
ইংল্যান্ডের একমাত্র ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাসে ভিনদেশি দুই ক্রিকেটার একটু বেশিই গুরুত্ব পাবেন। একজন বার্বাডোজের জফরা চিওক আর্চার, আরেকজন নিউজিল্যান্ডের বেঞ্জামিন অ্যান্ড্রু স্টোকস।
লড়াকু স্টোকসে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ২০১৯ সালে প্রথমবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায় ইংল্যান্ড। ব্যাটিংয়ে ১০ ইনিংসে ৪৬৫ রান করেছিলেন তিনি, গড় ছিল ৬৬.৪২। বোলিংয়ে নিয়েছিলেন ৭ উইকেট। ইকোনমি রেট ছিল ৪.৮৩। কিউইদের বিপক্ষে ফাইনালে স্টোকসের ৮৪ রানের অপরাজিত ইনিংসটি ইংলিশদের কাছে সব সময়ই জীবন্ত হয়ে থাকবে।
স্টোকসের পাশাপাশি বার্বাডোজের আর্চার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণকে। ১১ ম্যাচে ৪.৫৭ ইকোনমি রেটে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ২০ উইকেট নিয়েছিলেন এই পেসার। কিন্তু গত বিশ্বকাপ জয়ের দুই নায়কই ২০২৩ বিশ্বকাপে না থাকার জোর সম্ভাবনা ছিল।
স্টোকস মাঝে অবসর নিয়েছিলেন সাদা বলের ক্রিকেট থেকে। কিন্তু বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে জস বাটলারদের অনুরোধে অবসর ভেঙে আবারও ফিরলেন ওয়ানডে সংস্করণে। কদিন আগেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে ওয়ানডে সংস্করণে সর্বোচ্চ ১৮২ রানের ইনিংসটি খেলেছেন।
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলে স্টোকস আছেন; কিন্তু দীর্ঘদিন কনুইয়ের চোটে থাকা আর্চারের তো জায়গায় হয়নি। তবে কি আসন্ন ভারত বিশ্বকাপে এই স্পিড স্টারকে দেখাই যাবে না? একটু দেরি করে হলেও ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) জানিয়েছে, বিশ্বকাপে আর্চারকে নিয়েই ভারতে যাবেন ইংলিশরা।
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে থাকবেন আর্চার। ভারতে চলবে তাঁর পুনর্বাসন প্রক্রিয়া। আপাতত রিজার্ভ বেঞ্চে থাকবেন। কোনো ক্রিকেটার চোটে পড়লে তখন কপাল খুলে যাবে তাঁর। আর্চার সর্বশেষ গত মার্চে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন।
আজ ইংল্যান্ড পুরুষ দলের নির্বাচক লুক রাইট জানিয়েছেন, রিজার্ভ ক্রিকেটার হিসেবে আর্চারকে বিশ্বকাপে নেওয়া হবে। রাইটের ভাষায়, ‘জফরা আর্চার ভারতে দলের সঙ্গে যাবে। সে রিজার্ভ খেলোয়াড়দের একজন। কিন্তু আমাদের তার দিকে খেয়াল রাখতে হবে, পুনর্বাসনে নজর দিতে হবে।’
আর্চারকে বড় সম্পদ আখ্যা দিয়ে লুক রাইট আরও বলেন, ‘সে দ্রুতই সেরে উঠবে না, বিশেষ করে বিশ্বকাপের প্রথম অংশে। তাকে নিয়ে আমাদের দায়িত্ব আছে। দীর্ঘ মেয়াদে যাতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, আমরা তাকে দীর্ঘ মেয়াদে বড় একটি সম্পদ বলে মনে করি। বিশ্বকাপের শুরুতে তাকে ফেরানোর যত ইচ্ছাই থাকুক না কেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের হাতে সময় নেই।’

ইংল্যান্ডের একমাত্র ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাসে ভিনদেশি দুই ক্রিকেটার একটু বেশিই গুরুত্ব পাবেন। একজন বার্বাডোজের জফরা চিওক আর্চার, আরেকজন নিউজিল্যান্ডের বেঞ্জামিন অ্যান্ড্রু স্টোকস।
লড়াকু স্টোকসে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ২০১৯ সালে প্রথমবার ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায় ইংল্যান্ড। ব্যাটিংয়ে ১০ ইনিংসে ৪৬৫ রান করেছিলেন তিনি, গড় ছিল ৬৬.৪২। বোলিংয়ে নিয়েছিলেন ৭ উইকেট। ইকোনমি রেট ছিল ৪.৮৩। কিউইদের বিপক্ষে ফাইনালে স্টোকসের ৮৪ রানের অপরাজিত ইনিংসটি ইংলিশদের কাছে সব সময়ই জীবন্ত হয়ে থাকবে।
স্টোকসের পাশাপাশি বার্বাডোজের আর্চার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণকে। ১১ ম্যাচে ৪.৫৭ ইকোনমি রেটে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ ২০ উইকেট নিয়েছিলেন এই পেসার। কিন্তু গত বিশ্বকাপ জয়ের দুই নায়কই ২০২৩ বিশ্বকাপে না থাকার জোর সম্ভাবনা ছিল।
স্টোকস মাঝে অবসর নিয়েছিলেন সাদা বলের ক্রিকেট থেকে। কিন্তু বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে জস বাটলারদের অনুরোধে অবসর ভেঙে আবারও ফিরলেন ওয়ানডে সংস্করণে। কদিন আগেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের হয়ে ওয়ানডে সংস্করণে সর্বোচ্চ ১৮২ রানের ইনিংসটি খেলেছেন।
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলে স্টোকস আছেন; কিন্তু দীর্ঘদিন কনুইয়ের চোটে থাকা আর্চারের তো জায়গায় হয়নি। তবে কি আসন্ন ভারত বিশ্বকাপে এই স্পিড স্টারকে দেখাই যাবে না? একটু দেরি করে হলেও ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) জানিয়েছে, বিশ্বকাপে আর্চারকে নিয়েই ভারতে যাবেন ইংলিশরা।
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ দলের সঙ্গে থাকবেন আর্চার। ভারতে চলবে তাঁর পুনর্বাসন প্রক্রিয়া। আপাতত রিজার্ভ বেঞ্চে থাকবেন। কোনো ক্রিকেটার চোটে পড়লে তখন কপাল খুলে যাবে তাঁর। আর্চার সর্বশেষ গত মার্চে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছিলেন।
আজ ইংল্যান্ড পুরুষ দলের নির্বাচক লুক রাইট জানিয়েছেন, রিজার্ভ ক্রিকেটার হিসেবে আর্চারকে বিশ্বকাপে নেওয়া হবে। রাইটের ভাষায়, ‘জফরা আর্চার ভারতে দলের সঙ্গে যাবে। সে রিজার্ভ খেলোয়াড়দের একজন। কিন্তু আমাদের তার দিকে খেয়াল রাখতে হবে, পুনর্বাসনে নজর দিতে হবে।’
আর্চারকে বড় সম্পদ আখ্যা দিয়ে লুক রাইট আরও বলেন, ‘সে দ্রুতই সেরে উঠবে না, বিশেষ করে বিশ্বকাপের প্রথম অংশে। তাকে নিয়ে আমাদের দায়িত্ব আছে। দীর্ঘ মেয়াদে যাতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ, আমরা তাকে দীর্ঘ মেয়াদে বড় একটি সম্পদ বলে মনে করি। বিশ্বকাপের শুরুতে তাকে ফেরানোর যত ইচ্ছাই থাকুক না কেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের হাতে সময় নেই।’

দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি কেবল এক মাস। আইসিসির এই ইভেন্ট সামনে রেখে দলগুলো প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। কেউ চূড়ান্ত দল, কেউবা আবার প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে। একঝাঁক স্পিনার নিয়ে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া।
২২ মিনিট আগে
নতুন বছরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত ভারত-শ্রীলঙ্কায় হবে দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আইসিসির ইভেন্ট শেষে বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। এরপর জুলাই থেকে আগস্ট জিম্বাবুয়ে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্য
৪৩ মিনিট আগে
নতুন বছরের প্রথম দিনই মাঠে নামছে রিশাদ হোসেনের দল হোবার্ট হারিকেনস। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ১৫ মিনিটে হোবার্টের বেলেরিভ ওভালে শুরু হবে হোবার্ট হারিকেনস-পার্থ স্কর্চার্স ম্যাচ। এখন মেলবোর্নের ডকল্যান্ডস স্টেডিয়ামে চলছে বিগ ব্যাশের মেলবোর্ন রেনেগেডস-সিডনি সিক্সার্স ম্যাচ।
২ ঘণ্টা আগেনতুন বছরে সবার চোখ থাকবে ফিফা বিশ্বকাপে। তবে এই বৈশ্বিক ফুটবলযজ্ঞের বছরে রয়েছে ছেলেদের ও মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ । ফুটবলে আছে মেয়েদের এশিয়ান কাপ এবং অনূর্ধ্ব -২০ মেয়েদের এশিয়ান কাপও । ফিফা বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দর্শক হলেও এসব বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে খেলছে বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে