ক্রীড়া ডেস্ক

কীর্তিমানের মৃত্যু নাই—বহু ক্লিশে এই বাংলা প্রবাদ আবারও এল স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের কারণে। ২০০১ সালে অজি কিংবদন্তি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। কিন্তু তিনি যে কীর্তি গড়েছেন, সেটা এখনো স্মরণ করেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। এবার তাঁর পুরোনো এক টুপি বিক্রি হয়েছে সাড়ে ৩ কোটি টাকায়।
৪ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলারে বিক্রি হয়েছে ব্র্যাডম্যানের ১৯৪৬-৪৭ মৌসুমের অ্যাশেজের সেই ব্যাগি গ্রিন টুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটার দাম ৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ মোটা অংকের টাকা দিয়ে এই টুপিটি কিনেছে। কিংবদন্তি অজি ক্রিকেটারের ব্যাগি গ্রিনটি পরবর্তী প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে থাকবে বলে মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার শিল্পমন্ত্রী টনি বার্ক। ব্র্যাডম্যানের ৭৮ বছরের পুরোনো টুপি নিয়ে বার্ক বলেন, ‘কিংবদন্তি ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যানের কথা শোনেননি, এমন অস্ট্রেলিয়ান খুব কমই পাবেন। সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার তিনি।’
ক্রিকইনফোর আজকের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ব্র্যাডম্যানের ১৯৪৬-৪৭ মৌসুমের ব্যাগি গ্রিন কিনতে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় জাদুঘর যে অর্থ খরচ করেছে, তার অর্ধেক দাম ক্যানবেরায় ছিল। দেশটির জাতীয় জাদুঘরের পরিচালক ক্যাথরিন ম্যাকমাহন বলেন, ‘স্যার ডোনাল্ডের ব্যাগি গ্রিন অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে খ্যাতিমান ব্যাটারের জীবনের প্রতিচ্ছবি। এমন এক সময়কে সেটা প্রতিফলিত করে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী প্রতিকূল সময়ে ক্রীড়াবিদরা অজিদের আশা জুগিয়েছেন। এই জাতীয় সম্পদটি অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় জাদুঘরে তার স্থায়ী ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে বলে আমরা অনেক আনন্দিদ। পুরো অস্ট্রেলিয়ানদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’
বেঁচে থাকলে এখন ১১৭ বছর পার করে ফেলতেন স্যার ডন ব্র্যাডম্যান। পরশু তাঁর ১১৭তম জন্মদিন ছিল। ১৯২৮ থেকে ১৯৪৮ পর্যন্ত ৫২ টেস্টে ৮০ ইনিংসে ৬৯৯৬ রান করেছেন তিনি। ২৯ সেঞ্চুরির পাশাপাশি ১৩ ফিফটি রয়েছে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে। ৯৯.৯৪ গড়টা চোখ কপালে ওঠার মতোই।

কীর্তিমানের মৃত্যু নাই—বহু ক্লিশে এই বাংলা প্রবাদ আবারও এল স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের কারণে। ২০০১ সালে অজি কিংবদন্তি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। কিন্তু তিনি যে কীর্তি গড়েছেন, সেটা এখনো স্মরণ করেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। এবার তাঁর পুরোনো এক টুপি বিক্রি হয়েছে সাড়ে ৩ কোটি টাকায়।
৪ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলারে বিক্রি হয়েছে ব্র্যাডম্যানের ১৯৪৬-৪৭ মৌসুমের অ্যাশেজের সেই ব্যাগি গ্রিন টুপি। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটার দাম ৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ মোটা অংকের টাকা দিয়ে এই টুপিটি কিনেছে। কিংবদন্তি অজি ক্রিকেটারের ব্যাগি গ্রিনটি পরবর্তী প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হিসেবে থাকবে বলে মনে করেন অস্ট্রেলিয়ার শিল্পমন্ত্রী টনি বার্ক। ব্র্যাডম্যানের ৭৮ বছরের পুরোনো টুপি নিয়ে বার্ক বলেন, ‘কিংবদন্তি ডোনাল্ড ব্র্যাডম্যানের কথা শোনেননি, এমন অস্ট্রেলিয়ান খুব কমই পাবেন। সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার তিনি।’
ক্রিকইনফোর আজকের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ব্র্যাডম্যানের ১৯৪৬-৪৭ মৌসুমের ব্যাগি গ্রিন কিনতে অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় জাদুঘর যে অর্থ খরচ করেছে, তার অর্ধেক দাম ক্যানবেরায় ছিল। দেশটির জাতীয় জাদুঘরের পরিচালক ক্যাথরিন ম্যাকমাহন বলেন, ‘স্যার ডোনাল্ডের ব্যাগি গ্রিন অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে খ্যাতিমান ব্যাটারের জীবনের প্রতিচ্ছবি। এমন এক সময়কে সেটা প্রতিফলিত করে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী প্রতিকূল সময়ে ক্রীড়াবিদরা অজিদের আশা জুগিয়েছেন। এই জাতীয় সম্পদটি অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় জাদুঘরে তার স্থায়ী ঠিকানা খুঁজে পেয়েছে বলে আমরা অনেক আনন্দিদ। পুরো অস্ট্রেলিয়ানদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।’
বেঁচে থাকলে এখন ১১৭ বছর পার করে ফেলতেন স্যার ডন ব্র্যাডম্যান। পরশু তাঁর ১১৭তম জন্মদিন ছিল। ১৯২৮ থেকে ১৯৪৮ পর্যন্ত ৫২ টেস্টে ৮০ ইনিংসে ৬৯৯৬ রান করেছেন তিনি। ২৯ সেঞ্চুরির পাশাপাশি ১৩ ফিফটি রয়েছে ক্রিকেটের রাজকীয় সংস্করণে। ৯৯.৯৪ গড়টা চোখ কপালে ওঠার মতোই।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১১ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩ ঘণ্টা আগে