Ajker Patrika

দেশের খেলাধুলাকে দলীয় ও রাজনীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার আমিনুল হকের

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
দেশের খেলাধুলাকে দলীয় ও রাজনীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার আমিনুল হকের
বাংলাদেশের প্রথম ক্রীড়াবিদ হিসেবে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আমিনুল হক। ছবি: সংগৃহীত

খেলার সঙ্গে রাজনীতি মেশাবেন না—উপমহাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের বেলায় এই নীতিবাক্য শুধু বলার জন্যই বলা। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রিকেটই মুখ্য রাজনৈতিক হাতিয়ার। স্থানীয় পর্যায়ে তো বটেই, বেশির ভাগ সময় ক্রিকেট প্রধানের চেয়ারে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বসতে দেখা যায়। এখানেই শেষ নয়, এশিয়া কাপ, আইসিসি টুর্নামেন্টের মতো ইভেন্টেও খেলাধুলা-রাজনীতি মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়।

প্রথম ক্রীড়াবিদ হিসেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে গতকাল নিয়োগ পেয়েছেন আমিনুল হক। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার ও গোলরক্ষক নতুন দায়িত্ব নিয়ে শপথ গ্রহণের পর রাতেই নিজ কার্যালয়ে দীর্ঘ সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আজ তিনি মিরপুরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কার্যালয়ে গিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমকর্মীরা কাছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করার অঙ্গীকার করেছেন আমিনুল। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত ও দলীয়করণমুক্ত করতে চাই আমরা। একবারে পরিবর্তন করতে পারব না। ধীরে ধীরে শুরু করতে চাই। ক্রীড়াঙ্গনের মাধ্যমে যেন আগামীতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসে, সেটার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করব।

দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে কী কী পরিকল্পনা রয়েছে, সেটা আজ বিসিবিতে উপস্থিত সাংবাদিকদের জানিয়েছেন আমিনুল হক। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামীর ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে কী কী পরিকল্পনা রয়েছে, এরই মধ্যে আপনারা জেনেছেন। খেলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই আমরা। জাতীয় শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলার পাঁচটি ইভেন্ট বাধ্যতামূলক করতে চাই। এ ব্যাপারগুলো নিয়েই শুরুতে কাজ করব।’

সংবাদ সম্মেলনে বসেই গতকাল আমিনুল ফোন দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজনকে। মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ঢোকার ব্যাপারে যেন কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকে, এটাই নিশ্চিত করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। গণমাধ্যমকর্মীরা যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন, আজ বিসিবিতে উপস্থিত সাংবাদিকদের আমিনুল এই ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছেন। আমিনুল হক বলেন, আপনারা স্বাধীনভাবে সকল মতামত প্রকাশ করতে পারবেন। সেটার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা সবসময় থাকবে।

২০২৪ সালের অক্টোবরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবশেষ খেলেছেন সাকিব আল হাসান। বাংলাদেশের জার্সিতে দূরে থাক, সাকিব ২০২৫ ও ২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের কোনোটিতেই খেলতে পারেননি। আর মাশরাফি বিন মর্তুজা সর্বশেষ ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেললেও ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত ছিলেন। তবে ক্রিকেটার ছাপিয়ে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে সাকিব-মাশরাফি দেড় বছর ধরে খেলতে পারছেন না ঘরোয়া ক্রিকেটে। বাংলাদেশের এই দুই তারকা ক্রিকেটার যেন দ্রুতই ক্রিকেটে ফিরতে পারেন, সেই আশ্বাস আজও দিয়েছেন আমিনুল।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

কলকাতায় গায়কসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার

নিজের হাতে এক মন্ত্রণালয় ও দুই বিভাগ রাখলেন তারেক রহমান

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ফিরল অলিখিত রেওয়াজ

ইরানে মোসাদের তৎপরতা যেভাবে ঠেকাচ্ছে চীন

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টনের প্রজ্ঞাপন জারি, কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত