
ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে গতকাল কানপুর টেস্টের চতুর্থ দিনে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করেন মুমিনুল হক। সতীর্থরা যেখানে আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যস্ত ছিলেন, সেখানে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকেছেন তিনি। সেই মুমিনুল আজ পঞ্চম দিনের খেলা শুরু হতে না হতেই উইকেটটা উপহার দিয়ে এলেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ১১ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট নিয়ে আজ শেষ দিনে খেলতে নামে বাংলাদেশ। দিনের খেলা শুরুর প্রথম বলেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে সুইপ করতে গিয়ে ঠিকমতো সংযোগ করতে পারেননি মুমিনুল। একই ওভারের শেষ বলে সাদমান ইসলাম সুইপ শটে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে বাউন্ডারি আদায় করেন। সতীর্থকে দেখে যেন বেশিই অনুপ্রাণিত হয়েছেন মুমিনুল। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন, প্রথম ইনিংসে সুইপে সফল হলে এবার কেন নয়। দ্বিতীয় ইনিংসের তাঁর জন্য লেগ স্লিপের ফাঁদ পাতা হয়েছিল। ১৪তম ওভারের তৃতীয় বলে অশ্বিনকে সুইপ করতে যান মুমিনুল। টপ এজ হওয়া বল লেগস্লিপে দারুণ ভাবে তালুবন্দী করেন লোকেশ রাহুল।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার রোগ বহু পুরোনো। বিপদের মুহূর্তে দায়িত্ব নিয়ে খেলার বদলে বিলাসী শটে ‘আত্মহত্যা’ করে আসেন প্রায়ই। চেন্নাই থেকে কানপুর—সাকিব আল হাসান, লিটন দাসরা ভুলের পুনরাবৃত্তি করেছেন বারবার। গ্রিন পার্কে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৭ রান করা মুমিনুল যখন প্রয়োজন,তখনই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটার দ্বিতীয় ইনিংস করেছেন ৮ বলে ২ রান। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৯ ওভারে ৩ উইকেটে ৫০ রান করেছে বাংলাদেশ। সফরকারীরা এখনো পিছিয়ে ২ রানে।
কানপুরে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন ৩৫ ওভার খেলা হওয়ার পর টানা দুই দিন কোনো খেলাই হয়নি। চতুর্থ দিনে গতকাল পুনরায় খেলা আরম্ভ হলে বাংলাদেশ তাঁদের প্রথম ইনিংসে ২৩৩ রানে অলআউট হয়েছে। জবাবে বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ৩৪ ওভারে ৯ উইকেটে ২৮৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ভারতীয়রা।

ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে গতকাল কানপুর টেস্টের চতুর্থ দিনে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করেন মুমিনুল হক। সতীর্থরা যেখানে আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যস্ত ছিলেন, সেখানে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকেছেন তিনি। সেই মুমিনুল আজ পঞ্চম দিনের খেলা শুরু হতে না হতেই উইকেটটা উপহার দিয়ে এলেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ১১ ওভারে ২৬ রানে ২ উইকেট নিয়ে আজ শেষ দিনে খেলতে নামে বাংলাদেশ। দিনের খেলা শুরুর প্রথম বলেই রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে সুইপ করতে গিয়ে ঠিকমতো সংযোগ করতে পারেননি মুমিনুল। একই ওভারের শেষ বলে সাদমান ইসলাম সুইপ শটে ডিপ স্কয়ার লেগ দিয়ে বাউন্ডারি আদায় করেন। সতীর্থকে দেখে যেন বেশিই অনুপ্রাণিত হয়েছেন মুমিনুল। তিনি হয়তো ভেবেছিলেন, প্রথম ইনিংসে সুইপে সফল হলে এবার কেন নয়। দ্বিতীয় ইনিংসের তাঁর জন্য লেগ স্লিপের ফাঁদ পাতা হয়েছিল। ১৪তম ওভারের তৃতীয় বলে অশ্বিনকে সুইপ করতে যান মুমিনুল। টপ এজ হওয়া বল লেগস্লিপে দারুণ ভাবে তালুবন্দী করেন লোকেশ রাহুল।
বাংলাদেশের ব্যাটারদের উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার রোগ বহু পুরোনো। বিপদের মুহূর্তে দায়িত্ব নিয়ে খেলার বদলে বিলাসী শটে ‘আত্মহত্যা’ করে আসেন প্রায়ই। চেন্নাই থেকে কানপুর—সাকিব আল হাসান, লিটন দাসরা ভুলের পুনরাবৃত্তি করেছেন বারবার। গ্রিন পার্কে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৭ রান করা মুমিনুল যখন প্রয়োজন,তখনই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটার দ্বিতীয় ইনিংস করেছেন ৮ বলে ২ রান। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৯ ওভারে ৩ উইকেটে ৫০ রান করেছে বাংলাদেশ। সফরকারীরা এখনো পিছিয়ে ২ রানে।
কানপুরে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন ৩৫ ওভার খেলা হওয়ার পর টানা দুই দিন কোনো খেলাই হয়নি। চতুর্থ দিনে গতকাল পুনরায় খেলা আরম্ভ হলে বাংলাদেশ তাঁদের প্রথম ইনিংসে ২৩৩ রানে অলআউট হয়েছে। জবাবে বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ৩৪ ওভারে ৯ উইকেটে ২৮৫ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ভারতীয়রা।

নায়ক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল রিশাদ হোসেনের সামনে। শেষ বলে ছক্কা মারলেই হোবার্ট হারিকেনস পেত রোমাঞ্চকর এক জয়। কিন্তু বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো রিশাদ ব্যাটিংয়ে সেটা করে দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ব্রিসবেন হিটের কাছে ৩ রানে হেরে গেছে হোবার্ট হারিকেনস।
১০ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৩ ঘণ্টা আগে