আট-নয় বছর আগে এক বিতর্কিত টুইটে নিষেধাজ্ঞায় পড়েছিলেন ওলি রবিনসন। তাঁর সেই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ অবশ্য খুব বেশি বড় হচ্ছে না। তিন ম্যাচ বাইরে থেকে ও ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা গুনে ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন রবিনসন। ক্রিকেট ডিসিপ্লিন কমিশন (সিডিসি) ইংলিশ পেসারকে এই শাস্তি দিয়েছে।
রবিনসনের শাস্তি সব মিলিয়ে ৮ ম্যাচের। তবে ৫ ম্যাচের শাস্তি দুই বছরের জন্য স্থগিত থাকছে। এই সময়ের মাঝে তিনি যদি আর কোনো শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে জড়ান তবে স্থগিত শাস্তিও তাঁকে পেতে হবে।
২ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে শততম ইংলিশ ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হয়েছিল রবিনসনের। তার পরদিন রবিনসনের ২০১২–২০১৩ সালের বর্ণ ও লিঙ্গবৈষম্যমূলক টুইট প্রকাশ্যে আসে। যার প্রতিক্রিয়ায় এজবাস্টনে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে বাদ পড়েন এই ইংলিশ পেসার। সে সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনসহ অনেকেই শাস্তির মাত্রা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।
শাস্তি ঘোষণার পর ইংলিশ পেসার রবিনসন বলেছেন, ‘সিডিসির সিদ্ধান্ত আমি মেনে নিয়েছি। বরাবরের মতো এবারও বলছি, আট-নয় বছর আগে করা টুইট নিয়ে আমি এখনো লজ্জিত ও আপনাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।’
অভিষেক টেস্টে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন রবিনসন। অভিষেক ইনিংসে করেছিলেন ৪২ রান। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০১ রান দিয়ে নিয়েছিলেন ৭ উইকেট। ক্রিকেটে ফিরে এখন হয়তো ধারাবাহিক অলরাউন্ড পারফর্ম করতে উন্মুখ হয়ে আছেন রবিনসন।

চাপের মুখে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কিছুটা দার্শনিক ঢঙে ভয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘ভয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এটি জীবন বাঁচায়। আপনার মনে যদি ভয় না থাকে, তবে সিংহকেও বিড়ালের মতো মনে হতে পারে। ম্যাচ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ থাকা ভালো, এতে দল নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে পারে।’
২ ঘণ্টা আগে
কোচের এই সাহসী সিদ্ধান্ত ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয় মাত্র ১২১ সেকেন্ডের মধ্যে। ৭৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ইসমায়েল কোনের চমৎকার এক পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বসনিয়ান ডিফেন্ডারকে বোকা বানান লারিন। এরপর ডান পায়ের নিখুঁত ভলিতে বল জড়িয়ে দেন বসনিয়ার জালে।
২ ঘণ্টা আগে
নিজের এবং দলের প্রস্তুতি সম্পর্কে এই তারকা রাইট-ব্যাক আরও যোগ করেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে, আমি আগামীকালের ম্যাচের প্রস্তুতির দিকেই পুরোপুরি মনোযোগ দিচ্ছি। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো মরক্কোর সমর্থকদের খুশি করা, ইনশা আল্লাহ।’
৩ ঘণ্টা আগে
সঞ্জয়ের জন্ম বাংলাদেশের চায়ের রাজধানীখ্যাত শ্রীমঙ্গলে। এরপর শৈশবের একটি বড় সময় চট্টগ্রামে কাটিয়ে পরিবারের সঙ্গে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়। লস অ্যাঞ্জেলেসভিত্তিক এই ডিজে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ইলেকট্রনিক মিউজিকের সঙ্গে বাংলা সুরের ফিউশন ঘটিয়ে প্রশংসিত হয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে