অস্ট্রেলিয়ার অনেক অর্জনের সঙ্গী ছিলেন স্টিভেন স্মিথ। গত এক দশক ধরে হয়ে উঠেছিলেন দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কিন্তু এক দশকের মধ্যে প্রথমবার কোনো বিশ্বকাপে দেখা যাবে না এই অজি ব্যাটারকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও যুক্তরাষ্ট্রের টি-টোয়েন্টির বিশ্বকাপে নেই স্মিথ।
অস্ট্রেলিয়ার ১৫ সদস্যের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে স্মিথ ছাড়াও সুযোগ হয়নি আলোচনায় থাকা জেইক ফ্রেজার-ম্যাকগার্কের। দারুণ ছন্দে থাকা এই টপ অর্ডার ব্যাটার দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের পর আইপিএলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছেন। দলে জায়গা পেয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার অ্যাশটন আগার, উইকেটকিপার-ব্যাটার জশ ইংলিস ও অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিন।
২২ বছর বয়সী ম্যাকগার্ক গত অক্টোবরে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ২৯ বলে সেঞ্চুরি করে রীতিমতো হইচই ফেলে দেন। সর্বশেষ বিগ ব্যাশে ১৫৮.৬৪ স্ট্রাইকরেটে করেন ২৫৭ রান। গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সংস্করণ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় তাঁর। দুই ম্যাচ ৫১ রান করেছেন ২২১.৭৩ স্ট্রাইকরেটে। অভিষেকে ১টি ছক্কা ও চার মেরে আউট হয়ে গেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে করেন ১৮ বলে ৪১ রান। চলতি আইপিএলে ছয় ইনিংসে তিন ফিফটির সৌজন্য করেছেন ২৫৯ রান। নজরকাড়া স্ট্রাইকরেট ২৩৩.৩৩।
অভিজ্ঞ ডেভিড ওয়ার্নার ও বিধ্বংসী ট্রাভিস হেডের সঙ্গে অধিনায়ক মিচেল মার্শ থাকায় টপ অর্ডারে জায়গা সুযোগ হয়নি ম্যাকগার্কের। ইংলিসও অনেক সময় ওপেনিংয়ে ব্যাটিং করে থাকেন। আর টি-টোয়েন্টি দলে বেশ কিছু দিন ধরেই নড়বড়ে স্মিথ।
ম্যাথু ওয়েডের বিকল্প উইকেটকিপারও ইংলিস। বিধ্বংসী টপ অর্ডারের সঙ্গে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মার্কাস স্টয়নিস, টিম ডেভিড ও ম্যাথু ওয়েডকে নিয়ে গড়া অস্ট্রেলিয়ার মিডল অর্ডারও দুর্দান্ত। পেস বোলিং আক্রমণে তিন অভিজ্ঞ—প্যাট কামিন্স, জশ হেইজেলউড ও মিচেল স্টার্কের সঙ্গে সুযোগ পেয়েছেন ন্যাথান এলিস। স্পিন আক্রমণে অ্যাডাম জ্যাম্পার সঙ্গে বাঁহাতি আগার।
অপশন বেশি থাকায় দল নির্বাচনে বেশ চ্যালেঞ্জ ছিল নির্বাচকদের জন্য। প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলির কথায় সেটি স্পষ্ট, ‘সম্ভাব্য চিত্র ও যেসব বিকল্প নিয়ে আমরা ভাবি, সবকিছু বিবেচনায় ১৫ জনের বিশ্বকাপ স্কোয়াড গড়া সব সময়ই চ্যালেঞ্জের। প্রাথমিক এই দলে যারা সুযোগ পেলেন না, তাদের আমরা পর্যবেক্ষণ করে যাব এবং আমরা যদি দলে পরিবর্তন আনতে চাই, আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী তা করার সুযোগ আছে সামনের কয়েক সপ্তাহে।’
আগামী ২৫ মে পর্যন্ত দলে পরিবর্তন আনা সুযোগ রয়েছে। আগামী ৫ জুন ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু বিশ্বকাপ শুরু করবে অস্ট্রেলিয়া। ‘বি’ গ্রুপে তাদের সঙ্গে আছে ইংল্যান্ড, নামিবিয়া ও স্কটল্যান্ড।
অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দল: মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), অ্যাশটন আগার, প্যাট কামিন্স, টিম ডেভিড, ন্যাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হেইজেলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মিচেল স্টার্ক, মার্কাস স্টয়নিস, ম্যাথু ওয়েড, ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যাডাম জ্যাম্পা।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
৫ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১ ঘণ্টা আগে