অবশেষের ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙল মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। আইপিএলে টানা চার হারের পর গত রাতে জয় পেয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়ারা। নিজেদের মাঠ ওয়াংখেড়েতে ১৬ বল হাতে রেখে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে মুম্বাই।
টসে হেরে আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৭৩ রানের স্কোর পায় হায়দরাবাদ। লক্ষ্য তাড়ায় ৩১ রানে ৩ উইকেট হারায় মুম্বাই। সেখান থেকে তিলক ভার্মার সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে জয় এনে দেন সূর্যকুমার যাদব। মুম্বাই ৩ উইকেটে করে ১৭৪ রান।
সূর্য পেয়েছেন সেঞ্চুরি। ৫১ বলে ১২ চার ও ৬ ছয়ে করেছেন অপরাজিত ১০২ রান। এই সেঞ্চুরিতে অনেক মাইলফলক ছুঁয়েছেন এই ডানহাতি ভারতীয় ব্যাটার। মুম্বাইয়ের হয়ে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিতে দুই কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকার ও সনাথ জয়াসুরিয়াকেও টপকে গেলেন সূর্য। ম্যাচ-সেরাও হয়েছেন তিনি।
সেই সঙ্গে ২০২৪ আইপিএলও নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল। এবারের সংস্করণে এখন পর্যন্ত সেঞ্চুরি হয়েছে ১২টি, যা যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ। সমান সেঞ্চুরি হয়েছিল ২০২৩ সংস্করণে। ২০২২ আইপিএলে হয়েছিল দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮ সেঞ্চুরি। ৭ সেঞ্চুরি হয় ২০১৬ সংস্করণে।
সংখ্যায় সংখ্যায় দেখে নেওয়া যাক সূর্যকুমারের মাইলফলক—
২
মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরিতে রোহিত শর্মার পাশে বসলেন সূর্যকুমার। দুজনের সেঞ্চুরির সংখ্যা দুটি করে। একটি করে সেঞ্চুরি করেছেন শচীন টেন্ডুলকার, সনাথ জয়াসুরিয়া, লেন্ডল সিমনস, ক্যামেরুন গ্রিন।
৪
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে চারে ব্যাটিংয়ে নেমে যুগ্মভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ডে ডেভিড মিলারের পাশে বসলেন সূর্যকুমার। দুজনের সেঞ্চুরির সংখ্যা ৪। ৫ সেঞ্চুরি নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।
৬
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ভারতীয়দের মধ্যে যুগ্মভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি করলেন সূর্যকুমার। এ তালিকায় শীর্ষে বিরাট কোহলি (৯)। দুইয়ে রোহিত শর্মা (৮)। আট সেঞ্চুরি করে পরের স্থানে রুতুরাজ গাইকোয়াড, লোকেশ রাহুল ও সূর্যকুমার।
১৪৩*
হায়দরাবাদের বিপক্ষে রান তাড়ায় ৭৯ বলে অপরাজেয় ১৪৩ রানের জুটি গড়েছেন সূর্যকুমার ও তিলক ভার্মা, মুম্বাইয়ের হয়ে চতুর্থ উইকেটে যা সর্বোচ্চ। আইপিএলে রান তাড়ায় চতুর্থ উইকেটে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটিও। আগেরটি ১৪৪—গুরকিরাত সিং ও শিমরন হেটমায়ারের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে সানরাইজার্স হায়দাবাদের বিপক্ষে ২০১৯ সালে এই রেকর্ড গড়েছিলেন তাঁরা।

ডারউইনে প্রথম দিনের সব আলো যেন হাসান মাহমুদই কেড়ে নিলেন। তাঁর আগুনে বোলিংয়ে পুড়ে ছারখার অস্ট্রেলিয়া। গুনে গুনে স্বাগতিকদের ছয় ব্যাটারকে ড্রেসিংরুমের পথ দেখিয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই পেসার। তবু একটা উইকেট হাসানের কাছে ‘বেশি স্পেশাল’।
২ ঘণ্টা আগে
গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
৩ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
৪ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি সাবলীল হাসান মাহমুদ। পেস, সুইংয়ে ব্যাটারদের কাবু করেন নিয়মিতই। অস্ট্রেলিয়ায় এবার প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই আগুন ঝড়াচ্ছেন হাসান। ছুঁয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার রেকর্ড। হাসানের সামনে এখন কেবল শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তাসকিন আহমেদ।
৫ ঘণ্টা আগে