
কদিন আগেই মালয়েশিয়ায় অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে আম্পায়ারিং করেছিলেন সাথিরা জাকির জেসি। এবার বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে তিনি আম্পায়ারিং করতে যাচ্ছেন। এই টুর্নামেন্টও হবে মালয়েশিয়ায়।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) আজ এক মিডিয়া বিজ্ঞপ্তিতে ২০২৫ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ২০ ম্যাচ কর্মকর্তার নাম ঘোষণা করেছে। যাদের মধ্যে আম্পায়ার ১৬ জন এবং চারজন থাকছেন ম্যাচ রেফারির দায়িত্বে। বাংলাদেশের জেসি সেই ১৬ আম্পায়ারের একজন। সর্বোচ্চ দুজন করে আম্পায়ার থাকছেন নেদারল্যান্ডস, ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে। বাংলাদেশের মতো অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, কাতার, যুক্তরাষ্ট্র, জিম্বাবুয়ে, ওমান, আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার এক জন করে আম্পায়ার আছেন টুর্নামেন্টে। চার দেশ থেকে থাকছেন একজন করে ম্যাচ রেফারি।
এবারই প্রথমবারের মতো কোনো আইসিসি ইভেন্টে আম্পায়ারিং করতে যাচ্ছেন জেসি। ৮ জানুয়ারি তিনি চলে গেছেন মালয়েশিয়ায়। কারণ, ওয়ার্ম-আপ ম্যাচ শুরু হয়ে গেছে। মালয়েশিয়া থেকে আজকের পত্রিকাকে আজ তিনি বলেন, ‘স্বাভাবিক ভালো লাগবেই। সবার স্বপ্ন থাকে বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করার। আলহামদুলিল্লাহ। আমার আম্পায়ারিং দেখেই অনেক মেয়েরা আম্পায়ারিংয়ে এসেছে। এই জায়গাটা অনেক সুযোগ রয়েছে মেয়েদের। আশা করি, সামনে আরও অনেক মেয়ে আসবে।’
মেজর ইভেন্টে জেসি এর আগেও আম্পায়ারিং করেছেন। ২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত নারী এশিয়া কাপে আম্পায়ার ছিলেন তিনি। ডাম্বুলায় গত বছর শ্রীলঙ্কা-ভারত ফাইনালে জেসি ছিলেন মাঠের আম্পায়ার। বাংলাদেশের আম্পায়ারের সঙ্গে শিরোপা নির্ধারণী সেই ফাইনালে মাঠের আম্পায়ারের দায়িত্বে ছিলেন সালিমা ইমতিয়াজ। সালিমা এবার নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও আম্পায়ার হিসেবে থাকছেন। ১৮ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ১৬ দলের এই টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ২ ফেব্রুয়ারি। বিশ্বকাপে এবার ‘ডি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, নেপাল ও স্কটল্যান্ড।
প্রথমবারের মতো নারী অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হয়েছে ২০২৩ সালে। দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছিল ভারত। পচেফস্ট্রুমের সেনওয়েস পার্কের ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়েছিল ভারত। ফাইনালে সর্বসাকল্যে হয়েছিল ১৩৭ রান এবং পড়েছিল ১৩ উইকেট।
২০২৫ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
আম্পায়ার
সাথিরা জাকির জেসি (বাংলাদেশ), অ্যাশলি গিবনস (অস্ট্রেলিয়া), গায়ত্রী ভেনুগোপালান (ভারত), নারায়ণ জননী (ভারত), আয়দান সিভার (আয়ারল্যান্ড), নিতিন বাথি (নেদারল্যান্ডস), রিজওয়ান আকরাম (নেদারল্যান্ডস), রাহুল আশার (ওমান), সালিমা ইমতিয়াজ (পাকিস্তান), শিবানি মিশ্র (কাতার), কেরিন ক্লাস্তে (দক্ষিণ আফ্রিকা), দেদুনু সিলভা (শ্রীলঙ্কা), বিজয়া প্রকাশ মালেলা (যুক্তরাষ্ট্র), ক্যানডেস লা বোর্দে (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), মারিয়া অ্যাবট (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ফরস্টার মুতিজোয়া (জিম্বাবুয়ে)
ম্যাচ রেফারি
ডেভিড গিলবার্ট (অস্ট্রেলিয়া), ডিন কস্কার (ইংল্যান্ড), ট্রুডি অ্যান্ডারসন (নিউজিল্যান্ড), রিওন কিং (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

তামিম বলেন, ‘আমরা চাচ্ছি আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসের মধ্যে সব ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। আগে যা হতো—একেবারে শেষ মুহূর্তে সবকিছু করা হতো। আমরা পর্যাপ্ত সময় নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো চূড়ান্ত করতে চাই, যাতে কেউ নিয়ম ভঙ্গ করলে বা সরে দাঁড়ালে আমাদের হাতে বিকল্প খোঁজার মতো যথেষ্ট সময় থাকে। আমরা এ
৫ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে কাঁপিয়ে এখন ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করার হাতছানি এখন বাংলাদেশের সামনে। ব্যাটিং, বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করেছে ফিল সিমন্সের বাংলাদেশ।প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাইয়ের এমন সম্ভাবনা যখন বাংলাদেশের সামনে, তখন স্বাভাবিকভাবেই কৌশল নিয়ে কৌতূহল জেগেছে অনেকের। তবে সিমন্স তা খোলাসা করেননি।
৬ ঘণ্টা আগে
ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে হারের পরও প্রতিপক্ষকে নিয়ে কোনো বিস্ময় নেই অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ক্যামেরন গ্রিনের। বরং তাঁর দাবি, বাংলাদেশ যে ভালো দল, সেটি আগেই তাঁদের জানা ছিল। প্রথম দিনের পরই ম্যাচটা কঠিন হতে যাচ্ছে সেটিও বুঝে গিয়েছিলেন তাঁরা।
৭ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো তো চাট্টিখানি কথা নয়। ডারউইনে সিরিজের প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন নাজমুল হোসেন শান্ত-মুশফিকুর রহিমরা। এবার তাদের সামনে ইতিহাস সমৃদ্ধ করার হাতছানি। ম্যাকেতে পরশু শুরু হতে যাওয়া দ্বিতীয় টেস্টটা নিয়েই এখন ভাবনা প্রধান কোচ ফিল সিমন্স
৭ ঘণ্টা আগে