেতে চাইবেন তাইজুল।

জিম্বাবুয়ে আর সিলেট দুটোই যেন প্রিয় তাইজুল ইসলামের। টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৪১টি করে উইকেট শিকার করেছেন এই বাঁহাতি স্পিনার। কাল থেকে সিলেটে আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের প্রথম টেস্ট। সবকিছু ঠিক থাকলে অভিজ্ঞ তাইজুলকেও দেখা যেতে পারে একাদশে।
মাঠে নামলে দারুণ এক রেকর্ডের হাতছানি তাইজুলের সামনে। ‘সুইং অব সুলতান’ খ্যাত ওয়াসিম আকরামকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ এই অভিজ্ঞ স্পিনারের সামনে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারের রেকর্ড আগে নিজের করে নিয়েছেন তিনি। দলটির সঙ্গে ৬ টেস্টে ১২ ইনিংসে তাইজুল নিয়েছেন ৪১ উইকেট।
সব দল মিলিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে উইকেট শিকারির তালিকায় পাঁচ নম্বরে তাইজুল। তবে চলতি সিরিজে তালিকায় নিজের নামটা আরও কয়েক ধাপ ওপরে তোলার সুযোগ তাঁর সামনে। পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শিকার করেছেন ১০ টেস্টে ১৮ ইনিংসে ৪৭ উইকেট। তালিকায় তিনি আছেন চার নম্বরে। চলতি সিরিজ বা সিলেট টেস্টে ৭ উইকেট নিতে পারলে ওয়াসিমকে ছাড়িয়ে যাবেন তাইজুল।
১৫ টেস্টে ২৬ ইনিংসে সাবেক শ্রীলঙ্কান কিংবদন্তি চামিন্দা ভাসের শিকার ৪৮ উইকেট। তিনে আছেন তিনি। ৯ উইকেট নিতে পারলে তাইজুল এ পেসারকে ছাড়িয়ে তিন নম্বরে জায়গা করতে পারবেন। ১৪ টেস্টে ২৬ ইনিংসে ৮৭ উইকেট নিয়ে শীর্ষে মুত্তিয়া মুরালিধরন। দুইয়ে থাকা ওয়াকার ইউনিস ১১ টেস্টে ২০ ইনিংসে ৬২ উইকেট নিয়েছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
সিলেটে এ পর্যন্ত ৩ টেস্ট খেলে বল হাতে তাইজুলের শিকার ২৪ উইকেট। দুই টেস্টেই নিয়েছেন ১০ ও ১১ উইকেট। ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ের কাছে সিলেট টেস্টে হেরেছিল বাংলাদেশ। হারলেও সেই টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৬ ও দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও সিলেট টেস্টে ৬ ও ৪—দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নেন। ৬ ইনিংসে তিনবার ৫ উইকেট। নিশ্চয় সেই ছন্দ ধরে রেখে ওয়াসিমকে ছাড়িয়ে যেতে চাইবেন তাইজুল।

৭ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগমুহূর্তে চলছে নানা রকম জটিলতা। ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে এখনো অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পাশাপাশি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভারতীয় ভিসা না পাওয়ার ব্যাপারেও চলছে নানারকম কথাবার্তা।
৩৩ মিনিট আগে
মোহাম্মদ নবি তাঁর বাড়িতে টিভি সেটের সামনে বসে আছেন কি না জানা নেই। যদি সত্যিই টিভি সেটের সামনে থাকেন, তাহলে এই মুহূর্তে তাঁর চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ হবেন না। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ তাঁর ছেলে করেছেন সেঞ্চুরি।
১ ঘণ্টা আগে
জয় দিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। নেপালের মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হেসেখেলে জিতেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
বুলাওয়েতে গতকাল বিকেলে টসের সময় হাত মেলাননি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার ও ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে করমর্দন করেননি। সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তেই সেই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তখন গত বছরের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ‘নো হ্যান্ডশেক’ ঘটনার সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে