
বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজকে নিজের সামর্থ্য প্রমাণের আরেকটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার বিউ ওয়েবস্টার। নাজমুল হোসেন শান্তর দলের বিপক্ষে ভালো ক্রিকেট খেলে অজিদের সেরা একাদশে জায়গা আরও শক্ত করতে চান তিনি।
ডারউইনে আগামী ১৩ আগস্ট দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই সিরিজের পর দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে কঠিন লড়াই অপেক্ষা করছে স্বাগতিকদের জন্য। ব্যস্ত সূচিকে সামনে রেখে দলে নিজের জায়গা ধরে রাখতে বাংলাদেশ সিরিজকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছেন ওয়েবস্টার।
গত বছরের জানুয়ারিতে টেস্ট অভিষেকের পর এখন পর্যন্ত আটটি ম্যাচ খেলেছেন ওয়েবস্টার। এর মধ্যে গত বছর লর্ডসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে সর্বোচ্চ রান (৭২) করেন তিনি। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জয়ে রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
২০২৫ সালের শেষ দিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাশেজ সিরিজে দলে জায়গা হারান ওয়েবস্টার। সে সময় ক্যামেরুন গ্রিন, জশ ইংলিস ও উসমান খাজার মতো ক্রিকেটারদের অগ্রাধিকার দিয়েছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। সিডনিতে সিরিজের শেষ টেস্টে আবার সুযোগ পেয়ে অবশ্য নিজেকে মেলে ধরেন তিনি। অপরাজিত ৭১ রানের পাশাপাশি বল হাতে নেন তিন উইকেট।
সেই পারফরম্যান্সই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে ওয়েবস্টারের। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখে তিনি বলেন, ‘আমি শুধু নিজের কাজটা করতে চাই এবং ব্যাট কিংবা বল—যেকোনোভাবে নিজেকে একাদশ থেকে বাদ দেওয়া কঠিন করে তুলতে চাই। খেলার সব বিভাগেই অবদান রাখতে পারার বিষয়টি নিয়ে আমি গর্বিত, ক্যামেরনও একইভাবে। আমাদের দুজনের ক্ষেত্রেই ব্যাপারটা হলো, আমরা অলরাউন্ডার হলেও মূলত ব্যাটার।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ১৩ সদস্যের দলে ওয়েবস্টার ছাড়াও আছেন আরেক অলরাউন্ডার গ্রিন। দুজনের একসঙ্গে একাদশে থাকা সম্ভব বলেই মনে করেন ওয়েবস্টার, ‘কেন নয় (দুজন অলরাউন্ডার একাদশে থাকা প্রসঙ্গে)। আমি তো এর কোনো কারণ দেখি না। শীর্ষ সাত ব্যাটারের মধ্যে বল হাতে আরও বেশি বিকল্প থাকা অবশ্যই সুবিধার। আর আমি এটিকে সরাসরি প্রতিযোগিতা হিসেবে দেখি না। আমরা দুজনই যদি ব্যাট হাতে পারফর্ম করি, তাহলে অধিনায়কের হাতে আরও বেশি বিকল্প থাকবে। আমাদের মূল দক্ষতা ব্যাটিং, পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও আমরা অবদান রাখতে পারি।’
ওয়েবস্টারের মতে, দুজনের অলরাউন্ডারের পারফরম্যান্স দলের জন্য বাড়তি সুবিধা এনে দিতে পারে। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ক্যামেরুনের সঙ্গে খেলতে আমার দারুণ লাগে। সে বল হাতে ভালো করলে কিংবা আমি বল হাতে ভালো করলে আমাদের হাতে বিকল্প থাকে। দলের মূল তিন পেসার ও স্পিনারকে বিশ্রাম দিতে প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা দায়িত্ব ভাগ করে নিতে পারি। তাই আমি এতে পুরোপুরি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।’

আরও একবার মাঠে নামবেন লিওনেল মেসি। এবার আর কোনো হিসাবনিকাশ নেই, সামনে নতুন কোনো টুর্নামেন্টও নেই। আছে শুধু বিদায়ের উপলক্ষ। বুয়েনস এইরেসে বাংলাদেশ সময় আগামীকাল ভোর ৫টায় বেনিনের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলতে নামবেন মেসি। যে জার্সি পরে প্রায় দুই দশক ধরে ফুটবল-জাদুতে সম্মোহিত করেছেন...
৮ ঘণ্টা আগে
আর মাত্র এক ম্যাচ। আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবার নামবেন লিওনেল মেসি। এমন মুহূর্তের অপেক্ষায় বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী। যে মনুমেন্তালে মেসি শেষবার নামবেন, সেই স্টেডিয়ামে ভক্ত-সমর্থকদের সঙ্গে থাকবেন তাঁর সাবেক সতীর্থ আনহেল দি মারিয়াও। তবে নাহুয়েল মলিনা, পাওলো দিবালার এখানে থাকার কথা থাকলেও সেটা
১০ ঘণ্টা আগে
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর অনুপস্থিতিতে পর্তুগালের আক্রমণভাগ সামলানোর দায়িত্বটা এখন গনসালো রামোসের কাঁধেই। রামোসও সেটা দারুণভাবে করে যাচ্ছেন। গোলের পর বন্দুকের গুলির মতো উদযাপন করেন তিনি। ২৫ বছর বয়সী পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড এবার পোস্ট দিয়ে সেটা ডিলিটও করে দিলেন।
১১ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনা ফুটবলের ইতিহাসে একটি ছবি সময়ের ফ্রেমে চিরতরে বন্দি হয়ে আছে। ১৯৯৪ যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে জয়ের পর নার্স সু কার্পেন্টারের হাত ধরে হেঁটে যাচ্ছেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। উদ্দেশ্য অ্যান্টি-ডোপিং পরীক্ষা। ম্যারাডোনার মুখে হাসি। আর্জেন্টিনা টানা দুই ম্যাচ জিতেছে, দু
১১ ঘণ্টা আগে