নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটারদের ব্যর্থতা চলছে গত কয়েক মাস। ভালো বোলিংয়ের সামনে তো খাবি খাচ্ছেনই, এমনকি তাদের উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার ঘটনাও নিয়মিত চিত্র। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলমান টেস্ট সিরিজের দিকে তাকালেই সেটা স্পষ্ট বোঝা যাবে।
চট্টগ্রাম টেস্টে ৩৫৩ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করে শ্রীলঙ্কা। ৭ উইকেটে ১৫৭ রানে লঙ্কানরা দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করলে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫১১। সেখানে বাংলাদেশ আজ চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করে ৭ উইকেটে ২৬৮ রানে। উইকেট সংখ্যা আরও কম হতে পারত। যেখানে সাকিব, লিটন দুজনেই ৩০ পেরোনোর পর বাজে শট খেলে আউট হয়েছেন। এছাড়া ফিফটি পেরোনোর পরই মুমিনুল হক আউট হয়েছেন স্লগ সুইপ করতে গিয়ে। চতুর্থ দিনের খেলা শেষে মুমিনুল যখন সংবাদ সম্মেলনে আসেন, তখন উইকেট বিলানোর আক্ষেপ করেছেন তিনি। বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘পুরো দিনে আমার মনে হয় আমার যদি ৪ উইকেটে যদি আমরা শেষ করতে পারতাম তাহলে হয়তো কালকে ভিন্ন কিছু হতো। তখন রান হয়তো ৩০০ হতো, রানরেট আরও বেশি থাকত। কালকের দিনে অন্য কিছু হতে পারত। উইকেট খুব তাড়াতাড়ি পড়েছে। বেশিরভাগ সবাই একইভাবে আউট হয়েছে।’
টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৮ তম ফিফটি মুমিনুল তুলে নিয়েছেন ৫৫ বলে। মেরেছেন ৮ চার ও ১ ছ্ক্কা। টেস্টের প্রথাগত ব্যাটিংয়ের তুলনায় যা তুলনামূলক আক্রমণাত্মক। তবে প্রথম ইনিংসে ৮৪ বলে ৩৩ রান। দুই ইনিংসের ব্যাটিংয়ের তুলনা করতে গিয়ে বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘আমার মনে হয় না আগ্রাসী ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেট অনেক ভালো ছিল। আমি যদি শুধু ব্লক ব্লক ব্লক খেলি, তাহলে বোলারের জন্য জায়গা তৈরি হয়ে যায়। আমি নরমাল খেলাটা খেলার চেষ্টা করেছি। পেস বোলিংয়ে যদি দেখেন, আমি বাজে শট খেলিনি। স্পিনে আমার যেসব জায়গায় ভালো খেলি, সেসব জায়গায় হিসেব করে ঝুকি নিয়েছি। প্রথম ইনিংসে অনেক সময় নিয়ে ব্যাট করায় হয়ত আগ্রাসী মনে হয়েছে।’

টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাটারদের ব্যর্থতা চলছে গত কয়েক মাস। ভালো বোলিংয়ের সামনে তো খাবি খাচ্ছেনই, এমনকি তাদের উইকেট বিলিয়ে দেওয়ার ঘটনাও নিয়মিত চিত্র। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চলমান টেস্ট সিরিজের দিকে তাকালেই সেটা স্পষ্ট বোঝা যাবে।
চট্টগ্রাম টেস্টে ৩৫৩ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করে শ্রীলঙ্কা। ৭ উইকেটে ১৫৭ রানে লঙ্কানরা দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করলে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৫১১। সেখানে বাংলাদেশ আজ চতুর্থ দিনের খেলা শেষ করে ৭ উইকেটে ২৬৮ রানে। উইকেট সংখ্যা আরও কম হতে পারত। যেখানে সাকিব, লিটন দুজনেই ৩০ পেরোনোর পর বাজে শট খেলে আউট হয়েছেন। এছাড়া ফিফটি পেরোনোর পরই মুমিনুল হক আউট হয়েছেন স্লগ সুইপ করতে গিয়ে। চতুর্থ দিনের খেলা শেষে মুমিনুল যখন সংবাদ সম্মেলনে আসেন, তখন উইকেট বিলানোর আক্ষেপ করেছেন তিনি। বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘পুরো দিনে আমার মনে হয় আমার যদি ৪ উইকেটে যদি আমরা শেষ করতে পারতাম তাহলে হয়তো কালকে ভিন্ন কিছু হতো। তখন রান হয়তো ৩০০ হতো, রানরেট আরও বেশি থাকত। কালকের দিনে অন্য কিছু হতে পারত। উইকেট খুব তাড়াতাড়ি পড়েছে। বেশিরভাগ সবাই একইভাবে আউট হয়েছে।’
টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৮ তম ফিফটি মুমিনুল তুলে নিয়েছেন ৫৫ বলে। মেরেছেন ৮ চার ও ১ ছ্ক্কা। টেস্টের প্রথাগত ব্যাটিংয়ের তুলনায় যা তুলনামূলক আক্রমণাত্মক। তবে প্রথম ইনিংসে ৮৪ বলে ৩৩ রান। দুই ইনিংসের ব্যাটিংয়ের তুলনা করতে গিয়ে বাংলাদেশের বাঁহাতি ব্যাটার বলেন, ‘আমার মনে হয় না আগ্রাসী ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেট অনেক ভালো ছিল। আমি যদি শুধু ব্লক ব্লক ব্লক খেলি, তাহলে বোলারের জন্য জায়গা তৈরি হয়ে যায়। আমি নরমাল খেলাটা খেলার চেষ্টা করেছি। পেস বোলিংয়ে যদি দেখেন, আমি বাজে শট খেলিনি। স্পিনে আমার যেসব জায়গায় ভালো খেলি, সেসব জায়গায় হিসেব করে ঝুকি নিয়েছি। প্রথম ইনিংসে অনেক সময় নিয়ে ব্যাট করায় হয়ত আগ্রাসী মনে হয়েছে।’

এম নাজমুল ইসলাম পদত্যাগ না করলে সব ধরনের ক্রিকেট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াবের সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন। আজও তাঁর দাবি একটাই। নাজমুল পদত্যাগ না করলে মাঠে না নামার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এতক্ষণে মিরপুরে চট্টগ্রাম রয়্যালস-নোয়াখালী এক্সপ্রেসের ম্যাচের প্রথম ইনিংস শেষ হয়ে যেত। বেলা ১টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল ম্যাচ। তবে ক্রিকেটাররা মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের পরিবর্তে চলে গেছেন বনানি শেরাটন হোটেলে। নির্ধারিত সময়ে তাই দুপুরের ম্যাচ শুরু করা সম্ভব হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
ছেলেদের সাফে গতকাল লড়াই হলো বেশ। অথচ মেয়েদের সাফে বাংলাদেশের সামনে দাঁড়াতেই পারল না ভারত। অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের জোড়া গোলে দারুণ জয়ে নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে ভারতকে আজ ৩-১ গোলে হারিয়েছে সাঈদ খোদারাহমির দল।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল), আইপিএল, পাকিস্তান সুপার লিগ, আইএল টি-টোয়েন্টি, এসএ টোয়েন্টিসহ বিশ্বের প্রায় সব ধরনের টুর্নামেন্টেই দেখা যায় আফগানিস্তানের ক্রিকেটারদের। মোহাম্মদ নবি, রশিদ খান, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, মুজিব উর রহমান, ফজল হক ফারুকিদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণেই টুর্নামেন্টগুলোতে
৩ ঘণ্টা আগে