নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

১০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ভালো সময়ের চেয়ে খারাপ সময়টাই বেশি দেখেছেন লিটন দাস। আর বাজে সময়ে সমালোচনা তো বটেই, সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-সমর্থকদের কী পরিমাণ বিদ্রূপ চলে, সেটা তাঁর চেয়ে আর ভালো কে জানবেন! ব্যর্থতার চক্রে ঘুরপাক খেতে থাকা লিটন এবার ফিরলেন লঙ্কা জয় করে।
এ বছরের জানুয়ারি থেকে ব্যাপারটা বিবেচনা করা যাক। বাজে ফর্মের কারণে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলেই জায়গা হয়নি তাঁর। এরপর মে মাসে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে পেলেও দুঃসময় তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংযুক্ত আরব আমিরাত, পাকিস্তান—দুই দলের কাছেই লিটনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ হেরেছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফিরে প্রথম ম্যাচে ডাক মারার পর বাকি দুই ম্যাচের একাদশ থেকেই বাদ পড়েন। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ম্যাচে অধিনায়ক লিটন করেন ১১ বলে ৬ রান। বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া লিটন যেন ধনুকভাঙা পণ করলেন, যে করেই হোক সমালোচনার জবাব দিতে হবে। শেষ দুই টি-টোয়েন্টিতে তিনি ছিলেন ‘ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জেতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
লিটনের এমন রোলার কোস্টারের মতো পথচলা কাছ থেকে দেখেছেন জাতীয় দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পর যখন লিটন-তানজিদ হাসান তামিমরা দেশে ফেরেন, তখন বিমানবন্দরে দেখা গেছে গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়। লিটনকে নিয়ে সাংবাদিকদের নাফিস বলেন, ‘তার (লিটন) জন্য এটা সহজ ছিল না। সে যেভাবে সিরিজে এসেছিল, ফর্মটা খুব বাজে যাচ্ছিল তাঁর। যেহেতু বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকেরা বেশি আবেগী, আমাদের বাজে সময় গেলে সামাজিক মাধ্যমে বিদ্রুপ করা বেশি।’
৩৮ গড় ও ১৩১.০৩ স্ট্রাইকরেটে ১১৪ রান করে টি-টোয়েন্টিতে সিরিজসেরার পুরস্কার পেয়েছেন লিটন। নাফিসের চাওয়া বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক বাজে সময় কাটিয়ে যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন, এই দারুণ ফর্মটা যেন সব সময় ধরে রাখেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজার বলেন, ‘এভাবে ফিরে আসার পাশাপাশি দলকে নেতৃত্ব দেওয়া। অসাধারণ অবদান রেখেছে সে। সে তাঁর নিজের দৃঢ়তা দেখিয়েছে। দোয়া করব যেন সে এই ফর্মটা ধরে রাখে।’
২ টেস্ট, ৩ ওয়ানডে, ৩ টি-টোয়েন্টি—সব মিলিয়ে এবারের শ্রীলঙ্কা সফরে ৮ ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে ৩ ম্যাচ। লঙ্কানরা জিতেছে ৪ ম্যাচ। ড্র হয়েছে গলে সিরিজের প্রথম টেস্ট। এক মাসের এই সফরে বাংলাদেশের প্রাপ্তির খাতা একেবারে কম নয়। নাজমুল হোসেন শান্তর রেকর্ড জোড়া সেঞ্চুরি, লিটনের ফর্মে ফেরা, মেহেদী রাঙা বোলিংসহ কত কিছুই তো রয়েছে।

১০ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ভালো সময়ের চেয়ে খারাপ সময়টাই বেশি দেখেছেন লিটন দাস। আর বাজে সময়ে সমালোচনা তো বটেই, সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-সমর্থকদের কী পরিমাণ বিদ্রূপ চলে, সেটা তাঁর চেয়ে আর ভালো কে জানবেন! ব্যর্থতার চক্রে ঘুরপাক খেতে থাকা লিটন এবার ফিরলেন লঙ্কা জয় করে।
এ বছরের জানুয়ারি থেকে ব্যাপারটা বিবেচনা করা যাক। বাজে ফর্মের কারণে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির দলেই জায়গা হয়নি তাঁর। এরপর মে মাসে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে পেলেও দুঃসময় তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংযুক্ত আরব আমিরাত, পাকিস্তান—দুই দলের কাছেই লিটনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ হেরেছে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ওয়ানডেতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ফিরে প্রথম ম্যাচে ডাক মারার পর বাকি দুই ম্যাচের একাদশ থেকেই বাদ পড়েন। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম ম্যাচে অধিনায়ক লিটন করেন ১১ বলে ৬ রান। বাজে সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়া লিটন যেন ধনুকভাঙা পণ করলেন, যে করেই হোক সমালোচনার জবাব দিতে হবে। শেষ দুই টি-টোয়েন্টিতে তিনি ছিলেন ‘ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট’। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জেতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ।
লিটনের এমন রোলার কোস্টারের মতো পথচলা কাছ থেকে দেখেছেন জাতীয় দলের ম্যানেজার নাফিস ইকবাল। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পর যখন লিটন-তানজিদ হাসান তামিমরা দেশে ফেরেন, তখন বিমানবন্দরে দেখা গেছে গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়। লিটনকে নিয়ে সাংবাদিকদের নাফিস বলেন, ‘তার (লিটন) জন্য এটা সহজ ছিল না। সে যেভাবে সিরিজে এসেছিল, ফর্মটা খুব বাজে যাচ্ছিল তাঁর। যেহেতু বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকেরা বেশি আবেগী, আমাদের বাজে সময় গেলে সামাজিক মাধ্যমে বিদ্রুপ করা বেশি।’
৩৮ গড় ও ১৩১.০৩ স্ট্রাইকরেটে ১১৪ রান করে টি-টোয়েন্টিতে সিরিজসেরার পুরস্কার পেয়েছেন লিটন। নাফিসের চাওয়া বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক বাজে সময় কাটিয়ে যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন, এই দারুণ ফর্মটা যেন সব সময় ধরে রাখেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যানেজার বলেন, ‘এভাবে ফিরে আসার পাশাপাশি দলকে নেতৃত্ব দেওয়া। অসাধারণ অবদান রেখেছে সে। সে তাঁর নিজের দৃঢ়তা দেখিয়েছে। দোয়া করব যেন সে এই ফর্মটা ধরে রাখে।’
২ টেস্ট, ৩ ওয়ানডে, ৩ টি-টোয়েন্টি—সব মিলিয়ে এবারের শ্রীলঙ্কা সফরে ৮ ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে ৩ ম্যাচ। লঙ্কানরা জিতেছে ৪ ম্যাচ। ড্র হয়েছে গলে সিরিজের প্রথম টেস্ট। এক মাসের এই সফরে বাংলাদেশের প্রাপ্তির খাতা একেবারে কম নয়। নাজমুল হোসেন শান্তর রেকর্ড জোড়া সেঞ্চুরি, লিটনের ফর্মে ফেরা, মেহেদী রাঙা বোলিংসহ কত কিছুই তো রয়েছে।

ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
১৫ মিনিট আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
২৯ মিনিট আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আজ ঢাকায় এসেছেন আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনা। তাঁকে নিয়ে আজ মিরপুরে বৈঠকে বসেছে বিসিবি। কিন্তু এই আলোচনায়ও আসেনি তেমন কোনো সিদ্ধান্ত।
২ ঘণ্টা আগে