
হাঁটুর চোটে শাহিন শাহ আফ্রিদির ছিটকে যাওয়া প্রতিপক্ষদের জন্য স্বস্তির খবর, বিশেষ করে ভারতের জন্য। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের টপ অর্ডার ব্যাটিং ধসিয়ে দিয়েছিলেন পাকিস্তানি এই পেসার। কিন্তু তিনি না থাকায় স্বস্তির বদলে কষ্ট অনুভব করেছেন লোকেশ রাহুল। ভারতীয় ব্যাটারের মতে, শাহিনের না থাকাটা সত্যি হতাশার।
শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচ দিয়ে আজ এশিয়া কাপ শুরু হলেও সবার নজর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের হেভিওয়েট ম্যাচ আগামীকাল। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করেই সংবাদ সম্মেলনে মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতীয় দলের সহ-অধিনায়ক রাহুল। তিনি সংবাদ সম্মেলনেই শাহিনকে নিয়ে বলেছেন, ‘শাহিন বিশ্বমানের একজন বোলার। আমাদের মানসিকতা ছিল মানসম্মত বোলারদের মুখোমুখি হওয়া। বিশ্বমানের বোলার, মানসম্মত বোলার। বাঁ-হাতি পেসাররা আরও বিপজ্জনক সমস্যা তৈরি করে। সে দলে থাকলে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জটা ভালো হতো। একজন খেলোয়াড়ের জন্য এ সময়টা খুবই হতাশার। সে এশিয়া কাপের অংশ হতে চেয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ওকে বিপক্ষ দলে পাচ্ছি না।’
চোটে পড়ার কষ্টটা ভালোই বোঝেন রাহুল। চোটে পড়ায় গত নভেম্বর থেকে হাতছাড়া হয়েছে বেশ কয়েকটি সিরিজ। চোটমুক্ত হয়ে এ মাসে জিম্বাবুয়ে সিরিজে ফিরেছেন ভারতীয় এই ব্যাটার। সেই উপলব্ধি থেকেই শাহিনের কষ্টটা বুঝতে পারছেন ভারতের সহ-অধিনায়ক। এশিয়া কাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে না থাকাটা পাকিস্তানি পেসারের জন্য অবশ্যই আরও হতাশার।
দুই দলের শেষ দেখায় পাকিস্তান ১০ উইকেটে জিতেছিল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে শাহিনের তোপে ভারতের ব্যাটিং অর্ডার ধসে পড়েছিল। ৩১ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন পাকিস্তানি পেসার।
রাহুল ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সম্পর্কে বলেছেন, ‘খেলোয়াড় ও ভারতীয় দলের সদস্য হিসেবে খুবই উত্তেজিত। অন্য সময় দুই দলের খেলাও হয় না। তাই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের জন্য মুখিয়ে আছি। পাকিস্তানের মতো দলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ভালো। দুই দলের অনেক স্মরণীয় মুহূর্ত রয়েছে। বিশ্বকাপের কোনো খেলায় হেরে গেলে একটু কষ্টই হয়। পাকিস্তানের কাছে আমরা বিধ্বস্ত হয়েছিলাম। এবার আমরা একটা সুযোগ পেয়েছি। তাই শূন্য থেকে শুরু করতে চাই।’

হাঁটুর চোটে শাহিন শাহ আফ্রিদির ছিটকে যাওয়া প্রতিপক্ষদের জন্য স্বস্তির খবর, বিশেষ করে ভারতের জন্য। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের টপ অর্ডার ব্যাটিং ধসিয়ে দিয়েছিলেন পাকিস্তানি এই পেসার। কিন্তু তিনি না থাকায় স্বস্তির বদলে কষ্ট অনুভব করেছেন লোকেশ রাহুল। ভারতীয় ব্যাটারের মতে, শাহিনের না থাকাটা সত্যি হতাশার।
শ্রীলঙ্কা-আফগানিস্তান ম্যাচ দিয়ে আজ এশিয়া কাপ শুরু হলেও সবার নজর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের হেভিওয়েট ম্যাচ আগামীকাল। এই ম্যাচকে কেন্দ্র করেই সংবাদ সম্মেলনে মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতীয় দলের সহ-অধিনায়ক রাহুল। তিনি সংবাদ সম্মেলনেই শাহিনকে নিয়ে বলেছেন, ‘শাহিন বিশ্বমানের একজন বোলার। আমাদের মানসিকতা ছিল মানসম্মত বোলারদের মুখোমুখি হওয়া। বিশ্বমানের বোলার, মানসম্মত বোলার। বাঁ-হাতি পেসাররা আরও বিপজ্জনক সমস্যা তৈরি করে। সে দলে থাকলে আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জটা ভালো হতো। একজন খেলোয়াড়ের জন্য এ সময়টা খুবই হতাশার। সে এশিয়া কাপের অংশ হতে চেয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ওকে বিপক্ষ দলে পাচ্ছি না।’
চোটে পড়ার কষ্টটা ভালোই বোঝেন রাহুল। চোটে পড়ায় গত নভেম্বর থেকে হাতছাড়া হয়েছে বেশ কয়েকটি সিরিজ। চোটমুক্ত হয়ে এ মাসে জিম্বাবুয়ে সিরিজে ফিরেছেন ভারতীয় এই ব্যাটার। সেই উপলব্ধি থেকেই শাহিনের কষ্টটা বুঝতে পারছেন ভারতের সহ-অধিনায়ক। এশিয়া কাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে না থাকাটা পাকিস্তানি পেসারের জন্য অবশ্যই আরও হতাশার।
দুই দলের শেষ দেখায় পাকিস্তান ১০ উইকেটে জিতেছিল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে শাহিনের তোপে ভারতের ব্যাটিং অর্ডার ধসে পড়েছিল। ৩১ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন পাকিস্তানি পেসার।
রাহুল ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সম্পর্কে বলেছেন, ‘খেলোয়াড় ও ভারতীয় দলের সদস্য হিসেবে খুবই উত্তেজিত। অন্য সময় দুই দলের খেলাও হয় না। তাই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের জন্য মুখিয়ে আছি। পাকিস্তানের মতো দলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ভালো। দুই দলের অনেক স্মরণীয় মুহূর্ত রয়েছে। বিশ্বকাপের কোনো খেলায় হেরে গেলে একটু কষ্টই হয়। পাকিস্তানের কাছে আমরা বিধ্বস্ত হয়েছিলাম। এবার আমরা একটা সুযোগ পেয়েছি। তাই শূন্য থেকে শুরু করতে চাই।’

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৮ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৯ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৯ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
১০ ঘণ্টা আগে