
২০২৩ বিশ্বকাপে বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে এসে প্রায় ভরাডুবিই হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের। ৮ ম্যাচে ২ জয় নিয়ে এই মুহূর্তে পয়েন্ট টেবিলের আটে আছে বাংলাদেশ। ২০২৫ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেলা নিয়েই তৈরি হয়েছে সংশয়। এই ব্যর্থতার দায়ে বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় ধরনের পরিবর্তনের দাবি উঠেছে। দর্শক-সমর্থকেরা পরিবর্তন দেখতে চান নির্বাচক প্যানেলেও।
সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলও চান নির্বাচক প্যানেলে বড় পরিবর্তন আসুক। তাঁর মতে, প্রায় এক যুগ ধরে প্রধান নির্বাচক হিসেবে থাকা মিনহাজুল আবেদীন নান্নুকে আর দেখতে চান না তিনি। আজ বিকেলে পুনেতে আশরাফুল বলেছেন, ‘অবশ্যই (পরিবর্তন হওয়া উচিত)। একটা মানুষ ১২ বছর ধরে আছেন। শুধু আমি নই বিশ্বের সব জায়গায়। আরেকবার বলেছিলাম এ কথাটা। তিনি (নান্নু) উদাহরণ দিয়েছিলেন, অস্ট্রেলিয়ার একজন এমন ছিলেন। তখন অস্ট্রেলিয়া টানা ১২–১৩ টেস্ট জিতেছিল। ওটা হিসাব করবেন না। আমাদের সবশেষ তিনটি আইসিসির ইভেন্ট ভালো যায়নি। এবারও ভালো হয়নি। দুটি ম্যাচ জিতে আটে আছি। এ কারণে অবশ্যই নতুন ব্রেন (মস্তিষ্ক) দরকার। এটা লম্বা সময়ে থাকার পজিশন নয়, ২–৪ বছর থাকার পজিশন। নতুন মানুষ এলে নতুন ভাবনা আসবে। ২৩ বছরে আমরা কেন ১০–১২জন (প্রধান) কোচ পরিবর্তন করলাম। নতুন কিছু চিন্তার জন্যই তো পরিবর্তন করেছি।’
নান্নুর কাছ থেকে নতুন কোনো ভাবনা আর পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে মনে করেন আশরাফুল, ‘ওই মানের কোনো খাতেই কোয়ালিটি জিনিস নেই। আপনাদের কাছে নাম জিজ্ঞেস করলে আপনারা নাম খুঁজে পাবেন না। এটাই আসলে সমস্যা। নাম না পেলেও এই লেভেলে যারা কিছু খেলেছে, তাদের সুযোগ দিলে তাহলে নতুন নতুন আইডিয়া আসবে। একই আইডিয়া নিয়ে ১২ বছর ধরে আছেন, এখন পরিবর্তন আসা উচিত।’
যদি নির্বাচক হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়, আশরাফুল কি সেটি লুফে নেবেন? সাবেক এ অধিনায়কের উত্তর, ‘যেহেতু আমি ২৬–২৭ বছর ধরে ক্রিকেট খেলছি। ভবিষ্যতেও আমি ক্রিকেটের সঙ্গে থাকতে চাই। এ ধরনের যদি কোনো পরিস্থিতি আসে, অবশ্যই আমি চিন্তা করব।’

ঘানা দলকে নিয়ে কিছু বলতে গেলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ২০১০ বিশ্বকাপ। ভেসে ওঠে উরুগুয়ের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আসামোয়া জিয়ান, কেভিন-প্রিন্স বোয়াটেংদের কান্নাভেজা বিদায়। নক আউটের সেই ম্যাচে যদি গোললাইন থেকে হাত দিয়ে বল না ফেরাতেন লুইস সুয়ারেজ, তাহলে তো আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবেই ঘানা উঠে যেত বিশ্বকাপে
৩৪ মিনিট আগে
১৫ বছর বয়সেই বিশ্ব ক্রিকেট আলোড়ন তৈরি করেছেন বৈভব সূর্যবংশী। বাঘা বাঘা সব বোলারদের পিটিয়ে এরই মধ্যে পেয়েছেন সময়ের অন্যতম সেরা মারকুটে ব্যাটারের খেতাব। অনুমিতভাবেই এই কিশোর ক্রিকেটারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতীয়রা। এমনকি পাকিস্তানেও চলছে সূর্যবংশী বন্দনা।
১ ঘণ্টা আগে
টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে নিউজিল্যান্ড তাণ্ডব চালাচ্ছিল বাংলাদেশের ওপর। অধিনায়ক লিটন দাস একের পর এক বোলার পরিবর্তন করেও সফল হচ্ছিলেন না। তবে ম্যাচের শেষ দিকে এসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের স্কোর যেখানে চোখ বন্ধ করে ২০০ পার হওয়ার কথা ছিল, তা আর হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের ৯৯তম বলে হঠাৎ করে খেলা থামিয়ে দিলেন আম্পায়াররা। আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির কোনো ছিঁটেফোটা ছিল না।
২ ঘণ্টা আগে