
তাসকিন আহমেদ এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে বিপিএলে ছিলেন দুর্দান্ত। টুর্নামেন্ট জুড়ে অসাধারণ বোলিং করেছেন। বিপিএল ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। তিনি রেকর্ড গড়লেও তাঁর দল দুর্বার রাজশাহী ছিটকে গেছে লিগ পর্বেই।
নি: সঙ্গ শেরপার মতো এবার তিনি রাজশাহীকে টেনেছেন। ১২ ম্যাচে ৬.৪৯ ইকোনমিতে নিয়েছেন ২৫ উইকেট। এবারের বিপিএলে তাসকিনের পর যৌথভাবে দুইয়ে আছেন সৈয়দ খালেদ আহমেদ, ফাহিম আশরাফ ও আকিফ জাভেদ। খালেদ, ফাহিম, আকিফ নিয়েছেন ২০টি করে উইকেট। যেখানে খালেদের চিটাগং কিংস ও ফাহিমের ফরচুন বরিশাল আজ সন্ধ্যায় মিরপুরে ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে। আকিফের রংপুর রাইডার্স এলিমিনেটরেই ছিটকে গেছে।
ফাহিম পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলে ডাক পেয়েছেন এবং এরই মধ্যে বিপিএল ছেড়ে তিনি চলে গেছেন। পাকিস্তানি এই পেসার তাহলে বিপিএলে রেকর্ড ভাঙার হিসেব থেকে বাদ। তবে খালেদের সেই সুযোগ তো থাকছে। ১৩ ম্যাচে ৮.৫৮ ইকোনমিতে নিয়েছেন ২০ উইকেট। তুলনামূলক খরুচে হলেও চিটাগংকে প্রথম কোয়ালিফায়ারে ওঠাতে (সেরা দুই) অসাধারণ অবদান রেখেছেন। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট এনে দিয়েছেন। মিরপুরে ৩০ জানুয়ারি লিগ পর্বে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ৩১ রানে নিয়েছিলেন ৪ উইকেট। তাসকিনের রেকর্ড ভাঙতে খালেদের ৬ উইকেট দরকার, যা একটু কঠিন। তবে অসম্ভব তো নয়। কে বলতে পারে, আজ ফাইনালেই হয়তো ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করলেন খালেদ।
খুশদিল শাহ, আবু হায়দার রনি ১৭টি করে উইকেট নিলেও তাঁরা প্লে-অফ থেকে বিদায় নিয়েছেন। খুশদিল খেলেন রংপুর রাইডার্সের হয়ে এবং রনি খুলনা টাইগার্সের হয়ে খেলেন। ফাইনালিস্ট চিটাগংয়ের আলিস নিয়েছেন ১৫ উইকেট। এই দলের শরীফুল ইসলাম ও আরাফাত সানি নিয়েছেন ১৩ ও ১১ উইকেট।
এবারের বিপিএলের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারির মতো সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক নাঈম শেখেরও খেলা হচ্ছে না ফাইনাল। নাঈমের দল খুলনা টাইগার্স পরশু মিরপুরে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে চিটাগং কিংসের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে। ১৪ ম্যাচে ১ সেঞ্চুরি ও ৩ ফিফটিতে ৫১১ রান করেছেন খুলনার এই বাঁহাতি ব্যাটার। গড় ও স্ট্রাইকরেট ৪২.৫৮ ও ১৪৩.৯৪।
বিপিএল ইতিহাসে এক আসরে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী হওয়ার পথে তাসকিন এবার সাকিব আল হাসানের দুইটি রেকর্ড ভেঙেছেন। ২০১৯ বিপিএলে ঢাকা ডায়নামাইটসের হয়ে সাকিব নিয়েছিলেন ২৩ উইকেট। যা বিপিএলে এক আসরে উইকেট নেওয়ায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। একই ফ্র্যাঞ্চাইজির জার্সিতে ২০১৭ বিপিএলে তিনি নিয়েছিলেন ২২ উইকেট।
| নাম | উইকেট | ইকোনমি | দল |
|---|---|---|---|
| তাসকিন আহমেদ | ২৫ | ৬.৪৯ | দুর্বার রাজশাহী |
| ফাহিম আশরাফ | ২০ | ৭.১২ | ফরচুন বরিশাল |
| আকিফ জাভেদ | ২০ | ৬.৮৯ | রংপুর রাইডার্স |
| সৈয়দ খালেদ আহমেদ | ২০ | ৮.৫৮ | চিটাগং কিংস |
| খুশদিল শাহ | ১৭ | ৬.০৩ | রংপুর রাইডার্স |
| আবু হায়দার রনি | ১৭ | ৯.৮১ | খুলনা টাইগার্স |

আজান আওয়াইসের দারুণ ব্যাটিংয়ে উড়ন্ত সূচনা পেয়েছিল পাকিস্তান। বাংলাদেশের করা ৪১৩ রানের ভালোই জবাব দিচ্ছিল সফরকারীরা। কিন্তু আচমকা ব্যাটিং ধসে চাপে পড়েছে শান মাসুদের দল। ১৭ রানের ব্যবধানে আজান, শান মাসুদ এবং সৌদ শাকিলকে হারিয়েছে পাকিস্তান।
২৮ মিনিট আগে
অভিষেক টেস্টটা স্মরণীয় করে রাখলেন আজান আওয়াইস। ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন এই তরুণ ওপেনার। তাঁর সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে দারুণ জবাব দিচ্ছে পাকিস্তান
১ ঘণ্টা আগে
দিনের অন্য ম্যাচে রহমতগঞ্জের বিপক্ষে শুরুতে ১০ মিনিটে পিছিয়ে পড়েও দারুণ জয় পেয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন। ব্রাদার্সের পাকিস্তানি ফরোয়ার্ড শায়েক দোস্ত ৩৫ মিনিটে সমতা ফেরানোর পর দ্বিতীয়ার্ধে নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলের ৩-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন। মাঝখানে একটি আত্মঘাতী গোল রহমতগঞ্জকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
৪১৩ রানকে টেস্টে যেকোনো বিচারেই বড় সংগ্রহ বলতে হয়। তার ওপর সবুজ উইকেট হলে তো কথাই নেই। তবে ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের এই সংগ্রহকেই যেন মামুলি বানিয়ে ফেলছে পাকিস্তান। আজান আওয়াইস, ইমাম উল হক, আব্দুল্লাহ ফজলের ব্যাটে বাংলাদেশকে দারুণ জবাবই দিচ্ছি সফরকারী দল।
১৮ ঘণ্টা আগে