
আগামী শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে বহুল আকাঙ্ক্ষিত ‘৮৩’ সিনেমা। ভারতের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের কাহিনি নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি। ৩৮ বছর আগে লর্ডসে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে কপিল দেবের ভারত প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল।
প্রথমবার বিশ্বকাপ শিরোপা জিতে ভারতীয় দল পেয়েছিল ২ হাজার ১০০ টাকা! টাকার অঙ্কটা এখনকার প্রেক্ষাপটে খুবই তুচ্ছ মনে হওয়াই স্বাভাবিক। তবে সেই বিশ্বকাপ জয় নিয়ে নির্মিত ‘৮৩’ সিনেমার জন্য কপিল দেবের টাকার অঙ্ক দেখে যে কারও চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। ‘৮৩’ সিনেমার জন্য সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক একাই যে পেয়েছেন ৫ কোটি টাকা।
সেই বিশ্বকাপজয়ী দলের সব সদস্য মিলে পেয়েছেন মোট ১৫ কোটি টাকা। পুরো টাকাটাই দিচ্ছেন এই সিনেমার নির্মাতারা। ১৯৮৩ সালের ২৫ জুন ইংলিশদের মাটিতে ক্যারিবিয়ানদের হতাশ করে শিরোপা উৎসব করেও নানা সময়ে আক্ষেপ ঝরেছিল বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যদের। আক্ষেপটা সেভাবে মূল্যায়ন না পাওয়ায়। ‘৮৩’ সিনেমার মাধ্যমে সেই আক্ষেপই মেটাতে চেয়েছেন নির্মাতারা।
কয়েক দিন আগে দুবাইয়ের বুর্জ খলিফায় ‘৮৩’ সিনেমার স্ক্রিনিং হয়েছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ও ভারতীয় কিংবদন্তি সুনীল গাভাস্কার, বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক কপিল দেব, ‘৮৩’ সিনেমার দুই মূল চরিত্র দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিং।

এবারের বিশ্বকাপ যে দলগুলোর জন্য কতটা কঠিন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হচ্ছে, তার চিত্রও ফুটিয়ে তোলেন স্কালোনি, ‘এই বিশ্বকাপটি সবার জন্যই কঠিন প্রমাণিত হচ্ছে। এমন কোনো একক দল নেই যারা আলাদাভাবে আধিপত্য দেখাচ্ছে। সেদিনের কথাই ধরুন, শক্তিশালী ফ্রান্সকে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে লড়াই করতে হয়েছে, স্পেন লড়াই করেছে
১ ঘণ্টা আগে
শেষ বাঁশি বাজার পর স্পেনের ফুটবলাররা যখন জয়ের আনন্দে মেতে ওঠেন, তখন পর্তুগাল শিবিরে নেমে আসে হতাশা। রোনালদো ধীর পায়ে মাঠ ছেড়ে টানেলের দিকে হাঁটতে থাকেন। সম্প্রচারে টেলিভিশনের ক্যামেরাও অনুসরণ করে তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ। করিডর পেরিয়ে ড্রেসিংরুম পর্যন্ত সেই দৃশ্যই ছিল ম্যাচ-পরবর্তী সবচেয়ে আবেগঘন মু
২ ঘণ্টা আগে
ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২ ঘণ্টা আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
৩ ঘণ্টা আগে