ক্রীড়া ডেস্ক

অ্যান্টিগায় ২০১ রানে হেরে টেস্ট সিরিজে ১–০ ব্যবধানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। ক্যারিবীয়রা নিজেদের মাঠে টেস্ট খেলছে, অথচ গ্যালারি খাঁ-খাঁ করছে। টেস্টে এমনি দর্শক কম হয়, তাই বলে ৫০ জন দর্শকও কি মাঠে আসবে না? জ্যামাইকায় পরশু শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় টেস্ট। আয়োজকেরা স্যাবাইনা পার্কে সুলভ মূল্যে টিকিট ছেড়েছে—৪০০ জ্যামাইকান ডলার, যেটা বাংলাদেশের ৩০০ টাকার সমান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট নিজেদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে গতকাল রাতে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় টেস্টের টিকিটের দাম প্রকাশ করেছে। দাম জানানো হয়েছে প্যাকেজের মতো করে। ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর—এই দুই দিনের প্যাকেজ অনুযায়ী নর্থ স্ট্যান্ডে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য টিকিটের দাম ৪০০ জ্যামাইকান ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৩০২ টাকা। এই প্যাকেজে নর্থ স্ট্যান্ডে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের দাম ধরা হয়েছে ৮০০ জ্যামাইকান ডলার (৬০৫ টাকা)। ক্রিকেট কেভ ফ্যান জোনের পূর্ব পাশের গ্যালারিতে শিশু এবং বৃদ্ধের জন্য টিকিটের দাম ৬০০ জ্যামাইকান ডলার (৪৫৪ টাকা)। এই অংশে প্রাপ্ত বয়স্কদের খেলা দেখতে খরচ করতে হবে দ্বিগুণ টাকা। এ ক্ষেত্রে টিকিটের দাম ১২০০ জ্যামাইকান ডলার (৯০৮ টাকা)।

২ থেকে ৪ ডিসেম্বর—এই তিন দিনের জন্য রাখা হয়েছে আরেকটি প্যাকেজ। এই প্যাকেজে ক্রিকেট কেভ ফ্যান জোনের পূর্ব পাশের গ্যালারিতে শিশু এবং বৃদ্ধদের জন্য টিকিটের দাম ৫০০ জ্যামাইকান ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৩৭৮ টাকা। এই অংশে প্রাপ্ত বয়স্কদের খেলা দেখতে খরচ করতে হবে ১০০০ জ্যামাইকান ডলার (৭৫৬ টাকা)। অপর গ্যালারি নর্থ স্ট্যান্ডের টিকিটের দাম হুবহু প্রথম প্যাকেজের মতো।
একসঙ্গে পাঁচ দিনের প্যাকেজ সিস্টেমও থাকছে জ্যামাইকা টেস্টে। এই প্যাকেজে নর্থ স্ট্যান্ডে টিকিটের দাম ২৪০০ জ্যামাইকান ডলার (১৮১৫ টাকা)। অপর গ্যালারি ক্রিকেট কেভ ফ্যান জোনের পূর্ব পাশে খেলতে খরচ হবে ৩৪০০ ডলার। বাংলাদেশি ২৫৭২ টাকা। এখানে শিশু, বৃদ্ধ, প্রাপ্ত বয়স্ক সবারই একই দাম দিয়ে খেলা দেখতে হবে।
ঘরের মাঠে দারুণ খেলছে নিজেদের দল, তাদের পারফরম্যান্স দেখতে জ্যামাইকানরা কি সুলভ মূল্যের টিকিট কেটে মাঠে আসবেন? সেটা বোঝা যাবে স্যাবাইনা পার্কে ৩০ নভেম্বর থেকে শুরু সিরিজের শেষ টেস্ট দেখেই।

অ্যান্টিগায় ২০১ রানে হেরে টেস্ট সিরিজে ১–০ ব্যবধানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। ক্যারিবীয়রা নিজেদের মাঠে টেস্ট খেলছে, অথচ গ্যালারি খাঁ-খাঁ করছে। টেস্টে এমনি দর্শক কম হয়, তাই বলে ৫০ জন দর্শকও কি মাঠে আসবে না? জ্যামাইকায় পরশু শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় টেস্ট। আয়োজকেরা স্যাবাইনা পার্কে সুলভ মূল্যে টিকিট ছেড়েছে—৪০০ জ্যামাইকান ডলার, যেটা বাংলাদেশের ৩০০ টাকার সমান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট নিজেদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে গতকাল রাতে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় টেস্টের টিকিটের দাম প্রকাশ করেছে। দাম জানানো হয়েছে প্যাকেজের মতো করে। ৩০ নভেম্বর ও ১ ডিসেম্বর—এই দুই দিনের প্যাকেজ অনুযায়ী নর্থ স্ট্যান্ডে শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য টিকিটের দাম ৪০০ জ্যামাইকান ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৩০২ টাকা। এই প্যাকেজে নর্থ স্ট্যান্ডে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের দাম ধরা হয়েছে ৮০০ জ্যামাইকান ডলার (৬০৫ টাকা)। ক্রিকেট কেভ ফ্যান জোনের পূর্ব পাশের গ্যালারিতে শিশু এবং বৃদ্ধের জন্য টিকিটের দাম ৬০০ জ্যামাইকান ডলার (৪৫৪ টাকা)। এই অংশে প্রাপ্ত বয়স্কদের খেলা দেখতে খরচ করতে হবে দ্বিগুণ টাকা। এ ক্ষেত্রে টিকিটের দাম ১২০০ জ্যামাইকান ডলার (৯০৮ টাকা)।

২ থেকে ৪ ডিসেম্বর—এই তিন দিনের জন্য রাখা হয়েছে আরেকটি প্যাকেজ। এই প্যাকেজে ক্রিকেট কেভ ফ্যান জোনের পূর্ব পাশের গ্যালারিতে শিশু এবং বৃদ্ধদের জন্য টিকিটের দাম ৫০০ জ্যামাইকান ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় সেটা ৩৭৮ টাকা। এই অংশে প্রাপ্ত বয়স্কদের খেলা দেখতে খরচ করতে হবে ১০০০ জ্যামাইকান ডলার (৭৫৬ টাকা)। অপর গ্যালারি নর্থ স্ট্যান্ডের টিকিটের দাম হুবহু প্রথম প্যাকেজের মতো।
একসঙ্গে পাঁচ দিনের প্যাকেজ সিস্টেমও থাকছে জ্যামাইকা টেস্টে। এই প্যাকেজে নর্থ স্ট্যান্ডে টিকিটের দাম ২৪০০ জ্যামাইকান ডলার (১৮১৫ টাকা)। অপর গ্যালারি ক্রিকেট কেভ ফ্যান জোনের পূর্ব পাশে খেলতে খরচ হবে ৩৪০০ ডলার। বাংলাদেশি ২৫৭২ টাকা। এখানে শিশু, বৃদ্ধ, প্রাপ্ত বয়স্ক সবারই একই দাম দিয়ে খেলা দেখতে হবে।
ঘরের মাঠে দারুণ খেলছে নিজেদের দল, তাদের পারফরম্যান্স দেখতে জ্যামাইকানরা কি সুলভ মূল্যের টিকিট কেটে মাঠে আসবেন? সেটা বোঝা যাবে স্যাবাইনা পার্কে ৩০ নভেম্বর থেকে শুরু সিরিজের শেষ টেস্ট দেখেই।

স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা নিজেদের কাছেই রেখে দিল বার্সেলোনা। এবারও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে। মাঠে যতই তারা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হোক না কেন, চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনাকে ‘গার্ড অব অনার’ দিতে প্রস্তুত ছিল রিয়াল।
১৫ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো কি ভারতে হবে নাকি শ্রীলঙ্কায়, তা নিয়ে এখনো জটিলতা কাটেনি। এরই মধ্যে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বিস্ফোরক এক মন্তব্য করেছেন।
৩৫ মিনিট আগে
২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যতই এগিয়ে আসছে, ততই খারাপ হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি ও বিসিসিআই) সম্পর্ক। গতকাল রাতে ক্রিকবাজ জানিয়েছিল, চলমান দোলাচলে লিটন দাসদের ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন করার প্রস্তাব দেবে আইসিসি। তবে বিষয়টি নিয়ে কোনো তথ্য নেই বিসিসিআইয়ের কাছে।
৪ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা নিয়ে এবার নিল নতুন মোড়। এখন পর্যন্ত বিসিবি ও আইসিসির পক্ষ থেকে আসেনি কোনো অগ্রগতি। সম্প্রতি ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো চেন্নাই ও কেরালায় সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। তবে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন নতুন খবর। বাংলাদে
৪ ঘণ্টা আগে